রবিবার, জানুয়ারি ১৫, ২০১৭

ইসলামী ব্যাংকের মত কমার্স ব্যাংকেও পরিবর্তন আসবে : অর্থমন্ত্রী

 অর্থমন্ত্রী
আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ইসলামী
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের মতো
কমার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদেও
পরিবর্তন আনা হবে।
সোমবার দুপুরে সিলেটের লাক্কাতুড়া চা
বাগানে চা শ্রমিকদের আয়োজিত এক
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে
তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন,
ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে
পরিবর্তন এসেছে। এখন কমার্স ব্যাংকে
পরিবর্তন আসবে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন,
দেশে এবার রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন
হয়েছে। যা আমাদের চাহিদার সমতুল্য।
তবে খতিয়ে দেখতে হবে এ উৎপাদন
সাসটেইনেবল কি না। যদি সাসটেইনেবল
উৎপাদন হয়, তবে বিদেশ থেকে চা
আমাদানি করা হবে না।
এদিকে, বিকেলে সিলেট নগরীর
রিকাবিবাজারে মোহাম্মদ আলী
জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গণে উন্নয়ণ মেলায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
‘উন্নয়নের গণতন্ত্র, শেখ হাসিনার
মূলমন্ত্র’ শ্লোগান নিয়ে শুরু হওয়া এই
মেলায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের
সেবা স্টলসহ ৮৩টি স্টল রয়েছে।
আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত চলবে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা
পর্যন্ত চলবে এ মেলা। মেলার উদ্বোধনী
আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল
মুহিত বলেন, প্রধানমন্ত্রী মেলার
উদ্বোধনের সময়ই সব কিছু বলে দিয়েছেন,
আমার আর কিছু বলার নেই। তিনি সকলকে
মেলায় আসার আহ্বান জানান।
সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল
আবেদীনের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহীদুল
ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য
রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের
চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান, সিলেট
বিভাগীয় কমিশনার জামাল উদ্দীন
আহমেদ, সাবেক সিটি মেয়র বদর উদ্দিন
আহমদ কামরান ও জাতিসংঘে
বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি
ড. একেএম আব্দুল মোমেন। মঞ্চে উপস্থিত
ছিলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি কামরুল
আহসান, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার
গোলাম কিবরিয়া ও জেলা আওয়ামী
লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান
চৌধুরী। এর আগে মেলা উপলক্ষে বিকেল
আড়াইটার দিকে জেলা প্রশাসন কার্যালয়
থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।

শনিবার, জানুয়ারি ১৪, ২০১৭

আল্লামা ফুলতলী (র.) ঈসালে সওয়াব সফলের লক্ষে ফেঞ্চুগঞ্জে প্রচার মিছিল ও দোয়া মাহফিল


উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন,  শামসুল উলামা আল্লামা ফুলতলী (র.) এর রবিবারের ঈসালে সওয়াব মাহফিল উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ২ নং মাইজগাও ইউনিয়ন ও পুর্ব - পশ্চিম আঞ্চলিক শাখার উদ্যোগে ফরিদপুর নয়াবাজারে এক প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিল শেষে পথসভায় মাইজগাও ইউনিয়ন সভাপতি হাফিজ মারুফ আহমদের সভাপতিত্বে মাইজগাও ইউনয়ন অর্থ সম্পাদক আবু তায়েফ শিবলু উপস্থাপনায়
বক্তব্য রাখেন মাইজগাও ইউনিয়ন আল ইসলাহ সভাপতি বদরুল ইসলাম বেলাল, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা তালামীযের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক আফতাব উদ্দীন, সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম কুদ্দুছ, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সদস্য সচিব হাবিলুর রহমান জুয়েল, সহ-সভাপতি কামরান আহমদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ইমন, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান,।
অন্যন্যদের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন পশ্চিম ফরিদপুর আঞ্চলিক শাখার সহ-সভাপতি শরিফ আহমদ, পুর্ব ফরিদপুর সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, হাটুভাঙ্গা মাদ্রাসা সাধারণ সম্পাদক হাফিজ জুয়েল, শেফুল, ছুফিয়ান, ফখরুল, রায়হান, সাহেদ,তাজউদ্দিন, জাবেল,।

দক্ষিণ সুরমায় ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয়
স্থায়ী কমিটির সদস্য, জাতীয়
সংসদের প্যানেল স্পীকার মাহমুদ উস
সামাদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান
সরকার গ্রাম বাংলার জনসাধারণের
জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ
ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে খোঁজে
খোঁজে সড়ক নির্মাণ, পাকাকরণ,
ব্রীজ, কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে।
ফলে জনগণ তাদের উৎপাদিত ফসলাদি
উপজেলা সদর ও জেলা সদরের
হাটবাজারে নিয়ে সঠিক দামে বিক্রি
করতে সক্ষম হচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা
উন্নত হওয়ার কারণে জনগণ চলাচল
সহজতরের পাশাপাশি আর্থিকভাবে
লাভবান হচ্ছেন।
মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী শুক্রবার
সকাল থেকে দিনব্যাপী দক্ষিণ সুরমা
উপজেলার দাউদপুর ও কুচাই ইউনিয়নে ৫৪
লাখ টাকা ব্যয়ে ৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের
পৃথক পৃথক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো
বলেন।
তিনি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ইলাইগঞ্জ-
আশুগঞ্জ বাজার সড়ক সংস্কার কাজ
শেষে উদ্বোধন, ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে
পানিগাঁও সড়কের খালের উপর ব্রীজ
নির্মাণ শেষে উদ্বোধন, কুচাই
ইউনিয়নে ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে
লোহাজুরি বিলের রাস্তার রহমতের
জাঙ্গাল খালের উপর ব্রীজ নির্মাণ
শেষে উদ্বোধন।
অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত ছিলেন
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা
সফিক উদ্দিন আহমদ, উপজেলা সহকারী
প্রকৌশলী এম এ হক, মোগলাবাজার
থানার ওসি খায়রুল ফজল, দাউদপুর
ইউপি চেয়ারম্যান এইচ এম খলিল,
সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম আলম,
আওয়ামীলীগ নেতা শাহ ছমির উদ্দিন,
শাহ আলী রেজা, পংকি মিয়া,
দাউদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের
সভাপতি আহমদ হোসেন খোকন, সা.
সম্পাদক আতিকুল হক, কুচাই ইউনিয়ন
আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুর রহমান
আনা, সা. সম্পাদক আক্তার হোসেন,
সেলিম আহমদ মেম্বার, আব্দুল বাছিত
ছুবা মেম্বার, সৈয়দ ফয়জুল ইসলাম
মেম্বার, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম
সাইস্তা, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির
পরিচালক সাইফুদ্দিন আল ফারুক মিঠু,
প্রবীণ মুুরব্বি সফিক মিয়া, হাজী
ইকবাল হোসেন, দক্ষিণ সুরমা
প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ আশরাফুল
ইসলাম ইমরান, শরীফ আহমদ মিঠু
মেম্বার, মিসবাহউর রহমান টুনু মিয়া
মেম্বার, কাবুল আহমদ মেম্বার, নূরুল
ইসলাম, আব্দুল মালিক, জামাল উদ্দিন,
মাহতাবুর রহমান, প্রবাসী ফজলুর
রহমান প্রমুখ।

প্রস্তুতি সম্পন্ন ||আল্লামা ফুলতলী (র.) এর ঈসালে সাওয়াব মাহফিল রবিবার

উপমহাদেশের প্রখ্যাত
বুযুর্গ, ওলীয়ে কামিল শামসুল উলামা হযরত
আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)-এর
৯ম ইন্তেকাল বার্ষিকী উপলক্ষে
আগামীকাল (১৫ জানুয়ারি) রবিবার
জকিগঞ্জে ফুলতলী ছাহেববাড়ি সংলগ্ন
বালাই হাওরে অনুষ্ঠিত হবে বিশাল ঈসালে
সওয়াব মাহফিল। মাহফিলের সকল প্রস্তুতি
ইতোমধ্যে প্রায় শেষ হয়েছে।
বালাই হাওরে তৈরি হয়েছে বিশাল
প্যান্ডেল ও সুদৃশ্য মঞ্চ। গাড়ী পার্কিং-এর
জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে নির্ধারিত মাঠ।
আগত মেহমানদের খাবারের জন্য
প্রতিবারের মতো করা হয়েছে বিশাল
আয়োজন। মাহফিলের প্রয়োজনীয় দিক-
নির্দেশনা সম্বলিত লিফলেট ইতোপূর্বে
সিলেট বিভাগের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিতরণ
করা হয়েছে।
রতনগঞ্জ বাজারে ছাহেববাড়ির প্রবেশ
পথে টানানো হয়েছে মাহফিলের
মানচিত্র। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত
থাকবে পুলিশ বাহিনী। পাশাপাশি
সার্বিক শৃঙ্খলার জন্য প্রস্তুত হয়েছে প্রায়
হাজারো স্বেচ্ছাসেবক। মাহফিল উপলক্ষে
ইতোমধ্যে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছেন
মক্কা মুকাররামার মসজিদুল খায়র-এর খতীব
সায়্যিদ আল হাবীব মুহাম্মদ আবদুল্লাহ
আল-আইদারুস।
শনিবার (১৪ জানুয়ারি) এসে পৌঁছবেন
ভারতের উত্তর প্রদেশের প্রখ্যাত বুযুর্গ,
খতীবে আ’যম আল্লামা ওজীহ উদ্দীন খান
রামপুরী (র.)-এর সুযোগ্য উত্তরসূরি, উর্দু
পত্রিকা ‘দ্বিয়ায়ে ওজীহ’র সম্পাদক ড.
শাহআইরুল্লাহ খান রামপুরী, রামপুর নবাবী
মসজিদের নায়েবে ইমাম ও খতীব,
মাদরাসায়ে জামিউল উলূম ফুরকানিয়ার
উস্তায হযরত মাওলানা ই’তিসামুল্লাহ খান
রামপুরী ও মাওলানা মাকারিমুল্লাহ খান
রামপুরী। এছাড়া অন্যান্য অতিথিবৃন্দ কাল
এসে পৌঁছবেন।
সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে আল্লামা ফুলতলী
ছাহেব কিবলাহ (র.)-এর মাযার যিয়ারতের
মাধ্যমে শুরু হবে দিনের কার্যক্রম। এরপর
খতমে কুরআন ও দুআর মাধ্যমে শুরু হবে মূল
অনুষ্ঠান। এতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে
রয়েছে খতমে বুখারী, খতমে খাজেগান,
দালাইলুল খায়রাত শরীফের খতম, যিকর
মাহফিল, বিষয়ভিত্তিক বয়ান ও
স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা।
মাহফিলে তা’লীম-তরবিয়ত প্রদান করবেন
আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)-এর
সুযোগ্য উত্তরসূরী উস্তাযুল উলামা ওয়াল
মুহাদ্দিসীন, মুরশিদে বরহক হযরত আল্লামা
ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী বড় ছাহেব কিবলাহ
ফুলতলী।
প্রতি বছরের মতো এবারও মাহফিলে
সমবেত হবেন লাখো মানুষ। মাহফিলের
দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত পীর-মাশায়িখ,
আলিম-উলামা, ইসলামী শিক্ষাবিদ,
চিন্তাবিদ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য
রাখবেন।

শুক্রবার, জানুয়ারি ১৩, ২০১৭

ফেঞ্চুগঞ্জে সৈয়দ মুজিবুর রহমান কয়েস স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে সৈয়দ মুজিবুর
রহমান কয়েস স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের
ফাইনাল খেলায় মামু-ভাগনা
স্পোর্টিং ক্লাব টাইব্রেকারে ৩-২
গোলে আর.পি বয়েজ রাজনপুরকে
পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব
অর্জন করেছে।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) ফেঞ্চুগঞ্জের
কাসিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে
ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
শতশত ক্রীড়ামোদী দর্শকদের
উপস্থিতিতে খেলার শুরু থেকে শেষ
পর্যন্ত উভয় দলের খেলোয়াড় আক্রমন
পাল্টা আক্রমণের মধ্যে দিয়ে খেলতে
থাকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে
খেলায় কোনও দল গোল করতে না-
পারায় খেলা টাইব্রেকারে গড়ায়।
টাইব্রেকারে মামু-ভাগনা স্পোর্টিং
ক্লাব ৩-২ গোলে আর.পি বয়েজকে
পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব
অর্জন করে।
খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী সভা
অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব রাজনপুর
ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি, বিশিষ্ট
ক্রীড়া সংগঠক এনায়েত হোসেন রুহেল।
আহসানুল করিম জেমন ও বিলাল আহমদ
শাহের যৌথ পরিচালনায় সভায় প্রধান
অতিথি হিসেবে খেলোয়াড়দের মধ্যে
পুরস্কার বিতরণ করেন বিশিষ্ট যুব
সংগঠক, ফেঞ্চুগঞ্জ যুব-সংঘের সভাপতি
রাজু আহমদ রাজা।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন- সমাজসেবী আবুল
হোসেন শাহ, সাংবাদিক শাহ মুজিবুর
রহমান জকন, ক্রীড়া সংগঠক
ওহিদুজ্জামান চৌধূরী ছুফি,
সাংবাদিক জুয়েল খান, উপজেলা
ছাত্রদলের আহবায়ক এম.জে আহমেদ
জাবেদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক
আহবায়ক মাসার আহমদ শাহ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- ব্যবসায়ী আব্দুল
হাই খসরু, নজমুল খান, সৈয়দ শামসুল
আলম বাচ্চু ও উপজেলা ছাত্রলীগের
সভাপতি মো. জুনেদ আহমদ।
সহস্রাধিক ক্রীড়ামোদী দর্শক
ফাইনাল খেলাটি উপভোগ করেন।
খেলা চলাকালীন সময়ে ধারাবর্ণনা
দেন জাকারিয়া আহমদ খান ও রাসেদ
আহমদ।
রাজনপুর ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে
সৈয়দ মুজিবুর রহমান কয়েস স্মৃতি ফুটবল
টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেণ্টে
মোট ৩২টি দল অংশগ্রহণ করে।

জাতীয় ফুটবল দলে কে হচ্ছেন নতুন কোচ

কে হচ্ছেন জাতীয় দলের কোচ?
ম্যানেজার পদেও হতে পারে রদবদল
আপনারা কাকে চাচ্ছেন?
জাতীয় ফুটবল দলে কে হচ্ছেন নতুন কোচ

চলতি বছরে আন্তর্জাতিক শিডিউলে তেমন
ব্যস্ততা নেই। মার্চে হবে বঙ্গবন্ধু
আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ। ডিসেম্বরে সাফ
চ্যাম্পিয়নশিপ। এ ছাড়া বাফুফের টার্গেট
রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রীতি ম্যাচ খেলার।
বাফুফের সব সময় পছন্দ বিদেশি কোচের।
আপাতত সেই চিন্তা করছে না। লোকালদের
হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে চাচ্ছে।
নির্দিষ্ট করে কাউকে ঠিক না করলেও
শোনা যাচ্ছে মারুফুল হক, সাইফুল বারী
টিটু ও কামাল বাবুর নাম।
টিটু অবশ্য ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় শেখ
কামাল আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে
চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ হচ্ছেন।
বাস্তবতার কারণে তার পক্ষে জাতীয়
দলের দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব নয়। বাকি
থাকল মারুফ ও কামাল বাবু। মারুফের
প্রশিক্ষণে গেল সাফ চ্যাম্পিয়ন ও বঙ্গবন্ধু
গোল্ডকাপে জাতীয় দল চরম ব্যর্থতার
পরিচয় দিয়েছে। তা ছাড়া ঘরোয়া আসরেও
তিনি ছিলেন ফ্লপ। শক্তিশালী দল গড়ার
পরও শেখ রাসেলের পারফরম্যান্স ছিল
হতাশাজনক। তাই পেশাদার লিগে প্রথম
পর্বের শেষের দিকে মারুফকে সরিয়ে
দেওয়া হয়। প্রশ্ন উঠেছে, ব্যর্থ হওয়ার পরও
মারুফের নাম আলোচনায় আসবে কেন?
ক্যারিয়ারে বড় কোনো দলের কোচের
দায়িত্ব পালন করেননি কামাল বাবু। তবে
প্রতিবারই ঘরোয়া আসরে আলোচিত হচ্ছেন
তিনি। এবার তো রীতিমতো আলোড়ন
তুলেছেন। অচেনা-অজানা খেলোয়াড় নিয়ে
রহমতগঞ্জ লিগের প্রথম পর্বে অসাধারণ
পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে। মনে হচ্ছিল
চ্যাম্পিয়ন ফাইট দেবে। দ্বিতীয় পর্বে
অবশ্য সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে
পারেনি। গোল পার্থক্যে তারা শেষ
পর্যন্ত সপ্তম স্থান দখল করে। এ নিয়ে অবশ্য
নানা গুঞ্জন রয়েছে। ঘরোয়া আসরে
কামাল বাবু নিঃসন্দেহে সার্থক কোচ।
তবে জাতীয় দলের চাপটা নিতে পারবেন
কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বড় দল
ছাড়া দেশের ফুটবল ইহিতাসে এ পর্যন্ত
জাতীয় দলের কোচ হতে পারেননি কেউ।
কামাল বাবু এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটাতে
পারেন কিনা দেখার বিষয়। আর জাতীয়
দলের এমন বিপর্যয়ে বাফুফে চাইলেও মারুফ
সাড়া দেবেন কি? তাহলে কে হচ্ছেন
জাতীয় দলের কোচ। আগামী সপ্তাহে
বাফুফের নির্বাহী কমিটির বৈঠক রয়েছে।
সেখানেই নাকি বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।
কোচের নাম কেউ স্পষ্ট করে জানাচ্ছেন
না।
বাফুফে চাচ্ছে লোকাল কোচ। যদি না
পাওয়া যায়? এ ক্ষেত্রে ঘুরেফিরে আসছে
নেদারল্যান্ডসের লোডডিক ডি ক্রুইফের
নাম। তিনি আপৎকালীন কোচের দায়িত্ব
পেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
কোচের পাশাপাশি ম্যানেজার নিয়ে
চলছে গুঞ্জন। সত্যজিত দাস রুপু এতদিন
দায়িত্বে থাকলেও শোনা যাচ্ছে আমিরুল
ইসলাম বাবুর নাম। জানা গেছে, বাফুফে
সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন চাচ্ছেন
ম্যানেজার পদে পরিবর্তন আনতে।
দেশের ফুটবলের অভিভাবক হিসেবে
জাতীয় দলকে আপাতত আপনারা কাদের
হাতে তুলে দিতে চাচ্ছেন??? আর আমাদের
কি কি অংশে পরিবর্তন আনা দরকার, কোন
কোন জায়গায় গুরুত্ব দিয়ে কাজ করলে
আউটপুট বেশি পাবো

তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু

ফেঞ্চুগঞ্জ পতিদিন ডেস্ক:
আমবয়ানের মাধ্যমে তুরাগ নদীর তীরে
টঙ্গীতে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার
প্রথম পর্ব। দেশ-বিদেশ থেকে হাজারো
মুসল্লি এই ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) ফজরের
নামাজের পর হজ্জের
পর বিশ্ব মুসলিমের
বৃহৎ জমায়েত শুরু হয়। এছাড়া আজ শুক্রবার
ইজতেমা ময়দানে জুমার নামাজ হবে।
নামাজের আগে হেদায়েতি বয়ান করা
হবে।
আগামী রোববার জোহরের নামাজের
আগে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে
শেষ হবে প্রথম পর্ব। চার দিন পর ২০
জানুয়ারি থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব।
২২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য
দিয়ে ওই পর্ব শেষ হবে।
ইজতেমা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল
হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া
বাণী দিয়েছেন।
ইজতেমা এলাকায় পাঁচ স্তরের
নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এবারই প্রথম ইজতেমার চারদিক এবং
বাইরে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা
হয়েছে।
তুরাগ তীরে ১৬০ একর জায়গাজুড়ে চট ও
নাইলনের কাপড় দিয়ে সুবিশাল
প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। বিদেশি
মেহমানদের জন্য ময়দানের উত্তর-পশ্চিম
কোণে টিনের ছাউনি দিয়ে বিশেষ
পদ্ধতিতে থাকা-খাওয়াসহ সব ধরনের
ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশ
থেকে আসা মুসল্লিরা ইতিমধ্যে
ময়দানের বিদেশি নিবাসে অবস্থান
নিতে শুরু করেছেন। তবে কতজন বিদেশি
মুসল্লি মেহমানখানায় এসে পৌঁছেছেন
সেই পরিসংখ্যান গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত
কেউ বলতে পারেননি।
ইজতেমাস্থলে যাতায়াতের সুবিধার্থে
সড়ক ও জনপথের রাস্তাগুলো সংস্কার
এবং ফুট ওভারব্রিজগুলো চলাচলের
উপযোগী করা হয়েছে। মুসল্লিদের
যাতায়াতের জন্য সেনাবাহিনীর
ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সদস্যরা তুরাগ
নদের ওপর সাতটি ভাসমান পন্টুন সেতু
নির্মাণ করেছেন।
মুসল্লিদের ওজু, গোসল ও খাবারের জন্য
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও টঙ্গী
পৌরসভার উদ্যোগে প্রতি ঘণ্টায় প্রায়
তিন কোটি ৫৫ লাখ গ্যালন সুপেয় পানি
সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
টঙ্গী ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের
মেডিক্যাল অফিসার ডা. পারভেজ
জানান, মুসল্লিদের চিকিৎসাসেবা
প্রদানে প্রথম পর্বে ব্যাপক প্রস্তুতি
হাতে নেওয়া হয়েছে। ৫০ শয্যাবিশিষ্ট
সরকারি হাসপাতালটিকে ইজতেমার
জন্য অস্থায়ীভাবে ১০০ শয্যায় উন্নীত
করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা নিয়ন্ত্রণ
কক্ষ, হৃদরোগ ইউনিট, বক্ষব্যাধি/অ্যাজমা
ইউনিট, ট্রমা (অর্থোপেডিক) ইউনিট,
বার্ন ইউনিট, স্যানিটেশন টিম এবং ১৪টি
অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া চক্ষু, মেডিসিন, সার্জারিসহ
বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
পালাক্রমে চিকিৎসাসেবা দেবেন।
মুসল্লিরা ইতিমধ্যে ময়দানে স্ব-স্ব
খিত্তায় এসে অবস্থান নিচ্ছেন। দেশের
৬৪টি জেলার মধ্যে ৩২টির মুসল্লিরা এ
বছর দুই দফায় ইজতেমায় অংশ নেবেন।
প্রথম পর্বে ১৬ জেলা এবং দ্বিতীয় পর্বে
বাকি ১৬ জেলার মুসল্লিরা ইজতেমায়
অংশগ্রহণ করবেন।

টেস্টে অন্য বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক:
সাম্প্রতিককালে একদিনের ক্রিকেটে
বাংলাদেশের সাফল্য ছিলো ইর্ষনীয়।
বিপরীতে টেস্টে তেমন উল্লেখযোগ্য
সাফল্য নেই। এঅবস্থায় ওয়ানডেতে
টাইগাররা সকল প্রতিপক্ষের সমীহ আদায়
করে নিলেও টেস্ট পারফরম্যান্সের জন্য
প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়তে হতো।
অথচ এবারের নিউজিল্যান্ড সফরে দেখা
গেলো ভিন্ন চিত্র। ওয়ানডেতে
স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই
পারলো না বাংলাদেশ। টি২০তেও একই
চিত্র। অথচ টেস্টের শুরুতেই দেখা
মিললো বদলে যাওয়া বাংলাদেশের।
আসল টাইগারদের।
ওয়েলিংটনকে রেকর্ড বন্যায় ভাসালো
বাংলাদেশে। সাকিব আল হাসানের
ডাবল সেঞ্চুরি ও মুশফিকুর রহিমের দেড়শ
ছাড়ানো ইনিংসের সুবাদে টেস্টের
দ্বিতীয় দিনেই চালকের আসনে
টাইগাররা। দিনশেষে প্রথম ইনিংসে
বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৫৪২
রান। তবে তিন ওভার বাকি থাকতে
দিনের খেলা শেষ হওয়ার শেষ বলে আউট
হয়ে যান মিরাজ।
এদিন তৃতীয় বাংলাদেশী হিসেবে
টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেন সাকিব।
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এটি
সাকিবের টানা দ্বিতীয় শতক। ২০১০
সালে হ্যামিল্টনে সেঞ্চুরি করেন এই
অলরাউন্ডার। ২৭৬ বল মোকাবেলা করে
৩১ চারের সাহায্যে ২১৭ রান করেন
বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। এর আগে ২০১১
সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৪৪ রানই
এত দিন সাকিবের সর্বোচ্চ রানের
রেকর্ড ছিল।
প্রথম দিনের ৫ রান নিয়ে খেলতে নামা
সাকিব আজ যোগ করেন আরো ১৯৫ রান।
১২৫তম ওভারে কলিন গ্র্যান্ডহোমের বলে
পয়েন্ট দিয়ে চার মেরে ডাবল সেঞ্চুরি
পূর্ণ করেন সাকিব।
তৃতীয় বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান
হিসেবে টেস্টে দারুণ এই রেকর্ড গড়লেন
সাকিব। এর আগে শ্রীলঙ্কার গলে প্রথম
বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে
টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর
রহিম। ২০০ রান করেন বাংলাদেশ
অধিনায়ক। এর পর ২০১৫ সালে
পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রান করেন
তামিম ইকবাল।
ডাবল সেঞ্চুরির দিন তৃতীয় বাংলাদেশী
ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে তিন হাজার
রানের মাইলফলকও ছুঁলেন বিশ্বসেরা এই
অলরাউন্ডার। ব্যাট হাতে তিন হাজার
রান ও বল হাতে ১৫০ উইকেট নেওয়া ১৪তম
অলরাউন্ডার তিনি।
এদিন তামিম-ইমরুলের ৩শ’ ১২ রানের
রেকর্ড ভেঙে ৩৫৯ রানের সেরা
পার্টনারশিপের রেকর্ড গড়েন সাকিব-
মুশফিক জুটি। আর পঞ্চম জুটিতে বিশ্বে
চতুর্থ সেরা জুটি এটি। তবে ব্যক্তিগত ১শ
৫৯ রানে আউট হন অধিনায়ক মুশফিকুর
রহিম।
নিউজিল্যান্ডের মাঠে এটি সফরকারী
দলগুলোর যেকোনো উইকেট জুটিতে নতুন
রেকর্ড। তারা ভাঙেন ৪৪ বছর পুরোনো
জুটির রেকর্ড। ১৯৭৩ সালে ডানেডিন
টেস্টে চতুর্থ উইকেটে ৩৫০ রান যোগ
করেছিলেন পাকিস্তানের আসিফ ইকবাল
ও মুশতাক মোহাম্মদ। সেটিই ছিল
নিউজিল্যান্ডে বিদেশী দলগুলোর
সর্বোচ্চ জুটি। সাকিব-মুশফিকের এই
জুটির ওপরে যেকোনো দল মিলিয়েই
আছে মাত্র দুটি জুটি।
১৯৯১ সালে এই ওয়েলিংটনে তৃতীয়
উইকেটে ৪৬৭ যোগ করেছিল ক্রো-
জোন্সের জুটি। সেটি এখনো
নিউজিল্যান্ডে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড
হয়ে আছে।
সব দেশ মিলিয়ে প্রতিপক্ষে মাটিতে
পঞ্চম উইকেটে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ
জুটির রেকর্ড। ১৯৯৭ সালে দক্ষিণ
আফ্রিকা সফরে জোহানেসবার্গ টেস্টে
স্টিভ ওয়াহ আর গ্রেগ বিলওয়েট পঞ্চম
উইকেটে ৩৮৫ রান এনে দিয়েছিলেন
অস্ট্রেলিয়াকে। এরপর প্রতিপক্ষের
মাঠে সাকিব-মুশির জুটিটাই পঞ্চম
উইকেটের রেকর্ড।
যেকোনো উইকেটে প্রতিপক্ষের মাঠে
সবচেয়ে বেশি রান তোলায় টেস্ট
ইতিহাসে সাকিব-মুশির এই জুটি থাকল ১৪
নম্বরে। যে তালিকায় সবার ওপরে আছে
১৯৩৪ সালে ওভালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে
বর্যান্ডম্যান-পন্সফোর্ডের ৪৫১ রানের
জুটিটি।
৫৪২ রান এখনো পর্যন্ত বিদেশে মাটিতে
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয়
স্কোর। ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে
গলে ৬৩৮ রান করেছিল বাংলাদেশ। আর
সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ দলীয় স্কোরের
তালিকায় এটি আছে এখন চার নম্বরে।
৬৩৮ ছাড়া ঢকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের
বিপক্ষে ৫৫৬ ও খুলনায় পাকিস্তানের
বিপক্ষে ৬ উইকেটে ৫৫৫ রান করেছিল
টাইগাররা।
প্রথমদিন শেষে বাংলাদেশের ঝুলিতে
জমা পড়েছিল ১৫৪ রান, তিন উইকেট
হারিয়ে।
প্রথমদিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও
সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন মুমিনুল ও
সাকিব আল হাসান। তারা ভালো
ভাবে এগিয়েও নিচ্ছিলেন দলকে। কিন্তু
৪৪তম ওভারের তৃতীয় বলে মুমিনুল আউট
হয়ে গেলেন টিম সাউদির দুর্দান্ত এক
বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে।
মুমিনুল ৬৪ রান করে সাজঘরে ফিরে
গেলে দিনের শুরুতেই বাংলাদেশের
ইনিংসে একটি ধাক্কা লাগে। অধিনায়ক
মুশফিকুর রহিম ও সাকিবের ওপর দায়িত্ব
পড়ে সে ধাক্কা সামলানোর। শুরুর এই
ধাক্কা সামলে ভালোভাবেই এগিয়ে
যায় বাংলাদেশ।
এর আগে প্রথম দিনে তামিম অর্ধশতক
করেন। তিনি খেলেন ৫০ বলে ৫৬ রানের
দারুণ একটি ইনিংস। অবশ্য খুব একটা
সুবিধা করতে পারেননি ইমরুল (১) ও
মাহমুদউল্লাহ (২৬)।

এখন থেকে রাস্তা বন্ধ করে কোথাও সমাবেশ করা যাবে না -ওবায়দুল কাদের

ফেঞ্চুগঞ্জ পতিদিন
নিউজ ডেস্ক:
এখন থেকে রাস্তা বন্ধ করে
কোথাও সমাবেশ করা হবে না বলে
জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী
লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল
কাদের। কর্মদিবসে রাজনৈতিক
কর্মসূচি না দিতে ঢাকা দক্ষিণ
সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ
খোকনের আহ্বানও বিবেচনায়
আছে তার। জানান, কেবল ছুটির
দিন মিছিল করার বিষয়টি নিয়ে
চিন্তাভাবনা করছেন তারা।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর
রাসেল স্কয়ারে আওয়ামী লীগের
পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণের
সময় এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের তিন
বছর পূর্তি উপলক্ষে এই আয়োজন
করে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী
লীগ।
নিত্য যানজটের শহর রাজধানীতে
বড় দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি
থাকলে ভোগান্তি চরমে উঠে।
মিছিল বা সমাবেশ হলে সড়ক বন্ধ
থাকলে যানজট কোনো একটি
এলাকার বদলে ছড়িয়ে যায় পুরো
শহরজুড়ে।
চলতি মাসেই ৪ জানুয়ারি
ছাত্রলীগের শোভাযাত্রা, পরদিন
রাজধানীর রাসেল স্কয়ার এবং
বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এবং ১০ জানুয়ারি
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী
লীগের সমাবেশের দিন চরম
ভোগান্তিতে পড়ে শহরবাসী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ
নিয়ে সরকারি দলের তীব্র
সমালোচনাও হয়।
গত ৯ জানুয়ারি রাজধানীর
পান্থকুঞ্জে পাবলিক টয়লেট
উদ্বোধনের সময় ঢাকা দক্ষিণ
সিটি করপোরেশনের মেয়র বড়
রাজনৈতিক দলগুলোকে ছুটির দিন
কর্মসূচি দেয়ার আহ্বান জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, যানজটের
কথা মাথায় রেখে সরকার বেশ
কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি
বলেন, ‘মাঝখানে একটু সমস্যা
হয়েছে, যে কারণে প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধু কন্যা সুস্পষ্ট নির্দেশনা
যে রাস্তায় কোনো প্রোগ্রাম করা
যাবে না। এ ব্যাপারে আমি
সাংবাদিকদের মাধ্যমে আমি
সারা বাংলাদেশের সকলকে
প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা,
দেশনেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ
থেকে এই নির্দেশনা দিচ্ছি যে,
রাস্তা বন্ধ করে কোনো সভা,
সমাবেশ বা কোনো কর্মসূচি
বাংলাদেশের কোথাও করা যাবে
না।’
ওবায়দুল কাদের যখন এই কথা
বলছিলেন, তখন তার শীতবস্ত্র
বিতরণকে ঘিরে জটলা মূল সড়কের
কাছাকাছি পৌঁছে যায়। এ বিষয়টি
নিয়েও কথা বলেন আওয়ামী লীগ
নেতা। বলেন, ‘আমি তাদেরকে
বলেছিলাম এই বস্ত্র বিতরণ আরও
ভিতরে করতে। এটা নেত্রীর
নির্দেশ। কিন্তু তারা এমনভাবে
করেছে, যে এটা রাস্তার
কাছাকাছি চলে এসেছে। তারপরও
আমি পুলিশের লোকজনকে বলবো,
অনুষ্ঠানের যখন ব্যবস্থা হয়ে গেছে
আপনারা এমন ব্যবস্তা করুন যেন
কোনোভাবে রাস্তা বন্ধ না হয়।
রাস্তায় গাড়ি চলাচল অব্যাহত
থাকবে এবং শীতবস্ত্র বিতরণ
অব্যাহত থাকবে।’
কর্মদিবসে সমাবেশ না করতে
মেয়র খোকনের অনুরোধ সরকারের
বিবেচনায় আছে বলেও জানান
ওবায়দুল কাদের। বলেন, ‘আমরা
চিন্তা ভাবনা করছি ছুটির দিনে
এই র্যালি করা যায় কি না।’
সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের তৃতীয়
বর্ষপূর্তিতে জাতির উদ্দেশ্যে
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে দেশবাসীর
পাশাপাশি বিএনপির সাধারণ
সমর্থকরাও খুশি হয়েছেন বলে মনে
করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি
বলেন, ‘শুধুমাত্র বিএনপির নেতারা,
যারা কর্মসুচি দিয়ে ঘরে বসে
হিন্দি সিরিয়াল দেখেন, সেই
নেতারা হতাশ।’ তিনি বলেন,
‘সংকটে আছে বিএনপি, দেশ
সংকটে নেই।’
রাজনৈতিক বিষয়ে সব সিদ্ধান্ত
সংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই
হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের
বলেন, ‘সমঝোতা সব কিছুই হবে
সংবিধান অনুযায়ী। আমরা
সংবিধানের বাইরে যাবো না।
পরবর্তী নির্বাচন আমরা
সংবিধানের বাইরে যাবো না। উই
ক্যান নট গো বিলং
কনশটিটিউশন।’

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১২, ২০১৭

সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে ৭৫ দিন

সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে ৭৫ দিন
ছুটি
অনুমোদন করেছে সরকার। সেই
সাথে বিদ্যালয়ের বার্ষিক
কর্মঘণ্টা ও পরীক্ষাসূচি অনুমোদন
দিয়ে আদেশ জারি করেছে
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বুধবার এই আদেশ জারি হয়।
আদেশে বিদ্যালয়গুলোতে
‘যথাযোগ্য মর্যাদায়’ জাতীয়
দিবসগুলো পালনের নির্দেশনাও
দেওয়া হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক
বিদ্যালয়গুলোতে কার্যক্রম চলবে
সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে
৪টা পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার স্কুল
খোলা থাকবে বেলা আড়াইটা
পর্যন্ত।
এছাড়া যেসব স্কুলে দুটি শিফট
চালু আছে, সেসব বিদ্যালয়ের প্রথম
ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে বছরে অন্তত
৬০০ ঘণ্টা কাজ চলবে। আর এক
শিফটের স্কুলে হবে ৯২১ ঘণ্টা।
তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে দুই
শিফটের স্কুলে ৭৯১ ঘণ্টা এবং এক
শিফটের স্কুলে ১ হাজার ২৩১ ঘণ্টা
ক্লাস চলবে।

বুধবার, জানুয়ারি ১১, ২০১৭

ফুলতলী (র.) ছিলেন তরুণদের পথ প্রদর্শকঃ

আবু তায়েফ শিবলু:
উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন,
যুগের শ্রেষ্ঠ ওলিয়ে কামিল শামসুল
উলামা আল্লামা ছাহেব কিবলাহ
ফুলতলী (র.) ছিলেন দ্বীনের একজন
খাদিম। যিতদিন পৃথিবীতে ছিলেন
ততদিন তিনি দ্বীনের খেদমতে
নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।
তার ছেলেবেলা থেকে শুরু করে শেষ
বয়সে এসেও দ্বীনের খেদমতে তিনি
অক্লান্ত পরিশ্রম করে গিয়েছিলেন।
সেই ধারাবাহিকতায় আজোও তার
উত্তরসুরিরা বাংলার জমিনে
ইসলামের প্রচার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ
ভুমিকা পালন করে আসছেন।
ফুলতলী (র.) বিশেষকরে তরুণদের নিয়ে
ভাবতেন। তিনি তরুণদের সঠিক
ইসলামী শিক্ষা ও শুদ্ধ কোরআন
চর্চার জন্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন
দারুল কিরাত মাজিদিয়া ফুলতলী
ট্রাস্ট। এর ফলে প্রতি বছর রমজান
মাসে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সহ সকল
প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা ধর্মীয়
শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে ।
এছাড়াও তিনি এগুলোর পাশাপাশি
তরুণ ছাত্রদের ইসলামের সঠিক পথ ও
মত অনুস্বরন করে ছাত্রজীবনকে
সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার লক্ষে
১৯৮০ সালের ১৮ ই ফেব্রুয়ারি
প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ
আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া
নামে একটি ছাত্র সংগঠন। এই
সংগঠনটি ছাত্রদের বিশ্বনবী হযরত
মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ অনুস্বরন
করতে সাহায্য করে। যার ফলে
ছাত্ররা ইসলামের সঠিক পথ ও মত
খুজে পায়।
আল্লামা ফুলতলী (র.) এর এই অবদানের
ফলে সমস্ত বাংলাদেশ সহ বিশ্বের
বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী প্রবাসী
ছাত্ররা বিভিন্ন ইসলামী
কমিউনিটির মাধ্যমে দিন দিন
ইসলামী খেদমতের প্রসার বৃদ্ধি
করছে। পাশাপাশি বাংলাদেশী
বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি,
মাদরাসা সহ বিভিন্ন শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা তাদের
কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে
বিভিন্ন সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও
আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ইসলামী
কমিউনিটিকে দৃড়তার সাথে তুলে
ধরছেন। এগুলো আল্লামা ফুলতলী (র.)
অবদানের ফলেই সম্বব হচ্ছে।
আল্লামা ফুলতলী (র.) তরুণ ছাত্রদের
মেধাবিকাশে ব্যাপক ভুমিকা পালন
করেছেন। যার ফলে আমরা দেখতে
পাই বিভিন্ন অঞ্চলে তরুণ ছাত্ররা
বিভিন্ন যুব সংঘ সৃষ্টি করে ইসলামী
কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
ফুলতলী ছাহেব কিবলার অনেক
গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সূদুরপ্রসারী অবদান
রয়েছে। এজন্য তাকে তরুণদের পথ
প্রদর্শক বলা হয়।
লেখক, তালামীয নেতা।

সিলেটে ইউনিয়ন পরিষদে ৪৮ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি


সিলেট জেলা প্রশাসনের অধীন
ইউনিয়ন পরিষদগুলোয় নিয়োগ
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-২
অধিশাখার স্মারক নম্বর অনুযায়ী
‘হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার
অপারেটর’ পদে ৪৮ জনকে এই
নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীদের
বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিক এবং
সিলেট জেলার স্থায়ী বাসিন্দা
হতে হবে।
যোগ্যতা
যেকোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে
বাণিজ্য বিষয়ে উচ্চ মাধ্যমিক
পরীক্ষায় কমপক্ষে দ্বিতীয়
বিভাগে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা
আবেদন করতে পারবেন।
প্রার্থীদের কম্পিউটার
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হতে হবে।
পাশাপাশি কম্পিউটারে টাইপের
ক্ষেত্রে বাংলা ও ইংরেজিতে
প্রতি মিনিটে ন্যূনতম ২০টি শব্দ
টাইপ করার মতো গতি থাকতে
হবে।
বয়স
২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুযায়ী
সাধারণ প্রার্থীদের বয়স হতে হবে
১৮ থেকে ৩০ বছর। এ ছাড়া
মুক্তিযোদ্ধা কোটাধারীদের
ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর
পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।
বেতন
জাতীয় বেতন ক্রম-২০১৫ অনুযায়ী
নিয়োগ প্রাপ্তদের বেতন হবে
প্রতি মাসে নয় হাজার ৩০০ থেকে
২২ হাজার ৪৯০ টাকা পর্যন্ত।
আবেদন প্রক্রিয়া
সরকার নির্ধারিত ফরমে আবেদন
করতে হবে। নির্ধারিত ফরমটি
পাওয়া যাবে সিলেট জেলার
ওয়েবসাইট (www.sylhet.gov.bd)।
যেকোনো তফসিলি ব্যাংক থেকে
‘জেলা প্রশাসক, সিলেট’-এর
অনুকূলে ৫০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট
বা পে-অর্ডার করে তা
আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে
হবে। এ ছাড়া আবেদন করার
ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত
নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
প্রার্থীদের আগামী ১৫
ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ পর্যন্ত অফিস
চলাকালীন ডাকযোগে অথবা
সরাসরি সিলেট জেলা প্রশাসকের
কার্যালয়ের ই-সেবা কেন্দ্রে
আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।
বিস্তারিত দেখুন দৈনিক যুগান্তর
পত্রিকায় ৫ জানুয়ারি, ২০১৭
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে :

স্বপ্নের চারলেন সড়কের কাজ শুরু এ বছরেই : পর্যটন ও অর্থনীতি দু’টোই বদলে যাবে সিলেটের

স্বপ্নের চারলেন সড়কের কাজ
শুরু এ সিলেটবাসীর
স্বপ্নের চারলেন সড়ক নির্মাণ
কাজ শুরু হচ্ছে এ বছরেই। চীন
সরকারের অর্থায়নে হচ্ছে সিলেট-
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চারলেন
প্রকল্পের কাজ। নির্মাণ
প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গত বছরের
অক্টোবরে ‘ফ্রেমওয়ার্ক’ চুক্তি
স্বাক্ষর করেছে সরকারের সড়ক
পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
বিভিন্ন সময়ে অনিশ্চয়তার মধ্য
থাকা ঢাকা-সিলেট চারলেন
নিয়ে গত বছর (৪ ডিসেম্বর) জাতীয়
সংসদে সিলেট-২ আসনের সংসদ
সদস্য ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া
জানতে চান, সিলেট-ঢাকা সড়ক
চারলেন কবে নাগাদ কাজ শুরু
হবে? জবাবে মন্ত্রী ওবায়দুল
কাদের বলেন, সংবাদপত্রে কি
লিখলো না লিখলো এটা দেখার
বিষয় নয়। আগামী জুন মাসে কাজ
শুরু হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন।
এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে তিন
ঘণ্টারও কম সময়ে ঢাকা থেকে
সিলেটে যাতায়াত করা যাবে।
চার লেনের পাশাপাশি দুটি
আলাদা সার্ভিস লেন থাকবে,
যেখানে ধীরে চলা গাড়ি চলাচল
করবে।
জানা যায়, এ প্রকল্পে সম্ভাব্য ব্যয়
ধরা হয়েছে প্রায় ১৭ হাজার কোটি
টাকা। চীন দ্রুতগতিতে কাজটি
করবে। ২০১৮ সালের শেষ দিকে
অথবা ২০১৯ সালের শুরুর দিকে
সড়কটি চালু হবে বলে আশা করা
যায়।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের
অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী
মাহবুব আলম জানান, সম্ভাব্যতা
যাচাই এবং নকশা তৈরি শেষ
হয়েছে অনেক আগেই।চীনা
কোম্পানির সাথে চুক্তি সাক্ষর
হয়ে যাওয়ায় কাজ শুরু হওয়া শুধু
সময়ের ব্যাপার মাত্র।
সওজের ঢাকা-সিলেট চার লেন
প্রকল্প সূত্র জানায়, ঢাকার কাঁচপুর
থেকে সিলেট পর্যন্ত ২২০
কিলোমিটার সড়ক দুই লেন থেকে
চারলেনে উন্নীত করা হবে। এই
চারলেনের দুইপাশে আলাদা
সার্ভিস লেন থাকবে। যেখানে
‘স্লোমুভিং’ যানবাহন চলাচল
করবে। চার লেনের সম্ভাব্য ব্যয়
ধরা হয়েছে প্রায় ১৬ হাজার কোটি
টাকা। চীন এ অর্থ ঋণ হিসেবে
দিচ্ছে বাংলাদেশকে।
২২০ কিলোমিটার এই সড়কে চার
লেন প্রকল্পের মধ্যে ছোট
আকারের ৬০টি সেতু, চারটি
ফ্লাইওভার ও ২৭টি বক্স কালভার্ট
নির্মাণ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি
অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মধ্যে ঢাকা-
সিলেট চারলেন করতে হবে। সে
কারণে এডিবির পরিবর্তে এ
মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার
কাজ করবে চীন। চীন ২০১৮ সালের
চারলেন করে দিতে পারবে বলে
জানিয়েছে।
প্রকল্পের একটি সূত্র জানিয়েছে,
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চারলেন
কাজে কিলোমিটার প্রতি ব্যয়
হবে প্রায় ৫০ কোটি টাকা। যা
ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেনের প্রায়
৩ গুণ ও ঢাকা-ময়মনসিংহ চার লেন
প্রকল্পের আড়াই গুণেরও বেশি।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চারলেনে
উন্নীত করার দাবি বেশ পুরোনো।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার
নির্বাচনী অঙ্গীকারে এটা
বলেছিলেন। তবে কাজটি শুরু হতে
দেরি হয় অর্থায়ন নিয়ে
অনিশ্চয়তার কারণে। এডিবি না
চীন সরকার এর অর্থায়ন করবে এ
নিয়ে কয়েক দফা সরকারের
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
(ইআরডি) কয়েক দফা চিঠি
চালাচালি করে। শুরুর দিকে চীন
আগ্রহ দেখালেও ইআরডি তা
প্রত্যাখ্যান করেছিলো। শেষে
চীনকে অর্থায়নের জন্য অনুরোধ
করেন তারা। শেষ পযন্ত চীন
সরকারই জি টু জি ভিত্তিতে এ
কাজ করতে রাজি হয়।
উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদ
ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, এখন
শুরু হলে মাত্র ৩ বছর পরই চার লেন
হয়ে যাবে মহাসড়কটি। তখন পর্যটন
ও অর্থনীতি দু’টোই বদলে যাবে
সিলেটের। বাড়বে জিডিপিও।

ফেঞ্চুগঞ্জ মোহাম্মাদিয়া ফাযিল মাদ্রাসার দাখিল ব্যাচ-২০০৩ এর পূণর্মিলণী অনুষ্টিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ ১০/০১/১৭ইং
মঙ্গলবার ঐতিহ্যবাহী ফেঞ্চুগঞ্জ
মোহাম্মাদিয়া ফাযিল মাদ্রাসার দাখিল
ব্যাচ-২০০৩ এর উদ্যোগে এক পূণর্মিলণী
অনুষ্ঠানে
র আয়োজন করা হয়।
হাফিজ আবু সাঈদ সেলিম এর সভাপতিত্বে
ও সৈয়দ মওদুদ আহমদ আদিল-এর উপস্থাপনায়
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন
ফেঞ্চুগঞ্জ মোহাম্মাদিয়া ফাযিল
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ ফরিদ উদ্দিন
আতহার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উক্ত
প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ মাওঃ আব্দুল
ওয়াহাব, সহকারী অধ্যাপক মাওঃ বশীর
উদ্দিন, মাওঃ মোঃ শামসুদদোহা খান,
মাওঃ আব্দুর রাজ্জাক, সহকারী শিক্ষক
মাওঃ মাহবুব আহমদ খান, ক্বারী সৈয়দ
সুলাইমান আহমদ, মাওঃ ইয়াকুব আলী,
মাওঃ মাজহারুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম
প্রমূখ।
দাখিল’৩ ব্যাচের পক্ষে বক্তব্য রাখেন
জালাল উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, আবুল
হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান কিনেল,
আলী হোসেন, আব্দুর রশীদ দুদু, সাইফুল
ইসলাম মামুন ও ফায়েক উল হক চৌধুরী।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ২০০৩ ব্যাচের
ছাত্রী জহুরা ফেরদৌস ও ফাতেমা বিনতে
ওয়াহিদ। অনুষ্ঠানে দাখিল’৩ ব্যাচের পক্ষ
হতে মাদ্রাসার মুহতারাম অধ্যক্ষ ও সকল
শিক্ষকবৃন্দকে সম্মাননা স্মারক প্রদান
করা হয়।
সংবাদটি শেয়ার করুন

মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১০, ২০১৭

ঘিলাছড়া ইউনিয়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে রোগীদের মহাদূর্ভোগ

ফেঞ্চুগঞ্জে ডাক্তারদের গাফিলতি আর
কতৃপক্ষের অবহেলা ও উদাসীনতায়
চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত উপজেলার
ঘিলাছড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার
কল্যাণ কেন্দ্রে আসা রোগীদের।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের
আওতাধীন ইউনিয়ন সাব সেন্টার হিসেবে
স্বীকৃত। অভিযোগ রয়েছে দায়িত্বশীলদের
সরকারি নিয়মে কর্তব্য পালনের বিধি-
বিধান থাকলেও শহর থেকে হাসপাতালে
ডাক্তার আসেন মাসে দু’দিন আর
ফার্মাসিস্ট আসছেন কখনও দুপুরে আবার
কখনও বিকালে। তবে একজন মেডিকেল
এসিসট্যান্ট (সেকমো) পদ থাকলেও
হাসপাতালে আসেননা কখনও। এভাবে নিজ
খেয়াল খুশিমত চলছে সরকারি এই চিকিৎসা
সেবা কেন্দ্র। রোগীদের অভিযোগ
সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে
দায়িত্বশীলরা প্রতারনা করছেন। ফলে চরম
দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। সরেজমিন
পরিদর্শনে সত্যতা পাওয়া যায় এসব
অভিযোগের।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৭
কিলোমিটার পূর্বে কুশিয়ারা নদীর
তীরবর্তী ভাটিঅঞ্চল অধ্যুসিত
মানিককোণা গ্রামে আশির দশকে
স্থাপিত হয়েছিল ঘিলাছড়া ইউনিয়ন
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। শুধুমাত্র
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নয় পার্শ্ববর্তী
গোলাপগঞ্জ উপজেলার হাওরতলা, ফতেহপুর
ও মীরগঞ্জ থেকে প্রায় ২০ হাজার
জনসংখ্যার চিকিৎসা সেবার একমাত্র
নির্ভরযোগ্য হাসপাতাল ছিল ঘিলাছড়া
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র।
গত সোমবার (২ জানুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০
টায় ঘিলাছড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার
কল্যাণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়
হাসপাতালের দরজা বন্ধ। খবর পেয়ে দু’তলা
আবাসিক ভবন থেকে নেমে আসেন
হাসপাতালের পরিবার কল্যাণ
পরিদর্শিকা সুরাইয়া আক্তার। তিনি
জানান, এই হাসপাতালের ইনচার্জ ও
মেডিকেল অফিসার ডাঃ হাফিজুল ইসলাম,
ফার্মাসিস্ট ওয়াহিদুজ্জামান চৌধূরী,
এমএলএসএস এনায়েত ও আমি দায়িত্বে
রয়েছি। বেলা বাড়ার সাথে সাথে দুপুর
ঘনিয়ে এলে রোগীদের ভীড় লেগে যায়
হাসপাতালের সম্মূখে। তবে এ সময় পরিবার
কল্যাণ পরিদর্শিকা সুরাইয়া আক্তার
ছাড়া কারো উপস্থিতি ছিল না
হাসপাতালে।
সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেরে উপস্থিত
রোগীদের অভিযোগের যেন অন্ত নেই। কথা
হয় চিকিৎসা নিতে আসা মানিককোণা
গ্রামের আহমুদ আলী (৮০), নিজাম উদ্দিন
(৩৮), সুলতানপুর গ্রামের কামাল হোসেন
বাঙ্গালী (৬০), ফতেহপুর গ্রামের আমীন
উদ্দিন (৯০) ও হাওরতলা গ্রামের
ছুরেতুন্নেছা (৫৫)’র সাথে। তারা এ
প্রতিবেদককে জানান, আবাসিক সুযোগ
সুবিধা থাকা সত্বেও মেডিকেল অফিসার
ডাঃ হাফিজুর রহমান সিলেট শহরে বসবাস
করছেন। ২/৩ সপ্তাহ পর পর তিনি
হাসপাতালে আসেন তাও সল্প সময়ের জন্য,
যা পরিদর্শনের ন্যায়। ফার্মাসিস্ট
ওয়াহিদুজ্জামান চৌধূরী প্রতিদিনই আসেন
তবে দুপুরের পর, এ সময় অপেক্ষার প্রহর গুণে
রোগীরা ফিরে যান আপন গন্তব্যে। এভাবে
এমএলএসএস এনায়েত কর্তাদের পথ অনুসরণ
করে চলেছেন। যেনো নিয়মনীতির
তোয়াক্ষা নেই এই চিকিৎসা সেবা
কেন্দ্রে। তারা আরো জানান, সকালে
হাসপাতালে আসা রোগীদের চাপে
পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা সুরাইয়া
আক্তারকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়,
আউটডোরে নিজের দায়িত্বের বাহিরেও
সাধারণ রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দিতে হয়
তাকে।
এ ব্যাপারে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও
পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ
শফিকুল আলম জানান, এসব অভিযোগ পেয়ে
আমিও নিজে পরিদর্শনে যেয়ে সত্যতা
পেয়েছি, আমি পুণরায় সেখানে যাব।
সিলেটের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ
হাবিবুর রহমান জানান, দায়িত্বশীলদের
কর্তব্যে গাফিলতি দুঃখজনক। সরকারি
বেতন-ভাতা ভোগ করবেন আর দায়িত্বে
অবহেলা করবেন তা হয় না। তিনি আরো
জানান, সরকারী বিধি অনুযায়ী সকাল
সাড়ে ৮ টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত
তাদের কর্মস্থলে থাকার বিধান রয়েছে। এ
ব্যাপারে জরুরী ভিত্তিতে প্রশাসনিক
ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানালেন
সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান।
মঙ্গলবার দুপুরে ঘিলাছড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য
ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল
অফিসার ডাঃ হাফিজুল ইসলামকে
মুঠোফোনে কল করলে তা রিসিব করেননি
তিনি।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী
গোলাপগঞ্জ উপজেলার প্রায় ২০ হাজার
জনসংখ্যার চিকিৎসা সেবার মানউন্নয়নে
ঘিলাছড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার
কল্যাণ কেন্দ্রকে সচল রাখার জন্য মাননীয়
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন
অসহায় ইউনিয়নবাসী।