শনিবার, জানুয়ারি ২১, ২০১৭

ফেঞ্চুগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ‘র নির্বাচনে কামরান জয়ী


ফেঞ্চুগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (১) এর
নির্বাচনে পরিচালকপদে কামরানুল ইসলাম কামরান
নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার ২১ ফেঞ্চুগঞ্জের কাসিম আলী
মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পল্লীবিদ্যুৎ
সমিতির সদস্যরা ভোট প্রয়োগ করেন।
নির্বাচনে পরিচালকপদে বাল্ব মার্কায় কামরানুল
ইসলাম কামরান ১০৬৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত
হন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাতা প্রতীকে
বিজন কুমার দেবনাথ ৯৮০ ভোট পেয়ে
দ্বিতীয় ও মাজহারুল ইসলাম রাসেল ৪৭৪
ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন।
ভোট গনণা শেষে প্রিজাইডিং অফিসার পল্লী
বিদ্যুৎতায়ন সিলেটের উপ-পরিচালক খাদেমুল
হক ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল
ঘোষণার সাথে সাথে বিজয়ী কামরানুল
ইসলাম কামরানের সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে
পড়ে। এ সময় কামরানের সমর্থকরা
কামরানকে নিয়ে বিজয় মিছিল করে মাইজগাঁও
বাজার প্রদক্ষিণ করেন।
উল্লেখ্য মোট ৭ হাজার ৪শ ৩৫ টি
ভোটের মধ্যে ২৫৩৫টি ভোট কাষ্ট হয়।
যার মধ্যে বাতিল হয়েছে ১৮টি ভোট।

প্রায় তিনশ’ কোটি টাকা বিনিয়োগে সিলেটে চালু হচ্ছে পাঁচ তারকা হাসপাতাল


প্রায় তিনশ’ কোটি টাকা বিনিয়োগে সিলেটে
চালু হচ্ছে পাঁচ তারকা মানের আল হারামাইন
হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেড। সর্বাধুনিক
প্রযুক্তির ও সর্বোত্তম সেবার অঙ্গীকার
নিয়ে আড়াইশ’ শয্যার এ হাসপাতালটির উদ্বোধন
হবে আগামী ২৩ জানুয়ারি।
কার্যক্রম শুরুর লগ্নে ব্যতিক্রমী
আয়োজন করেছে আল হারামাইন হাসপাতাল
প্রাইভেট লিমিটেড। আগামী ২৩ জানুয়ারী
থেকে ৩০ জানুয়ারী পর্যন্ত আল হারামাইন
হাসপাতালে সপ্তাহব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা পরামর্শ
প্রদান করা হবে।
সিলেট নগরীর সোবহানীঘাটে নির্মিত এ
হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও ডায়াগনস্টিক (প্যাথলজি
ও ইমেজিং) কার্যক্রম শুরু হবে ২৩ জানুয়ারি।
খ্যাতিয়ামান প্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ
মাহতাবুর রহমান এই হাসপাতালটি গড়ে
তুলেছেন। তিনি বলেন, আড়াইশ’ শয্যার এ
হাসপাতালে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশ্বের
সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগুলো নিয়ে আসা
হয়েছে। প্রায় ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে
ফিলিপাইন থেকে আনা হয়েছে অত্যাধুনিক
এমআরআই ও সিটিস্ক্যান মেশিন। হাসপাতালে
থাকছে বাংলাদেশের প্রথম ৬টি মডিউলার
অপরাশেন থিয়েটার। দেশের প্রসিদ্ধ
চিকিৎকরা ছাড়াও বিদেশী চিকিৎসকরাও এখানে
চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন।
তিনি বলেন, সিলেটের প্রথম পাঁচ তারকা
মানের এই হাসপাতালে সর্বোত্তম সেবা
নিশ্চিত করা হবে।
মাহতাবুর রহমান বিশ্ব নন্দিত পারফিউম ব্র্যান্ড
আল হারামাইন পারফিউমস গ্রুপের কর্ণধার ও
এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান। এছাড়া
বিয়ানীবাজার হাসপাতালের ট্রাস্টি হিসেবেও
রয়েছেন তিনি।
আল হারামাইন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন,
তাদের হাসপাতালের কার্যক্রম চালু উপলক্ষে
২৩ জানুয়ারী থেকে প্রতিদিন হাসপাতালের
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সকাল ৯টা থেকে রাত
৯টা পর্যন্ত রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা পরামর্শ
দিবেন।

ফুটবলের নতুন শক্তি

‘সাবিনাকে ঠেকানোর জন্য বাড়তি কিছু কী
ভেবেছেন ?’—ভারতীয় কোচ সাজিদ
ধরকে প্রশ্নটি করে ভ্রূ কুঁচকে
উত্তরের অপেক্ষায় থাকলেন কলকাতার
জনপ্রিয় এক দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক। উত্তরটি
পাওয়া গেল। কিন্তু দেখে মনে হলো
উত্তরটি দিয়ে না স্বস্তি পেয়েছেন
ভারতীয় কোচ, না শুনে খুশি হয়েছেন
প্রশ্নকর্তা সাংবাদিক।
‘গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বালা দেবীকে
(ভারতীয় দলের অধিনায়ক) মোটেই মুভ
করতে দেননি, ফাইনালের জন্য তো
সে একই রকম ফরমেশন?’ ভারতীয়
সাংবাদিকের করা প্রশ্নটি ( গুড লেন্থের)
যেন ডাউন দ্য উইকেটে এসে হাফভলি
বানিয়ে নিয়ে লংঅফের ওপর দিয়ে
গ্যালারিতে আছড়ে ফেললেন বাংলাদেশ
কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন।
সাফের ফাইনালের আগের দিন দুই
ফাইনালিস্ট ভারত ও বাংলাদেশের টিম
হোটেলে ম্যাচপূর্ববর্তী সংবাদ
সম্মেলনে দুই দেশের সাংবাদিকদের এ
রকম নানা প্রশ্ন আটকে ছিল কাচের
ঘরের মধ্যে। কিন্তু উত্তরগুলোর
প্রভাব বাউন্ডারি ছাপিয়ে অনেক দূরে। সব
প্রশ্ন ও উত্তরের মধ্যেই ছিল
বাংলাদেশের মেয়েদের নিয়ে প্রশংসা।
যা মেলালে যে ছবিটি পাওয়া যায়, সেটা
হলো দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের
ফুটবলের ভবিষ্যৎ এখন বাংলাদেশ। অর্থাৎ
আগামী দিনে সাবিনার বাংলাদেশের হাতেই
দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলের
মশাল।
নারী সাফ ফুটবলের আগের তিন আসরে
দুবার সর্বোচ্চ সেমিফাইনাল খেলে
বাংলাদেশ। চতুর্থ আসরে এসে
প্রথমবারের মতো ফাইনালে খেললেন
লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। ফাইনালের মঞ্চে
আগের টানা তিন আসরের চ্যাম্পিয়ন
ভারতের বিপক্ষে ৩-১ গোলে হারলেও
সাবিনা-স্বপ্নারা মানুষের মন জয় করে
নিয়েছেন। বাংলাদেশের মেয়েরা
বুঝিয়ে দিয়েছেন, এবার শিলিগুড়িতে না
পারলেও সামনের বার নেপাল থেকে
আর চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ছাড়া দেশে ফিরবেন
না তাঁরা।
ছয় মাস আমেরিকায় অনুশীলন করে আসা
আফগানদের জালে ছয় গোল দিয়ে
তাদের রিটার্ন টিকিট ধরিয়ে বাংলাদেশের
সাফ মিশন শুরু। আর শক্তিশালী ভারতের
বিপক্ষে ড্র করে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন।
সেমিফাইনালেও আবার প্রতিপক্ষ
মালদ্বীপের গলায় ৬-০ গোলের মালা
পরিয়ে দেওয়া। ফাইনালে স্বাগতিক
ভারতের বিপক্ষে হারের আগে এই
তো ছিল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলের
টাইমলাইন।
ফাইনালের হার পাশে রাখলেও পুরো
টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের মেয়েদের
দাপট। প্রতিপক্ষ রক্ষণ ভাগকে ছিঁড়েফুড়ে
হরহামেশাই বক্সে প্রবেশ করছেন
সাবিনা, ডান প্রান্তে কৃষ্ণার ওভার স্টেপে
মালদ্বীপের লেফট ফুল ব্যাক মাটিতে
গড়াগড়ি খেলেন দুবার, স্বপ্নার ক্রসে
সাবিনার ডামিতে পেনাল্টি বক্সের ওপর
থেকে এরিয়াল প্লেসিংয়ে বল জালে
জড়িয়ে দিলেন স্বপ্না। শিলিগুড়িতে এমন
সব দৃষ্টিনন্দন ফুটবলের ডালি সাজিয়ে
বসেছিল সাবিনা বাহিনী। ফুটবল মাঠে
চোখের প্রশান্তির জন্য আর কি কিছু
লাগে!
অথচ মুখে মুখে হিসাব করেই বলে
দেওয়া যাচ্ছে, সাফ ফুটবলে খেলা
বাংলাদেশ দলের গড় বয়স মাত্র ১৮-র
নিচে। সাফের ২০ সদস্যের দলে মোটা
দাগে ১৫ জনই এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ অপরাজিত
চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য। অর্থাৎ দলে
ষোড়শী কন্যাদের মিছিল। তবুও কি না
অপরাজিত থেকে টুর্নামেন্টের
ফাইনালিস্ট। ভারতীয় কোচ সাজিদ ধর
তো বলেই দিয়েছেন, ‘সামনের এএফসি
টুর্নামেন্টগুলোতে বাংলাদেশর সম্ভাবনা
উজ্জল। ’ যা বলেছেন নেপাল ও
আফগানিস্তান দলের কোচও। স্থানীয়
দর্শক থেকে শুরু করে বিদেশি
সাংবাদিকরাও ছিলেন এ তালিকায়। সবাই মুগ্ধ
হয়ে একবাক্যে বলেছেন, নারী সাফ
ফুটবলের নাটাই এখন সাবিনার বাংলাদেশের
হাতে।
ফাইনালে নামার আগে তিন ম্যাচে
প্রতিপক্ষের জালে ১২ গোল দিয়েছিল
বাংলাদেশর মেয়েরা, হজম করেনি একটি
গোলও। অথচ সাবিনাকে বাদ দিলে
ফরোয়ার্ড লাইনে যে স্বপ্না ও কৃষ্ণা
খেলেছেন, তাঁরা ষোড়শী
কিশোরী। আবার ফাইনালের আগে
কোনো গোল হজম না করা
বাংলাদেশের রক্ষণ ভাগ তো পুরোপিরই
অনূর্ধ্ব ১৬ দল। এ ছাড়া ডাগ আউট থেকে
কোচের হাতের ইশারায় ভোজবাজির
মতো বদলে যাচ্ছে দলের ফরমেশন।
খেলোয়াড়দের শরীরি ভাষা থেকে
শুরু করে শৃঙ্খলা সর্বত্র পরিপূর্ণ
পেশাদারির ছাপ। খেলোয়াড়দের মধ্যে
আছে দেশের জন্য ভালো কিছু করার
তাড়না। এসব ছোটখাটো পরিসংখ্যান
জোড়া লাগালে বাংলাদেশের সামনে
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হাতছানিই তো দিচ্ছে।
দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলের
নাটাইটা এত দিন ছিল ভারতের হাতে, আছে
এখনো। কিন্তু এবারই প্রথমবারের
মতো মেয়েদের ফুটবলের সিনিয়র
পর্যায়ে ভারতের বিপক্ষে এসেছে
গোলশূন্য ড্র। ফাইনালে হারলেও
ভারতের বিপক্ষে হারের বৃত্ত ভেঙে
বের হয়ে আসা গেছে। বাকি থাকল জয়,
এবার না পারলেও আজকের
কিশোরীদের সামনেই তো থাকছে
দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মশাল ধরার
হাতছানি।

শুক্রবার, জানুয়ারি ২০, ২০১৭

লিবিয়ায় মার্কিন হামলায় ৮০ আইএস জঙ্গি নিহত

লিবিয়ায় মার্কিন বিমান থেকে
চালানো বোমা হামলায় ৮০
জনেরও বেশি ইসলামিক স্টেটের
(আইএস) জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে
দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর আল-
জাজিরার।
মার্কিন বি-২ বোমারু বিমান ও
ড্রোন থেকে লিবিয়ার সির্তে
শহরে আইএস লক্ষবস্তুতে রাতের
আঁধারে এসব হামলা চালানো হয়
বলে বৃহস্পতিবার এক প্রেস
বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে
পেন্টাগন।
লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার
গাদ্দাফি ২০১১ সালে মার্কিন
বাহিনীর হাতে নিহত হওয়ার পর
তার নিজ শহর সির্তে বিভিন্ন
বিদ্রোহী গ্রুপের দখলে চলে যায়।
এসব গ্রুপের মধ্যে চলা দ্বন্দ্ব-
সংঘাতের সুযোগ নিয়ে ২০১৫ সালে
এ শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়
আইএস জঙ্গিরা। ২০১৬ সালের মে
থেকে লিবিয়ায় আইএস লক্ষবস্তুতে
হামলা শুরু করে মার্কিন
নেতৃত্বাধিন বাহিনী।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাশ
কারটার বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে
বলেন, ইউরোপে হামলা করার জন্য
মুখিয়ে আছে আইএস জঙ্গিরা। তাই
তাদের যেখানে পাওয়া যাবে
সেখানেই নির্মূল করা হবে।

ফেঞ্চুগঞ্জ হাটুভাঙ্গা আঞ্চলিক শাখা তালামীযের কাউন্সিল সম্পন্ন সভাপতি- কামরান সেক্রেটারি জাবেদ

বাংলাদেশ  আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ফেঞ্চুগঞ্জ মাইজগাও ইউনিয়ন শাখার অন্তর্গত হাটুভাঙ্গা আঞ্চলিক শাখার ২০১৭/১৮ সালের  কাউন্সিল অধিবেশন শুক্রবার বাদ জুমা হাটুভাঙ্গা আলিম মাদরাসার কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে শাখা সভাপতি মুহাম্মদ জালাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও মাদরাসা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফিজ জুয়েল আহমদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মাইজগাও ইউনিয়ন আল ইসলাহ সভাপতি বদরুল ইসলাম বেলাল, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা তালামীযের সহ প্রচার সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম কুদ্দুছ, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সদস্য সচিব মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাইজগাও ইউনিয়ন সভাপতি হাবিবুর রহমান মারুফ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ইমন, অর্থ সম্পাদক আবু তাহেফ শিবলু, জাবেল আহমদ, শরিফ আহমদ।
কাউন্সিলে সর্ব সম্মতিক্রমে কামরান হোসেন কে সভাপতি সুমন আহমদ, রাব্বানী আহমদ ও সুহেল আহমদ কে সহ সভাপতি এবং জাবেদ আহমদ কে সাধারণ সম্পাদক ও শাকিল আহমদ তাজুল কে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করে ৩০ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন,  সহ-সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলাম নয়ন, জাকারিয়া আহমদ সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাজেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক লিমন আহমদ সহ-প্রচার সম্পাদক তাজুল আহমদ, কাদির আহমদ অর্থ সম্পাদক কামিল উদ্দীন অফিস সম্পাদক জুয়েল আহমদ, সহ অফিস সম্পাদক ফাহিম উদ্দীন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জুবায়ের আহমদ, প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৯, ২০১৭

শুক্রবার কাউন্সিল || পুর্ব ফরিদপুর ও হাটুভাঙ্গা আঞ্চলিক শাখা

ফেঞ্চুগঞ্জঃ বাংলাদেশ আনজুমানে
তালামীযে ইসলামিয়া ফেঞ্চুগঞ্জ
উপজেলার ২ নং মাইজগাও ইউনিয়ন শাখার
অনর্গত পূর্ব ফরিদপুর ও হাটুভাঙ্গা আঞ্চলিক
শাখার কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।
পূর্ব ফরিদপুরঃ বিকেল ৩ ঘটিকায় ফরিদপুর
বড়বাড়ি জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্তিত থাকবেন
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফিজ
সাইফুর রহমান সজিব। বিশেষ অতিথি
হিসাবে উপস্তিত থাকবেন ফেঞ্চুগঞ্জ
উপজেলা সাবেক সহ সভাপতি হাফিজ
সাদিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ
সম্পাদক শাহজাহান উদ্দীন, মাইজগাও
ইউনিয়ন আল ইসলাহ সভাপতি বদরুল ইসলাম
বেলাল, সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজুল
ইসলাম কুদ্দুছ, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ
সদস্য সচিব হাবিলুর রহমান জুয়েল।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব
পালন করবেন মাইজগাও ইউনিয়ন সভাপতি
হাবিবুর রহমান মারুফ। অনুষ্ঠানে শাখার
সকল দায়িত্বশীলদের উপস্তিতি কামনা
করেছেন শাখা সভাপতি এমদাদ হোসেন
মিলন ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান।
হাটুভাঙ্গাঃ শুক্রবার বাদ জুমা হাটুভাঙ্গা
আলিম মাদরাসা কনফারেন্স হলে অনুষ্টিত
হবে। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্তিত
থাকবেন সিলেট (পূর্ব) জেলা সহ-প্রচার
সম্পাদক হোসাইন মোহাম্মদ বাবু।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব
পালন করবেন মাইজগাও ইউনিয়ন সভাপতি
হাবিবুর রহমান মারুফ।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্তিত থাকবেন
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সহ প্রচার সম্পাদক
হাফিজুল ইসলাম কুদ্দুছ, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি
কলেজ সদস্য সচিব হাবিলুর রহমান জুয়েল,
মাইজগাও ইউনিয়ন সহ-সভাপতি কামরান
আহমদ, জিয়াউল হক উজ্জল, ভারপ্রাপ্ত
সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ইমন,
সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান, অর্থ
সম্পাদক আবু তাহেফ শিবলু।
কাউন্সিলে শাখার সকল দায়িত্বশীলদের
উপস্তিত থাকার আহবান জানিয়েছেন
শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল
উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমদ।

সিলেটে কলেজছাত্রীকে ছুরিকাঘাত : অভিযুক্ত বাহার গ্রেপ্তার

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার
রসুলপুর গ্রামে কলেজছাত্রী ঝুমা
আক্তারকে ছুরিকাঘাতের মামলার
প্রধান আসামি বাহার উদ্দিনকে
গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
সুজ্ঞান চাকমা জানান,
বৃহস্পতিবার সকাল আটটায়
জকিগঞ্জের মির্জাচক হাওর পার
থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে
পুলিশ।
এর আগে সোমবার সকালে
সিলেটের জকিগঞ্জ থানায় ঝুমা
বেগমের মা করিমা বেগম বাদী
হয়ে বাহারসহ অজ্ঞাত তিন চারজন
কে আসামি করে মামলা দায়ের
করেন।
বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়
১৫ জানুয়ারি দুপুরের দিকে ঝুমা
আক্তার নামের ওই তরুণীকে ছুরি
দিয়ে জখম করে একই গ্রামের
বাহার নামের এক বখাটে।
ঘটনার পরদিন অভিযুক্তের ভাই
নাসিরুদ্দিনকে আটক করে পুলিশ।
নাসিরকে রিমান্ডে নেওয়া
হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক
ছিলো বাহার।
এদিকে ঝুমার অবস্থা আশংকামুক্ত
বলে জানান স্বজনেরা। রসুলপুর
গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের মেয়ে
ঝুমা জকিগঞ্জের ইছামতি ডিগ্রি
কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম
বর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে,
বাহার একইগ্রামের আবদুল গফুরের
ছেলে।

বুধবার, জানুয়ারি ১৮, ২০১৭

হাকালুকি হাওরের নামকরণের ইতিহাস

“সাগর” শব্দটি থকেে
“হাওর” শব্দের উৎপত্তি বলে ধরে
নেয়া হয়।তবে “হাকালুকি” নামের
উৎপত্তি সর্ম্পকে বিভিন্ন লোক
কাহিনী রয়েছে । জনশ্রুতিমতে বহু
বছর আগে ত্রিপুরার মহারাজা ওমর
মানিক্যের সেনাবাহিনীর ভয়ে
বড়লখোর কুকি দলপতি হাঙ্গর সিং
জঙ্গলপূর্ন ও র্কদমাক্ত এক বিস্তীর্ণ
এলাকায় এমনভাবে লুকি দযে় বা
লুকিয়ে যায় যা কালক্রমে ঐ এলাকার
নাম হয় “হাঙ্গর লুকি” ধীরে ধীরে তা
“হাকালুকিতে” তে র্পযবসতি হয়।
আরেকটি জনশ্রুতি অনুযায়ী প্রায় দুই
হাজার বছর আগে প্রচন্ড এক ভূমকিম্পে
“আকা” নামে এক রাজা ও তাঁর রাজত্ব
মাটির নিচে সর্ম্পূণ তলিয়ে যায়।
কালক্রমে এই তলিয়ে যাওয়া
নিম্নভূমির নাম হয় “আকালুকি” বা
হাকালুকি ।
আরো প্রচলিত যে, এক সময় বড়লেখা
থানার পশ্চিমাংশে “হেংকেল”
নামে একটি উপজাতি বাস করতো।
পরবর্তিতে এই “হেংকেলুকি”
হাকালুকি নাম ধারণ করে। এও
প্রচলিত যে, হাকালুকি হাওররে
কাছাকাছি একসময় বাস করতো কুকি,
নাগা উপজাতিরা। তাদের নিজস্ব
উপজাতীয় ভাষায় এই হাওরের নামকরণ
করা হয় “হাকালুকি” যার র্অথ ‘লুকানো
সম্পদ’।
পূর্ববর্তী সংবাদ : অনেক পুলিশ এখনও
বলে আমি নাকি এখনও পুলিশ হতে
পারিনি
পরবর্তী সংবাদ: সিলেট জেলা
ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মুন্নার
জন্মদিন পালন

সিলেটের ইতিহাস ও সুরমা নদী

সুরমা নদীর কোল ঘেঁষে সিলেট
নগরী, সুনামগঞ্জ জেলা সদর। এ
নদীর তীরেই কানাইঘাট,
বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ,
বিশ্বনাথ, ছাতক, দোয়ারাবাজার,
জামালগঞ্জ ও আজমিরীগঞ্জ
পৌরশহর-উপজেলা। বৃহত্তর
সিলেটের ঐতিহ্য আর ইতিহাসের
বাঁকে বাঁকে ছড়িয়ে থাকা অপরূপা
এ নদীর নাম সুরমা। জনশ্রুতি
অনুযায়ী, রাজা ক্ষেত্রপালের
স্ত্রী সুরম্যা এর নাম থেকেই এ
নদীর নাম সুরমা।
আগে এর নাম ছিলো বড়-বকরো বা
বরবক্র নদী। এই বরবক্রের নিদর্শন
আছে প্রাচীন বাংলা সাহিত্য ও
শাস্ত্রে। তীর্থ চিন্তামণিতে
বরবক্র বা বরাক নদীর বর্ণনা
পাওয়া যায়। প্রাচীন পুরাণে
বর্ণিত শরাবতীকে অনেকেই
সিলেটের সুরমা বলে মনে করেন।
বরবক্র নদীতে স্নান করলে সব পাপ
দূর হয় বলে বিশ্বাস প্রচলিত আছে
হিন্দু সমাজে। বলা হয়ে থাকে,
হযরত শাহজালাল তার বাহিনী
নিয়ে সিলেটের উপকণ্ঠে পৌঁছুলে
সুরমা নদীতে চলাচলকারী সব
নৌকা বন্ধ করে দেন রাজা
গৌড়গোবিন্দ।
সে সময় নিজের জায়নামাজে
চেপে সুরমা পার হন শাহজালাল।
রাজা অমর মাণিক্য (১৫৯৭-১৬১১)
অনন্ত স্বর্গে গমনের আশায় বরবক্র ও
মনু নদীর ‘মহাপবিত্র’ সঙ্গমস্থলে
গিয়ে স্বেচ্ছামৃত্যু বরণ করেছিলেন
বলে বলা আছে সতের শতকের
শেষভাগে রচিত ত্রিপুরার
রাজাদের ইতিহাস সংবলিত
রাজমালা কাব্যে। হিজরি তৃতীয়
শতকে সুরমা তীরের সিলেট
বন্দরের বর্ণনা দিয়েছেন আরব
পর্যটক সোলায়মান ছয়রাফী।
মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৬
খ্রিস্টাব্দে হযরত শাহজালালের
সঙ্গে মোলাকাতের জন্য নহরে
আজরক দিয়ে সিলেট আসেন।
আরবীতে আজরক অর্থ নীল রং।
আর নহরে আজরক অর্থ নীল রঙের
নদী। এই নীল পানির নদীই আজকের
সুরমা। এক সময় এই নদীই ছিলো
সিলেটের জীবন-জীবিকার প্রধান
উৎস। নদীর দু’পাড়ে গড়ে উঠেছিল
নগর, বন্দর, জনপদ। সড়ক পথে
যোগাযোগ গড়ে ওঠার আগে
সিলেটের সঙ্গে বাংলা ও এর
পার্শ্ববর্তী ভূ-খন্ডের ব্যবসা-
বাণিজ্য হতো সুরমা কলকাতা
থেকে জলপথে ঢাকা এসে
বুড়িগঙ্গা ও মেঘনা পেরিয়ে পড়তে
হতো সুরমায়। ছোট মেঘনা দিয়ে
সুরমা হয়ে সবচেয়ে সোজা ও
সংক্ষিপ্ত পথে দাউদকান্দি থেকে
সিলেট যাওয়া যেতো। কৃষিই ছিল
তখনকার সুরমাপাড়বাসীর প্রধান
জীবিকা।
হস্ত-কারুশিল্পের পাশাপাশি
লৌহ আর জাহাজ নির্মাণ
শিল্পেরও প্রভাবও ছিলো সুরমা
পাড়ে। আরো ছিলো প্রচুর হাতি।
তাই হাতির দাঁতের পাটি পাওয়া
যেতো সুরমা পাড়ে। চুলের মতো
চিকন বেত তৈরি করে পাটি বোনা
ছাড়াও হাতির দাঁত থেকে তৈরি
হতো পাখা, চুড়ি, চিরুনি এবং খড়ম,
লাঠি, দাবা ও পাশা খেলার গুটি।
মুর্তা নামে এক প্রকার জংলী বৃক্ষ
থেকে বিশেষ পদ্ধতিতে বেত
সংগ্রহ করে বোনা নকশী শীতল
পাটি এবং বাঁশ-বেতের আসবাবও
এই সুরমা পাড়ের ঐহিত্যময় গৌরব।
সুরমা পাড়ের জঙ্গলে জন্মানো
জালিবেত দিয়ে তৈরি হতো খাট,
চেয়ার, টেবিল, শেলফ, বাক্স-
পেটরা, সোফা।
এ নদীতে মাছ ধরা হতো
ঝাকিজাল, উড়াজাল, উথালজাল,
হৈফাজাল, হাটজাল ও
পেলুইনজালে। মোদ্দা কথা,
সুরমাকে কেন্দ্র করেই গড়ে
উঠেছিলো সিলেটের সংস্কৃতি ও
সভ্যতা। বৃহত্তর সিলেটের প্রকৃতি ও
জীবনের সঙ্গে এ নদীর সম্পর্ক
অবিচ্ছেদ্য। বর্তমানের সুরমা
পাড়ে দেখা যাবে, বড়লাট
নর্থব্রুককে অভ্যর্থনা জানাতে
নির্মিত চাঁদনীঘাটের প্রাচীন
সিঁড়ি। নগরীর প্রবেশ মুখে সুরমার
উপরে স্থাপিত আসামের গভর্নর
মাইকেল ক্কিন এর স্মৃতিধন্য
ধনুকাকার স্টিলের ব্রিজটি তো
সিলেটের আইকন হিসেবেই
পরিচিত হয়ে উঠেছে। চাঁদনীঘাট ও
ক্কিন ব্রিজের পাশেই পৃথিম
পাশার বিখ্যাত জমিদার আলী
আমজাদের গড়া ঘড়িঘর সাক্ষী
বইছে দিল্লীর শাহজাদী
জাহানারার চাঁদনিচকের ঘড়িঘর
অনুকরণের। সিলেটে সুরমার উপরে
আরো গড়া হয়েছে শাহজালাল
ব্রিজ, শাহপরান ব্রিজ ও
টুকেরবাজার ব্রীজ। সুনামগঞ্জ শহর
ঘেঁষেও ব্রিজ আছে সুরমার ওপর।
আরো আছে অসামান্য সব গানের
কারিগর হাছন রাজার বাড়ি ও
জাদুঘর। এই সুরমার জন্ম উত্তর-পূর্ব
ভারতের মনিপুর পাহাড়ের মাও
সংসাংয়ে। ভারতীয় অংশে এর
নাম এখনো বরাকই আছে।
সিলেটের কানাইঘাটে আসামের
কাছাড় জেলার অমলসিদের কাছে
বাংলাদেশের বদরপুরে প্রবেশের
পর দু’ভাগ হয়ে গেছে বরাক।
উত্তরের শাখাটি সুরমা আর
দক্ষিণের শাখাটি প্রবাহিত
হয়েছে কুশিয়ারা নামে। বরাক-
সুরমা-কুশিয়ারার সঙ্গমস্থল
পরিচিত ত্রিবেনী নামে।
কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজারের
কাছে সুরমা ও কুশিয়ারা পুনরায়
মিলিত হয়ে গঠন করেছে মেঘনা
নদী। অমলসিদের ত্রিবেনীতে
বাংলাদেশে প্রবেশ করেই উত্তরে
বাঁক নেওয়া সুরমা নদী
আকাশমল্লিক পর্যন্ত প্রায় সাড়ে
২৬ কিলোমিটার এলাকায়
সীমান্ত হয়ে বেড় দিয়ে আছে
বাংলাদেশকে। ভারতের
খাসিয়া-জয়ন্তিয়া পাহাড় থেকে
আসা লোভাছড়া কানাইঘাটের
কাছে চারিপাড়ায় পতিত হয়েছে
সুরমায়। এই লোভাছড়া দিয়েই
আসে সুরমার ৬০ শতাংশ পানির
যোগান। এর বাইরে বরাকসহ কিছু
শাখা নদী দিয়ে ৩০ ভাগ পানি
মেশে সুরমায়। অবশিষ্ট ১০ ভাগ
আসে খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের
বিভিন্ন ছড়া-খাল ও বৃষ্টির প্রবাহ
থেকে। অমলসিদের ত্রিবেনী
থেকে ছাতক পর্যন্ত সুরমার দৈর্ঘ্য
প্রায় ১৬৪ কিলোমিটার।
ছাতক থেকে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত ৪০
কিলোমিটার। সুনামগঞ্জ থেকে
দক্ষিণ-পশ্চিমে ১১ কিলোমিটার
দূরে পাইন্দা নামক স্থানে সুরমা
ভাগ হয়ে গেছে দুই শাখায়।
দক্ষিণমুখী শাখাটি চাঁদপুর-দিরাই
হয়ে মারকুলিতে মিলিত হয়েছে
কুশিয়ারার সঙ্গে। এক সময় এই
ধারাটিই ছিলো সুরমার মূল প্রবাহ
পথ। তবে পুরাতন সুরমা নামে
পরিচিত এই ধারা এখন মৃতপ্রায়।
এরও আগে সুরমার এই শাখাটি
দিরাই-চাঁদপুরের ৪ কি.মি. উজানে
সুজানগর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে
প্রবাহিত হয়ে আজমিরীগঞ্জে
কালনী নদীতে পড়ে ।
এই ধারার পরিচিতি এখন মরা
সুরমা। সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত
প্রবাহ কালনী নামে দক্ষিণে
কিছুদূর প্রবাহিত হয়ে নাম
নিয়েছে মেঘনা। দ্বিতীয়
শাখাটি পাইন্দা থেকে ৮
কিলোমিটার এগিয়ে উত্তর-
পশ্চিমে মোড় নিয়ে প্রায় ৯
কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ফের
দক্ষিণ-পশ্চিমে বাঁক নিয়ে
লালপুরে বাইলাই নদীতে পড়েছে।
পরে এই শাখাটি বিভিন্ন নাম
ধারণ করে মেঘনায় মিলিত হয়েছে
দিলালপুরে। অমলসিদের ত্রিবেনী
থেকে দিলালপুরে মেঘনায় পতিত
হওয়া পর্যন্ত সুরমা পাড়ি দিয়েছে
প্রায় ৩৫৫ কিলোমিটার পথ।
মেঘালয় মালভূমির দক্ষিণ থেকে
নেমে আসা বিভিন্ন নদী ও
স্রোতধারা মিলিত হয়েছে সুরমার
ধারায়।

সিলেট-২ আসনে কে হচ্ছেন নৌকার কান্ডারী ?

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আরো ২
বছর বাকি। তবে এরই মধ্যে সরকারী
দল আওয়ামীলীগ আগামী
নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে
দিয়েছে। অক্টোবরে আওয়ামী
লীগের সম্মেলনে সভানেত্রী
পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
শনিবার (১৪ জানুয়ারী) প্রথম
ধানমণ্ডিতে নিজের রাজনৈতিক
কার্যালয়ে গিয়ে বলেন, আগামী
নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিন ।
তার ঘোষণার পর থেকেই
সারাদেশে আওয়ামীলীগ দলীয়
মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নড়েচড়ে
বসেছেন। ব্যাতিক্রম নয় সিলেট-২
আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ।
প্রকাশ্য না হলেও তারা নীরবে
চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের লবিং।
বরাবরের মতো এবারও সিলেট-২
আসনে কে পাবেন দলীয় টিকেট তা
নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। কে
হবেন সিলেট-২ আসনের নৌকার
কান্ডারী ? দলীয় প্রধান ও
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কার
হাতে নৌকার দায়িত্ব দেন তা
নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে চলছে
গুঞ্জন।
বালাগঞ্জ, বিশ্বনাথ ও
ওসমানীনগর তিন উপজেলা নিয়ে
গঠিত সিলেট-২ আসন। এই আসনকে
প্রধান দুই রাজনৈতিক দলই অত্যন্ত
গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে
থাকে। বিগত জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে জাতীয় পার্টির সাথে
সমঝোতায় এখানে আওয়ামীলীগ
থেকে কেউ প্রার্থী হননি। বরাবরই
এই আসনে আওয়ামীলীগ থেকে
একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন
প্রাপ্তির জন্য লড়াই করেন। আর
এতে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পরে
স্থানীয় আওয়ামীলীগ। এবারও এর
ব্যতিক্রম নয়। আগামী নির্বাচনে
এই আসন থেকে লড়তে ইতিমধ্যেই
আওয়ামীলীগের দুই প্রার্থী
রয়েছেন মাঠে। সিলেট জেলা
আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক
শফিকুর রহমান চৌধুরী ও যুক্তরাজ্য
আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক
আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। তিন
উপজেলায় তাদের অনুসারীরা নিজ
নিজ নেতার মনোনয়ন প্রাপ্তির
ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তবে তা যে দলীয় সভানেত্রীর
সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে তা
মানছেন অনেকেই।
২৪ ঘন্টার রাজনীতিবিদ’ হিসেবে
খ্যাত শফিকুর রহমান চৌধুরী।
সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের
সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ
শফিক চৌধুরী । তার অনুসারী
নেতা কর্মীরা মনে করেন ক্লীন
ইমেজের ত্যাগী এই নেতার
মনোনয়ন না পাওয়ার কোন কারণ
নেই।
শফিকুর রহমান চৌধুরী সিলেট
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক হিসেবে দলের জন্য
নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে কাজ করে
যাচ্ছেন। সিলেট-২ আসনে
বিএনপির প্রভাবশালী নেতা
ইলিয়াস আলীকে পরাজিত করে
সাংসদ হওয়া সাবেক সাংসদ
হিসেবেও তিনি ছিলেন সফল। ‘২৪
ঘন্টার রাজনীতিবিদ’ হিসেবে
পরিচিত শফিক চৌধুরীর
জনপ্রিয়তা, দলে অবস্থান এসব
নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। দলের
প্রয়োজনে প্রতিটি
স্থানীয় নির্বাচনে রাত-দিন
পরিশ্রম করে দলের জন্য কাজ করে
গেছেন।
গত জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী
লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার
প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে সিলেট-২
আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা থেকে
নিজেকে সরিয়ে রাখেন শফিক
চৌধুরী। ওয়ান-ইলেভেনে কারারুদ্ধ
হওয়া এই নেতার দলের জন্য
ত্যাগের কারণেই আছেন তুমুল
আলোচনায়।
আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী
যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের যুগ্ন
সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান
চৌধুরী। বহির্বিশ্বের
বাংলাদেশী রাজনীতিতে খুবই
পরিশ্রমী নেতা। নির্বাচন করার
তাড়না থেকেই গত বেশ কিছুদিন
ধরে তিনি নিয়মিত এলাকার
আসছেন। এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন
মূলক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত
করছেন। এলাকায় তরুন
নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশ
ইতিমধ্যেই তার বলয়ে যোগ
দিয়েছে। তিন উপজেলায় নিজস্ব
বলয় ঠিক করতে প্রতিনিয়ত
যোগাযোগ অব্যাহত রেখে চলেছেন
আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।
এছাড়া ব্রিটেনে অবস্থানরত শেখ
রেহানার স্নেহধন্য হিসেবে তিনি
রয়েছেন পুরো আলোচনায়।একজন
ভালো ও পরিশ্রমী সংগঠক
হিসেবে তার দেশে ও বহির্বিশ্বে
রয়েছে সুনাম। জানা যায়, দল
আন্তপ্রাণ আনোয়ারুজ্জামান
চৌধুরী সর্বশেষ দলীয় সম্মেলনে
দলের কোন পদ পাওয়ার ব্যাপারে
তদবির লবিং করেননি। উদ্দেশ্য
সংসদ নির্বাচনে দলের টিকেট
চাওয়া।
এ বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা
আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক
আফজালুর রহমান চৌধুরী নাজলু
সুরমানিউজকে বলেন, দলের একজন
ত্যাগী নেতা হিসেবে সিলেট
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ শফিকুর
রহমান চৌধুরীর জুড়ি নেই। তিনি
নিজ এলাকা, দল ও কর্মী
সমর্থকদের নিয়ে অবিরাম রাতদিন
কাজ করে চলেছেন। তাই তৃণমূল
থেকে শুরু করে এলাকার সবার প্রিয়
এই নেতার হাতেই আমাদের দলীয়
সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা নৌকা প্রতীক তুলে
দিবেন।
ওসমানীনগর উপজেলা
আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ
সম্পাদক আব্দাল মিয়া
সুরমানিউজকে বলেন, বালাগঞ্জ-
ওসমানীনগর ও বিশ্বনাথবাসীর
আগামী দিনের প্রতিনিধি
হিসেবে জাতীয় সংসদে
আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে
আওয়ামীলীগের নৌকার
কান্ডারী করা হবে বলে আমরা
আশাবাদী। তবে তা সম্পুর্ণ দলীয়
প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর
করছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি
বলেন, দলীয় সভানেত্রী যার
হাতেই নৌকার দায়িত্ব তুলে
দিবেন আমরা তাঁর হয়ে দলের জন্য
কাজ করে যাব।
যুক্তরাজ্য যুবলীগের সভাপতি ফখরুল
ইসলাম মধু সুরমানিউজকে বলেন,
বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ ও
ওসমানীনগরে আনোয়ারুজ্জামানের
বিকল্প নেই। একমাত্র তিনিই
পারেন এই আসনটি পুনরুদ্ধার করতে।
ইতিমধ্যেই সবাই দেখেছে তার
পক্ষে এলাকায় গণজোয়ার। দেশে
বিদেশে তার হাজার হাজার
নেতাকর্মীর বিশ্বাস আমাদের
দলীয় নেত্রী আগামী নির্বাচনে
পরিশ্রমী এই নেতাকে মুল্যায়ন
করবেন। আর নেত্রী সবসময় তরুন
নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেছেন।
সিলেট ২ আসনে আগামী
নির্বাচনে আনোয়ারুজ্জামানই
নৌকার কান্ডারী।
স্বেচ্ছাসেবক লীগ ভারপ্রাপ্ত
সম্পাদক ঝলক পাল সুরমা নিউজকে
বলেন, আমাদের আস্থা ও
বিশ্বাসের জায়গা জননেত্রী শেখ
হাসিনা। তিনি কখনো সিদ্ধান্ত
নিতে ভুল করেননা। নেত্রী ত্যাগী
ও পরিশ্রমী নেতাকেই মুল্যায়ন
করবেন আমাদের বিশ্বাস।
তবে সবকিছুই নির্ভর করছে দলীয়
সভানেত্রীর উপর। তার সিদ্ধান্তই
চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত। একাধিকবার
তিনি তার সিদ্ধান্তে চমক
দেখিয়েছেন। এবারও তেমন কিছু
হবেনা তা আগাম বলা যাচ্ছেনা।
সেই চমকের অপেক্ষায় রয়েছেন
সিলেট-২ আসনের তিন উপজেলার
বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৭, ২০১৭

আজ ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মামলা ডিসমিস হয়েছে

আজ ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ
নির্বাচনের মামলা ডিসমিস হয়েছে।
জনৈক জামালের দায়েরকৃত মামলা
(৯৯/২৯- ২০১১) এর নিষ্পত্তি হয়েছে।
ফেঞ্চুগঞ্জের সমাজসেবী আমিরুল ইসলাম
তুলা ও শ্রমিকনেতা বশারত আলী এই
মামলায় পক্ষভুক্ত হয়েছিলেন। তাদের
পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন
ব্যারিষ্টার জনাব আলতাফ। হাইকোর্টের
বিচারপতি কাজী রেজাউল হক এবং
বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর দ্বৈত
বেঞ্চ এই আদেশ দিয়েছেন। সহকারী
এটর্নী জেনারেল জনাব আব্দুর রকিব
(মন্টু)-এর মারফতে এইমাত্র এই সুসংবাদ
পেলাম।
ফেঞ্চুগঞ্জের বুক থেকে এক জগদ্দল পাথর
নেমে গেল।

সোমবার, জানুয়ারি ১৬, ২০১৭

মানুষকে ভালোবাসুন, আর্ত-মানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন আল্লামা ইমাদ উদ্দিন ফুলতলী লোকে লোকারণ্য বালাই হাওর



উপমহাদেশের প্রখ্যাত বুযুর্গ
আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)-এর
বাড়ি ফুলতলীতে গতকাল রোববার লাখো
মানুষের ঢল নেমেছিল। আল্লামা ফুলতলী
(র.)-এর মাজার, মাহফিলের পেন্ডাল,
বাজার, রাস্তাঘাট সবই ছিল লোকে
লোকারণ্য। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন
প্রান্ত থেকে ফুলতলী অভিমুখী জনতার
স্রোত ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল সাড়ে
১০টায় এতিমখানার হাজারো এতিমকে
নিয়ে হযরত আল্লামা ফুলতলী ছাহেব
কিবলাহ (র.)-এর মাজার জিয়ারতের মধ্য
দিয়ে শুরু হয় মাহফিলের কার্যক্রম। এরপর
অনুষ্ঠিত হয় খতমে কুরআন ও দালাইলুল
খায়রাত শরীফের খতম। যোহরের পূর্বেই
লোকে লোকারণ্য হয় বালাই হাওর।
বাদ যোহর খতমে খাজেগান ও দুআ শেষে
মুরিদীন-মুহিব্বীনের উদ্দেশ্যে তা’লীম-
তরবিয়ত ও হৃদয়গ্রাহী বয়ান পেশ করেন
আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)-এর
সুযোগ্য উত্তরসূরী উস্তাযুল উলামা ওয়াল
মুহাদ্দিসীন, মুরশিদে বরহক হযরত আল্লামা
ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী বড় ছাহেব কিবলাহ
ফুলতলী। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন,
‘আমাদের মাতা-পিতা আমাদেরকে
মানুষের মতো মানুষ হবার কথা বলেছেন।
কিন্তু আমরা মানুষ হতে পারিনি।
আমাদের প্রকৃত মানুষ হবার চেষ্টা করতে
হবে। মেহমানকে সম্মান ও প্রতিবেশীর
সাথে উত্তম আচরণ করতে হবে। সবসময়
ভালো কথা বলতে হবে। কেননা ভালো
কথা হলো সদকাবিশেষ।’ তিনি বলেন,
খিলওয়াত তথা নির্জনবাস অত্যন্ত জরুরী
বিষয়। আমাদের পীর ও মুরশিদ হযরত ফুলতলী
ছাহেব কিবলাহ (র.) বহুবার চিল্লা
করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের মধ্যে
অনেকে এখনও তরীকার চিল্লা করে
থাকেন। যারা তরীকার শুগল-আশগাল ও
যিকর-আযকারে নিবিষ্ট হন তাদের সতর্ক
থাকা প্রয়োজন। কেননা আল্লাহর পথে
অগ্রসর হলে শয়তান ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা
করে।’ বাংলাদেশ আন্জুমানে আল ইসলাহর
সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ হুছামুদ্দীন
চৌধুরী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী
বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাওলানা
আহমদ হাসান চৌধুরী’র যৌথ পরিচালনায়
মাহফিলে সম্মানিত অতিথি হিসেবে
বক্তব্য রাখেন মক্কা মুকাররামার মসজিদুল
খায়র-এর সম্মানিত খতীব সায়্যিদ আল-
হাবীব মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল আইদারুছ,
উপমহাদেশের প্রখ্যাত শায়খুল হাদীস
আল্লামা হবিবুর রহমান, উজানডিহির পীর
ছাহেব মাওলানা সায়্যিদ মোস্তাক আহমদ
আল মাদানী, আল্লামা নজমুদ্দীন চৌধুরী
ছাহেবজাদায়ে ফুলতলী, ভারতের উত্তর
প্রদেশের রামপুরের প্রখ্যাত বুযুর্গ খতীবে
আ’যম আল্লামা ওজীহ উদ্দীন রামপুরী (র.)-
এর সুযোগ্য উত্তরসূরি ড. শাআইরুল্লাহ খান
রামপুরী, রামপুর নবাবী মসজিদের ইমাম ও
খতীব, মাদরাসায়ে জামিউল উলূম
ফুরকানিয়ার উস্তায হযরত মাওলানা
ই’তিসামুল্লাহ খান রামপুরী, মাওলানা
মাকারিমুল্লাহ খান রামপুরী, দৈনিক
ইনকিলাবের নির্বাহী সম্পাদক মাওলানা
কবি রূহুল আমীন খান, মাওলানা শিহাব
উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী, মুফতী মাওলানা
গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী,
সোবহানীঘাট কামিল মাদরাসার
প্রিন্সিপাল মাওলানা কমরুদ্দীন চৌধুরী,
বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর
মহাসচিব মাওলানা এ.কে.এম মনোওর আলী,
ঢাকা নেছারিয়া কামিল মাদরাসার
প্রিন্সিপাল মাওলানা কাফীলুদ্দীন
ছালেহী, মুফতী মাওলানা আবূ নছর
জিহাদী, জালালপুর জালালিয়া কামিল
মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা জ.উ.ম
আব্দুল মুনঈম, সৎপুর কামিল মাদরাসার
উপাধ্যক্ষ মাওলানা ছালিক আহমদ,
দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল
মাদরাসার মুহাদ্দিছ মাওলানা
বদরুজ্জামান রিয়াদ, তালামীযে
ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি ফখরুল
ইসলাম।

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ও ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন শেখ
হাসিনার দশম জাতীয় সংসদের সফলতার
৩য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ও নবগঠিত ফেঞ্চুগঞ্জ
উপজেলা ও ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের
কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল
বের করা হয়। মিছিলটি ফেঞ্চুগঞ্জ
বাজারের থানার রোড পয়েন্ট থেকে শুরু
হয়ে স্হানীয় নুরপুরের শেখ রাসেল
অডিটিয়ামে এসে এক আলোচনা সভা ও
ফুলের শুভেচ্ছায় মিলিত হয়।
সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাহমুদ-উস-সামাদ
চৌধুরী-কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান
নবগঠিত ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ও ডিগ্রী
কলেজ ছাত্রলীগ। ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা
ছাত্রলীগের সভাপতি জুনেদ আহমদ এর
সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্হিত ছিলেন সাংসদ মাহমুদ-উস-সামাদ
চৌধুরী।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন-
সাধারণ সম্পাদক শেখ টিটু ও ডিগ্রী কলেজ
ছাত্রলীগের সভাপতি জুবের আহমদ সনির
যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য
রাখেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা
আওয়ামীলীগের সভাপতি শওকত আলী, সহ
সভাপতি মিছবা আহমদ চৌধুরী, যুগ্ন-
সাধারণ সম্পাদক জাহিদ ইকবাল সুনাম,
সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল কয়েছ,
দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান জাহাঙ্গীর,
নিউ জার্সি আওয়ামীলীগের সাধারণ-
সম্পাদক শাহজাহান শাহ্, ফেঞ্চুগঞ্জ
উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক
মাসার আহমদ শাহ্। অন্যান্যদের মধ্যে
বক্তব্য রাখেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা
ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জালাল আহমদ,
আরিফ আহমদ, মেহরাব হোসেন জুনেল,
নাহিদ সুলতান পাশা, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক
রেজান আহমদ শাহ্, জাহাঙ্গীর আলম দিপু,
সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদুর রহমান
ডেনেছ, তোফায়েল আহমদ ইমন, শুয়েব
আহমদ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন,
উপজেলা ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক
সম্পাদক মাহফুজ আহমদ, ক্রীড়া সম্পাদক
আব্দুল কাইয়ূম, পরিবেশ বিষয়ক শেখ মুমিনুল
হাসান, ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সহ-
সভাপতি আলী হাসান, মিথুন ভৌমিক জয়,
শিহাব আহমদ, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক হৃদয়
অধিকারী, মাসুম আহমদ, সাংগঠনিক
সম্পাদক আল আমিন ফাহিম, ছাত্রলীগ
নেতা এ.জে সানি, জায়েদ আহমদ জয়,
উজ্জল আহমদ, সৌরভ, মুহিত, নীরব, মিঠু,
রিফুল, ইমন,জায়েদ, শিপন, মাসুম, কাফার,
কামরুল, নাছিম, প্রিন্স, সুহেল, জয়নুল,
তানভীর, মাহফুজ, লায়েক, সুজেদ, রিফাত,
কাওসার প্রমুখ।

ফেঞ্চুগঞ্জ কুশিয়ারা পাওয়ার লিঃ উদ্যোগে গরীব দুস্থদের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

ফেঞ্চুগঞ্জ কুশিয়ারা পাওয়ার কোম্পানী
লিঃ এর উদ্যোগে গতকাল ১৫ জানুয়ারী
রোববার সকালে এলাকার গরীব দুস্থদের
জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন
করা হয়। এ উপলক্ষে ফেঞ্চুগঞ্জ পাওয়ার
কোম্পানীর পরিচালক এস মহালিংগম এর
সভাপতিত্বে ও কে কে শর্মার পরিচালনায়
মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট-৩
আসনের এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী।
বক্তব্য রাখেন কুশিয়ারা বিদ্যুৎ প্ল্যান্টের
সিএ সুমিল বাইন, পিডিবি ৯০ মেগাওয়ার্ট
বিদ্যুত কেন্দ্রের ম্যানেজার নুরুল আমিন,
কুশিয়ারা বিদ্যুৎ প্ল্যান্টের ম্যানেজার
দিলিপ জুজালিকার। এ সময় উপস্থিত
ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা মহিব
উদ্দিন বাদল, জাহিদুল ইসলাম সুনাম,
মিসবাহ হোসেন চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক
লীগ নেতা আব্দুল আউয়াল কয়েস সহ
কুশিয়ারা পাওয়ার কোম্পানী বিভিন্ন
কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। মেডিকেল
ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে
গরীব পুরুষ এবং মহিলা রোগীর চিকিৎসা ও
ঔষধ প্রদান করা হয়।

রবিবার, জানুয়ারি ১৫, ২০১৭

ইসলামী ব্যাংকের মত কমার্স ব্যাংকেও পরিবর্তন আসবে : অর্থমন্ত্রী

 অর্থমন্ত্রী
আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ইসলামী
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের মতো
কমার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদেও
পরিবর্তন আনা হবে।
সোমবার দুপুরে সিলেটের লাক্কাতুড়া চা
বাগানে চা শ্রমিকদের আয়োজিত এক
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে
তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন,
ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে
পরিবর্তন এসেছে। এখন কমার্স ব্যাংকে
পরিবর্তন আসবে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন,
দেশে এবার রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন
হয়েছে। যা আমাদের চাহিদার সমতুল্য।
তবে খতিয়ে দেখতে হবে এ উৎপাদন
সাসটেইনেবল কি না। যদি সাসটেইনেবল
উৎপাদন হয়, তবে বিদেশ থেকে চা
আমাদানি করা হবে না।
এদিকে, বিকেলে সিলেট নগরীর
রিকাবিবাজারে মোহাম্মদ আলী
জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গণে উন্নয়ণ মেলায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
‘উন্নয়নের গণতন্ত্র, শেখ হাসিনার
মূলমন্ত্র’ শ্লোগান নিয়ে শুরু হওয়া এই
মেলায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের
সেবা স্টলসহ ৮৩টি স্টল রয়েছে।
আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত চলবে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা
পর্যন্ত চলবে এ মেলা। মেলার উদ্বোধনী
আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল
মুহিত বলেন, প্রধানমন্ত্রী মেলার
উদ্বোধনের সময়ই সব কিছু বলে দিয়েছেন,
আমার আর কিছু বলার নেই। তিনি সকলকে
মেলায় আসার আহ্বান জানান।
সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল
আবেদীনের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত
জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহীদুল
ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য
রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের
চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান, সিলেট
বিভাগীয় কমিশনার জামাল উদ্দীন
আহমেদ, সাবেক সিটি মেয়র বদর উদ্দিন
আহমদ কামরান ও জাতিসংঘে
বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি
ড. একেএম আব্দুল মোমেন। মঞ্চে উপস্থিত
ছিলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি কামরুল
আহসান, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার
গোলাম কিবরিয়া ও জেলা আওয়ামী
লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান
চৌধুরী। এর আগে মেলা উপলক্ষে বিকেল
আড়াইটার দিকে জেলা প্রশাসন কার্যালয়
থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।