মঙ্গলবার, মার্চ ০৭, ২০১৭
আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’-১৯৭১
সালের ৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমানের বজ্রকণ্ঠের এ ঘোষণা
থেকে যা বোঝার বুঝে গিয়েছিল বাঙালি।
রেসকোর্স ময়দানে (পরে
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) সমবেত লাখো
মুক্তিকামী মানুষের রক্তে দ্রোহের
বান ডেকেছিল। ১৯ মিনিটের সেই
উজ্জীবনী ও ধ্রুপদী ভাষণ শুনে
সাড়ে সাত কোটি বাঙালি প্রস্তুত হয়েছিল
জীবনবাজি করা মুক্তিসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে
পড়তে। এরপর ৯ মাসের রক্ত আর প্রাণ
ঝরানো যুদ্ধ শেষে এসেছিল পরম
কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা।
আজ সেই ঐতিহাসিক মুক্তি সনদ ভাষণের
দিন। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো.
আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন। বাংলাদেশ
আওয়ামী লীগ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন
করবে আজ। বাংলাদেশ বেতার,
টেলিভিশন ও বেসরকারি টিভি
চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার
করবে। ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে
পত্রপত্রিকা।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের
অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ভাষণ। লেখক
ও ইতিহাসবিদ জ্যাকব এফ ফিল্ডের
বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা ‘উই শ্যাল
ফাইট অন দ্য বিচেস : দ্য স্পিচ দ্যাট
ইনস্পায়ার্ড হিস্টোরি’ গ্রন্থে এটি স্থান
পেয়েছে। অসংখ্য ভাষায় অনূদিত
হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ওই ধ্রুপদী ভাষণ।
আবদুল হামিদ তাঁর বাণীতে বলেছেন,
‘বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ
আমাদের প্রজন্ম থেকে
প্রজন্মান্তরে প্রেরণার চিরন্তন উত্স
হয়ে থাকবে। ’ তিনি আরো বলেন, ১৯৭১
সালের ৭ মার্চ স্বাধীনতার মহান স্থপতি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
তত্কালীন শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু
উপেক্ষা করে অসীম সাহসিকতার
সঙ্গে রেসকোর্স ময়দানে লাখো
জনতার উদ্দেশে বজ্রকণ্ঠে যে
ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, তা ছিল মূলত
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ।
শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেছেন,
বাঙালির বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম ও সশস্ত্র
মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতার এই ভাষণের
দিকনির্দেশনাই ছিল সে সময় বজ্রকঠিন
জাতীয় ঐক্যের মূলমন্ত্র। অসীম
ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের
স্বাধীনতাসংগ্রামের অমিত শক্তির উত্স
ছিল এ ঐতিহাসিক ভাষণ। যার আবেদন
কোনোদিনই ম্লান হবে না। ১৯৭১ সালের
৭ মার্চ বাঙালি জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে
লেখা একটি অবিস্মরণীয় দিন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল
কাদের এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ যুগে যুগে
বাঙালি জাতিকে শক্তি ও সাহস জোগাবে।
আমাদের মহান নেতার এই ঐতিহাসিক ভাষণ
বাঙালি জাতির ইতিহাসে চিরন্তন ও
সর্বজনীন।
সোমবার, মার্চ ০৬, ২০১৭
মুসলমান হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের সামনে মূর্তি স্থাপন মেনে নিতে পারি না : এরশাদ
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির
চেয়ারম্যান হুসাঈন মুহাম্মদ এরশাদ
বলেছেন, সুপ্রিমকোর্টের সামনে যে
গ্রীকদেবীর মূর্তি বসানো হয়েছে।
মুসলমান হিসেবে আমি তা মেনে
নিতে পারি না। মুসলিম হিসেবে
মূর্তির বিপক্ষে অবস্থান নেয়া
প্রতটি মুসলমানের কর্তব্য।
আজ দুপুরে তাঁর বনানীর দলীয়
কার্যালয়ে বাংলাদেশ খেলাফত
মজলিসের নেতৃবৃন্দের সাথে
মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।
হুসাঈন মুহাম্মদ এরশাদ মূর্তি
বিরোধী আন্দোলনের প্রতি সমর্থন
জ্ঞাপনও করেন।
এসময় সুপ্রিম কোর্টের সামনেসহ
সারাদেশের রাস্তার মোড়ে মোড়ে
মূর্তি স্থাপনের প্রতিবাদ এবং
অপসারণের দাবীতে বাংলাদেশ
খেলাফত মজলিসের মাসব্যাপী
গণসংযোগ ও মতবিনিময় কর্মসূচীর
অংশ হিসেবে দলের মহাসচিব
মাওলানা মাহফুজুল হকের নেতৃত্বে
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসাঈন
মুহাম্মদ এরশাদের হাতে আন্দোলনের
বিষয়টি উপস্থাপন করে প্রকাশিত
লিফলেট তুলে দেয়া হয়।
মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম-
মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন
আহমদ, মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন,
অফিস ও বায়তুলমাল সম্পাদক
মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল,
জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবি এম
রুহুল আমীন হাওলাদার, যুগ্ম-মহাসচিব
এহিয়া চৌধুরী এমপি, ভাইস
চেয়ারম্যান ও ঢাকা সিটি
কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম সেন্টু
প্রমূখ।
রবিবার, মার্চ ০৫, ২০১৭
ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের কর্মি সম্মেলন সম্পন্ন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার আওতাধীন ১নং
ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের কর্মি
সম্মেলন শুক্রবার স্থানীয় বনছায়া
কমিনিউটি সেন্টারে সম্পন্ন হয়েছে।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক
এম. জে. আহমদ জাবেদের সভাপতিত্বে ও
উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক
রাসেদুল হাসান চৌধুরী রাসেদ, সদস্য সচিব
মো. শাহিন আহমদ ও যুগ্ম আহবায়ক দিনার
আহমদ শাহ এর যৌথ পরিচালনায় কর্মি
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক
ও সিলেট জেলার সভাপতি সাঈদ আহমদ।
প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন সিলেট
জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি মিফতাজুল
কবির মিফতা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-
সভাপতি আব্দুল কাদির জিলা, সিলেট
জেলা ছাত্র দলের সহ-সভাপতি তসির আলী,
যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান নেছার, অলি
চৌধুরী, নজরুল ইসলাম, রাজ কুমার চক্রবর্তী
লিটন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাযহারুল
ইসলাম রাসেল, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা
তানিম আহমদ, সমাজসেবা সম্পাদক জাহেদ
আহমদ, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক
কামরান আহমদ, দপ্তর সম্পাদক আবুল
বাশার, এম.সি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের
আহবায়ক বদরুল আহমদ রানা, সিনিয়র সদস্য
শাকি খান, জেলা ছাত্রদল নেতা দিহান
আহমদ হারুন, জলবায়ু ও পরিবেশ বিষয়ক
সম্পাদক আহমেদ জাকি, অর্থ সম্পাদক
সাইফুল ইসলাম খান, সদস্য বদরুল ইসলাম
খান, কাজি নাদির হোসন এমু তারেক আহমদ
খাঁন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম
আহবায়ক শেখ ওয়েস আহমদ মিটু, নুরুল ইসলাম
নাহিদ, নাসির উদ্দীন লিটন, মেহেদী
হাসান রফি, রাহিবুল হাসান সুজন,
আলমগীর হোসেন, শিপার আহমদ, ওলিদুর
রহমান মেন্টু, আখলাকুল করিম রিমন, সদস্য
মাহতি ইসলাম চৌধুরী শাহি, কমল হাসান
বাবর, আহসানুল করিম নিজাম, যুগ্ম
আহবায়ক মোহাম্মদ সামি, ফারহানুর
রহমান, শাহিন আহমদ, আব্দুর রাজ্জাক রাজু,
শাওন আহমদ খান, মাহবুবুর রহমান শাওন,
আরিফ কবির, রুহেল চৌধুরী, তানভির খান,
শাফি চৌধুরী, শাহেদ আহমদ, শাহিন
আহমদ, মাহদিন আহমদ, একে রাজু মাযহারুল
ইসলাম নাদিম, পাপ্পু আহমদ, আশিক আহমদ,
শিপলু আহমদ, আশরাফ আহমদ, হৃদয় চন্দ্র,
বদরুল আহমদ শাকিল, হাসন শাহ, আলী মো.
ইব্রাহীম, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ
ছাত্রদলের আহবায়ক সৈয়দ
তায়েফুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক
ফুয়াদ আহমদ চৌধুরী মনা, সদস্য সচীব তপু
আহমদ খান, যুগ্ম আহবায়ক, হাফিজুল করিম
সায়মন, মিজানুর রহমান মিটন, আমিনুল হক,
ওবায়দুর রহমান সজল, মুহিবুর রহমান নাহিদ,
শানি আহমদ, ইখতিয়ার মাহমুদ সজিব, ওমর
সাসি সুইট, মারুফ চৌধুরী, সাদ্দাম হোসেন,
শাহরুল আমিন মারুফ, সদস্য মুহিবুর রহমান
মান্না, নাইমুজ্জামান ফরহাদ, আকবর
আহমদ, শেখ শুভ।
বুধবার, মার্চ ০১, ২০১৭
সিলেটে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক শানে রিসালত মহাসম্মেলন বৃহস্পতিবার শুরু
সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা ময়দানে দুই
দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক শানে রিসালত
মহাসম্মেলন ২ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায়
শুরু হচ্ছে। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন
উস্তাযুল উলামা ওয়াল মুহাদ্দিসীন, মুরশিদে
বরহক হযরত আল্লামা ইমাদ উদ্দীন চৌধুরী
বড় ছাহেব কিবলাহ ফুলতলী। সম্মানিত অতিথি
হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সায়্যিদ আল
হাবীব উবায়দুল্লাহ আল আত্তাস (মক্কা
মুকাররামা), ড. শায়খ নাজী বিন রাশিদ আল
আরাবী (বাহরাইন), ড. শায়খ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া
আল কাত্তানী (মিশর), সায়্যিদ আল হাবীব
ফয়সল আল কাফ (জেদ্দা), শায়খ মারওয়ান
ইবনে সাদাকাহ ওয়াযযান (মক্কা মুকাররামা), শায়খ
মুহাম্মদ মুহাম্মদ সাঈদ আল কুহেজী
(বাহরাইন), শায়খ খালিদ সালিহ আহমদ আল
কুহেজী (বাহরাইন) প্রমুখ।
এছাড়া অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত,
শিক্ষামন্ত্রী জনাব নুরুল ইসলাম নাহিদ,
মশুরীখোলার পীর ছাহেব আলহাজ্জ শাহ
আহসানুজ্জামান, উজানডিহির পীর ছাহেব সায়্যিদ
মোস্তাক আহমদ আল মাদানী, সায়্যিদ জুনাইদ
আহমদ আল মাদানী, দৈনিক ইনকিলাবের
সম্পাদক আলহাজ্জ এএমএম বাহাউদ্দীন,
ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
প্রফেসর ড. আহসান উল্লাহসহ দেশ-
বিদেশের আরো অনেক সম্মানিত পীর-
মাশায়িখ, আলিম-উলামা, ইসলামী চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ
মাহফিলে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত
হবেন।
সম্মেলন উপলক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি
ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। মক্কা
মুকাররামার প্রখ্যাত শায়খ সায়্যিদ আল হাবীব
উবায়দুল্লাহ আল আত্তাস, শায়খ মারওয়ান ইবনে
সাদাকাহ ওয়াযযান, মিশরের আল আযহার
ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. শায়খ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া
আল কাত্তানী ইতোমধ্যে সিলেট এসে
পৌঁছেছেন। অন্যান্য অতিথিবৃন্দ
বৃহস্পতিবার এসে পৌঁছবেন।
সম্মেলন সফলের লক্ষে ১ মার্চ সিলেট
মহানগরীতে বিশাল প্রচার মিছিল বের করা
হয়। আন্তর্জাতিক শানে রিসালত মহাসম্মেলন
বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক বাংলাদেশ
আনজুমানে আল ইসলাহ’র সভাপতি মাওলানা
হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী ও সদস্য সচিব
মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী
সম্মেলনে দল-মত নির্বিশেষে
সর্বস্তরের মুসলিম জনতার উপস্থিতি কামনা
ফেঞ্চুগঞ্জে পাল্টা সাংবাদ সম্মেলন করলেন নুরুল হুদা কুটি:তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার
ফেঞ্চুগঞ্জ: সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ
উপজেলার কায়স্থগ্রামের বাসিন্দা নূরুল হুদা কুটি
তার বিরুদ্ধে আনীত প্রতিপক্ষের বিভিন্ন
অভিযোগ অস্বীকার করে ফেঞ্চুগঞ্জ
প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
১ মার্চ বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত
বক্তব্যে তিনি বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ
উপজেলার কায়স্থ গ্রামের শফিকুর রহমানের
পুত্র শাহীন আহমদ সাংবাদিক সম্মেলনের
মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা
হয়েছে তা মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও
ষড়যন্ত্রমূলক। কোটি বাহিনী বলে যে
বাহিনীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা
সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন। কোটি বাহিনী
বলে আমার কোন বাহিনী নেই। আমি
কোন বাহিনীর প্রধানও নয়। আমার ও আমার
পরিবারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন ও সমাজে আমাকে
হেয় প্রতিপন্ন করতে এটা তাদের অপচেষ্টা
মাত্র।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, আমার
বিরুদ্ধে মিথ্য অভিযোগকারী শফিকুর
রহমানের পুত্র শাহীন গংরা এলাকার জুলুমবাজ,
ভূমিদখলকারী, সমাজ বিরোধী চিহিৃত মাদক
ব্যবসায়ী। তাদের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে
প্রতিবাদ করায় আমিসহ এলাকার গন্যমান্য
ব্যক্তিবর্গের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার
উদ্দেশে নানা কুৎসা রটিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায়
দীর্ঘদিন ধরে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে।
তাদের এই অন্যায় অপকর্মের বিরুদ্ধে আমি
আইনের আশ্রয় নিয়ে তারা আরো
বেপোরোয়া হয়ে উঠে মাদক ব্যবসায়ী
পরিবারটি।
আমার বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে-
শাহীনের ভাই জয়নুলকে আমি সাজানো
মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়েছি। অভিযোগটি
সম্পূর্ণ অসত্য। প্রকৃত ঘটনা হলো-
জয়নুলকে পুলিশ গাঁজা, ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার
করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।
মামলার বাদী কিংবা মামলার সাথে আমি কোন
ভাবেই সংশ্লিষ্ট নয়। পুলিশ মাদক আইনে মামলা
করে জয়নুলকে কারাগারে প্রেরণ
করেছে। মামলার বাদী হলেন-
ফেঞ্চুগঞ্জ থানার এস.আই অমৃত কুমার।
আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী শাহীন গংরা
আমাদের পরিবারের মালিকানাধীন-৩৭৭৮,
৩৭৮৫, ৩৪৯৭, ৩৫০১, ৩৭৮১, ৩৭৬৪ দাগের
ভূমির সীমানা পিলার সরিয়ে দাগগুলোর কিছু
জায়গা জবর দখল করে রেখেছে। এ সব
অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদী
হয়ে উঠলে শাহীন গংরা বিভিন্ন মাধ্যমে
আমার প্রাণনাশ ও আমার সন্তানকে গুম করার
হুমকী দিয়ে আসছে। ফেইসবুকে আমার
বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর কারণে আমি নিজে
বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছি।
আমি আল্লামা ছাহেব কিবলাহ আব্দুল লতিফ
ফুলতলী (রঃ) হাতে গড়া সংগঠন, আঞ্জুমানে
আল ইসলাহের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শাখার
সভাপতির দায়িত্বে রয়েছি। এছাড়া আমার এলাকায়
দ্বীনে ইসলাম প্রতিষ্ঠার উদ্দেশে
আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে হাজী
আকমল আলী মোহাম্মদী ইসলামী
মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছি। ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী
কলেজ, ফেঞ্চুগঞ্জ ফাযিল মাদ্রাসা,মাইজগাঁও
কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ,কায়স্থ গ্রাম সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ এলাকার রাস্তাঘাটের
উন্নয়নে ভূমি দান করে আমাদের পরিবার
সমাজের মঙ্গঁল ও কল্যাণে সহযোগিতা
অব্যাহত রেখেছে। একটি দ্বীনি পরিবারের
বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোয় আমি মানসিকভাবে
ভেঙে পড়েছি। আমি আপনাদের মাধ্যমে
পুলিশ,র্যাবসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর দৃষ্টি
আকর্ষণ করে বলতে চাই-সমাজবিরোধী
মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জরুরী
ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা
গ্রহন করে এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য
আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ
কামনা করেন।
এ সময় তার সাথে ছিলেন, আর রহমান জামে
মসজিদের সভাপতি তাহিদ আলী, মুক্তিযোদ্ধা
মানিক মিয়া,আলী হোসেন মিনার, হাজী ডলু
মিয়া, মাওলানা মারুফ আহমদ, তারুক আহমদ শাহ
শরীফ আহমদ, জাবেদুল ইসলাম ও মাওলানা
রেদুয়ানুল করিম চৌধূরী।
উপজেলার কায়স্থগ্রামের বাসিন্দা নূরুল হুদা কুটি
তার বিরুদ্ধে আনীত প্রতিপক্ষের বিভিন্ন
অভিযোগ অস্বীকার করে ফেঞ্চুগঞ্জ
প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
১ মার্চ বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত
বক্তব্যে তিনি বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ
উপজেলার কায়স্থ গ্রামের শফিকুর রহমানের
পুত্র শাহীন আহমদ সাংবাদিক সম্মেলনের
মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা
হয়েছে তা মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও
ষড়যন্ত্রমূলক। কোটি বাহিনী বলে যে
বাহিনীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা
সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন। কোটি বাহিনী
বলে আমার কোন বাহিনী নেই। আমি
কোন বাহিনীর প্রধানও নয়। আমার ও আমার
পরিবারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন ও সমাজে আমাকে
হেয় প্রতিপন্ন করতে এটা তাদের অপচেষ্টা
মাত্র।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, আমার
বিরুদ্ধে মিথ্য অভিযোগকারী শফিকুর
রহমানের পুত্র শাহীন গংরা এলাকার জুলুমবাজ,
ভূমিদখলকারী, সমাজ বিরোধী চিহিৃত মাদক
ব্যবসায়ী। তাদের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে
প্রতিবাদ করায় আমিসহ এলাকার গন্যমান্য
ব্যক্তিবর্গের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার
উদ্দেশে নানা কুৎসা রটিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায়
দীর্ঘদিন ধরে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে।
তাদের এই অন্যায় অপকর্মের বিরুদ্ধে আমি
আইনের আশ্রয় নিয়ে তারা আরো
বেপোরোয়া হয়ে উঠে মাদক ব্যবসায়ী
পরিবারটি।
আমার বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে-
শাহীনের ভাই জয়নুলকে আমি সাজানো
মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়েছি। অভিযোগটি
সম্পূর্ণ অসত্য। প্রকৃত ঘটনা হলো-
জয়নুলকে পুলিশ গাঁজা, ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার
করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।
মামলার বাদী কিংবা মামলার সাথে আমি কোন
ভাবেই সংশ্লিষ্ট নয়। পুলিশ মাদক আইনে মামলা
করে জয়নুলকে কারাগারে প্রেরণ
করেছে। মামলার বাদী হলেন-
ফেঞ্চুগঞ্জ থানার এস.আই অমৃত কুমার।
আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী শাহীন গংরা
আমাদের পরিবারের মালিকানাধীন-৩৭৭৮,
৩৭৮৫, ৩৪৯৭, ৩৫০১, ৩৭৮১, ৩৭৬৪ দাগের
ভূমির সীমানা পিলার সরিয়ে দাগগুলোর কিছু
জায়গা জবর দখল করে রেখেছে। এ সব
অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদী
হয়ে উঠলে শাহীন গংরা বিভিন্ন মাধ্যমে
আমার প্রাণনাশ ও আমার সন্তানকে গুম করার
হুমকী দিয়ে আসছে। ফেইসবুকে আমার
বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর কারণে আমি নিজে
বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছি।
আমি আল্লামা ছাহেব কিবলাহ আব্দুল লতিফ
ফুলতলী (রঃ) হাতে গড়া সংগঠন, আঞ্জুমানে
আল ইসলাহের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শাখার
সভাপতির দায়িত্বে রয়েছি। এছাড়া আমার এলাকায়
দ্বীনে ইসলাম প্রতিষ্ঠার উদ্দেশে
আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে হাজী
আকমল আলী মোহাম্মদী ইসলামী
মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছি। ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী
কলেজ, ফেঞ্চুগঞ্জ ফাযিল মাদ্রাসা,মাইজগাঁও
কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ,কায়স্থ গ্রাম সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ এলাকার রাস্তাঘাটের
উন্নয়নে ভূমি দান করে আমাদের পরিবার
সমাজের মঙ্গঁল ও কল্যাণে সহযোগিতা
অব্যাহত রেখেছে। একটি দ্বীনি পরিবারের
বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোয় আমি মানসিকভাবে
ভেঙে পড়েছি। আমি আপনাদের মাধ্যমে
পুলিশ,র্যাবসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর দৃষ্টি
আকর্ষণ করে বলতে চাই-সমাজবিরোধী
মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জরুরী
ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা
গ্রহন করে এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য
আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ
কামনা করেন।
এ সময় তার সাথে ছিলেন, আর রহমান জামে
মসজিদের সভাপতি তাহিদ আলী, মুক্তিযোদ্ধা
মানিক মিয়া,আলী হোসেন মিনার, হাজী ডলু
মিয়া, মাওলানা মারুফ আহমদ, তারুক আহমদ শাহ
শরীফ আহমদ, জাবেদুল ইসলাম ও মাওলানা
রেদুয়ানুল করিম চৌধূরী।
পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘট অব্যাহত, অচল হয়ে পড়েছে সিলেট সহ পুরো দেশ
দুই চালকের দণ্ডের প্রতিবাদে পরিবহন
শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘট অব্যাহত
রয়েছে। এতে সারাদেশের
সড়কপথের যোগাযোগব্যবস্থা অচল
হয়ে পড়েছে। স্থবির হয়ে পড়েছে
সিলেট সহ পুরো দেশ।
মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই
ধর্মঘটের কারণে জনভোগান্তি চরম
আকার ধারণ করেছে। সাধারণ যাত্রীরা
পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। এক স্থান
থেকে আরেক স্থানে যাওয়ার পরিবহন
ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে
দেশের যোগাযোগব্যবস্থা। এতে
কার্যত অচল হয়ে পড়েছে দেশ।
বুধবার (০১ মার্চ) সকালে সিলেটের
কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে
দেখা যায়, চলাচল বন্ধ রয়েছে সব
ধরণের বাস, লেগুনা ও সিএনজির।
কয়েকটি যাত্রীবাহী সিএনজি চলাচলের
চেষ্টা করলেও পড়তে হচ্ছে
শ্রমিকদের পিকেটিংয়ের মুখে।
পিকেটাররা যানবাহন আটকে নামিয়ে
দিচ্ছেন যাত্রীদের, গাড়ি ভাঙার হুমকি
দিচ্ছেন চালকদের।
পিকেটিং থেকে ছাড় পাচ্ছেন না বিভিন্ন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও
পরীক্ষার্থীরাও। তাদের নামিয়ে দেয়া
হয়েছে সিএনজি থেকে। এমনকি বৃদ্ধ,
নারী ও শিশু যাত্রী বহনকারী যানবাহনও
পড়েছে পরিবহন শ্রমিকদের বাধার
মুখে। গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে
গন্তব্যে উদ্দেশে যাত্রা করছেন
নিরুপায় যাত্রীরা। অ্যাম্বুলেন্স যেতে
দিলেও কয়েক দফায় তাতে তল্লাশি
চালাচ্ছে শ্রমিকরা।
বুধবার সকালে নগরীতে গণপরিবহন না
থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে
অফিসগামী যাত্রীদের। রাস্তায়
কোনো পরিবহন না পেয়ে কেউ
পায়ে হেঁটে, কেউ রিকশা-ভ্যানে
করে অফিসের দিকে রওয়ানা
করেছেন।
প্রসঙ্গত, তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনির
নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এক
বাসচালকের আজীবন কারাদণ্ড দেয়
মানিকগঞ্জের একটি আদালত। এর
প্রতিবাদে দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি
জেলায় পরিবহন ধর্মঘট শুরু করে
শ্রমিকরা। এরই মধ্যে সাভারে এক
নারীকে বাসচাপায় নিহতের ঘটনায়
আরেক চালককে মৃত্যুদণ্ড দেয় ঢাকার
একটি আদালত। দুই চালকের দণ্ডকে
কেন্দ্র করে সারাদেশে
অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক
দেয় বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক
ফেডারেশন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে,
চালকদের সাজা দেয়ার বিষয়টি আদালতের
বিষয়। এ ব্যাপারে শ্রমিকরা সংক্ষুব্ধ হলে
তারা আদালতে তাদের বক্তব্য তুলে
ধরতে পারেন, এজন্য কোনোভাবে
দেশের মানুষকে জিম্মি করতে পারেন
না। এই ধর্মঘটকে অনৈতিক ও অন্যায্য দাবি
করে তা প্রত্যাহারের আহ্বান
জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও
সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘট অব্যাহত
রয়েছে। এতে সারাদেশের
সড়কপথের যোগাযোগব্যবস্থা অচল
হয়ে পড়েছে। স্থবির হয়ে পড়েছে
সিলেট সহ পুরো দেশ।
মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই
ধর্মঘটের কারণে জনভোগান্তি চরম
আকার ধারণ করেছে। সাধারণ যাত্রীরা
পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। এক স্থান
থেকে আরেক স্থানে যাওয়ার পরিবহন
ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে
দেশের যোগাযোগব্যবস্থা। এতে
কার্যত অচল হয়ে পড়েছে দেশ।
বুধবার (০১ মার্চ) সকালে সিলেটের
কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে
দেখা যায়, চলাচল বন্ধ রয়েছে সব
ধরণের বাস, লেগুনা ও সিএনজির।
কয়েকটি যাত্রীবাহী সিএনজি চলাচলের
চেষ্টা করলেও পড়তে হচ্ছে
শ্রমিকদের পিকেটিংয়ের মুখে।
পিকেটাররা যানবাহন আটকে নামিয়ে
দিচ্ছেন যাত্রীদের, গাড়ি ভাঙার হুমকি
দিচ্ছেন চালকদের।
পিকেটিং থেকে ছাড় পাচ্ছেন না বিভিন্ন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও
পরীক্ষার্থীরাও। তাদের নামিয়ে দেয়া
হয়েছে সিএনজি থেকে। এমনকি বৃদ্ধ,
নারী ও শিশু যাত্রী বহনকারী যানবাহনও
পড়েছে পরিবহন শ্রমিকদের বাধার
মুখে। গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে
গন্তব্যে উদ্দেশে যাত্রা করছেন
নিরুপায় যাত্রীরা। অ্যাম্বুলেন্স যেতে
দিলেও কয়েক দফায় তাতে তল্লাশি
চালাচ্ছে শ্রমিকরা।
বুধবার সকালে নগরীতে গণপরিবহন না
থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে
অফিসগামী যাত্রীদের। রাস্তায়
কোনো পরিবহন না পেয়ে কেউ
পায়ে হেঁটে, কেউ রিকশা-ভ্যানে
করে অফিসের দিকে রওয়ানা
করেছেন।
প্রসঙ্গত, তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনির
নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এক
বাসচালকের আজীবন কারাদণ্ড দেয়
মানিকগঞ্জের একটি আদালত। এর
প্রতিবাদে দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি
জেলায় পরিবহন ধর্মঘট শুরু করে
শ্রমিকরা। এরই মধ্যে সাভারে এক
নারীকে বাসচাপায় নিহতের ঘটনায়
আরেক চালককে মৃত্যুদণ্ড দেয় ঢাকার
একটি আদালত। দুই চালকের দণ্ডকে
কেন্দ্র করে সারাদেশে
অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক
দেয় বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক
ফেডারেশন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে,
চালকদের সাজা দেয়ার বিষয়টি আদালতের
বিষয়। এ ব্যাপারে শ্রমিকরা সংক্ষুব্ধ হলে
তারা আদালতে তাদের বক্তব্য তুলে
ধরতে পারেন, এজন্য কোনোভাবে
দেশের মানুষকে জিম্মি করতে পারেন
না। এই ধর্মঘটকে অনৈতিক ও অন্যায্য দাবি
করে তা প্রত্যাহারের আহ্বান
জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও
সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৭
সিলেটে পরিবহন ধর্মঘটে শ্রমিকদের পিকেটিং, যাত্রী হয়রানি
হঠাৎ করে ডাকা পরিবহন ধর্মঘটে চরম
ভোগান্তিতে পড়েছেন সিলেটের মানুষ।
পরিবহন শ্রমিকরা রাস্তায় নেমেছেন
পিকেটিংয়ে। বাধা দিচ্ছেন যান চলাচলে, যানবাহন
থেকে নামিয়ে দিচ্ছেন যাত্রীদের। ফলে
বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের
কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,
চলাচল বন্ধ রয়েছে সব ধরণের বাস, লেগুনা ও
সিএনজির। কয়েকটি যাত্রীবাহী সিএনজি
চলাচলের চেষ্টা করলেও পড়তে হচ্ছে
শ্রমিকদের পিকেটিংয়ের মুখে। পিকেটাররা
যানবাহন আটকে নামিয়ে দিচ্ছেন যাত্রীদের,
গাড়ি ভাঙার হুমকি দিচ্ছেন চালকদের।
পিকেটিং থেকে ছাড় পাচ্ছেন না বিভিন্ন শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীরাও।
তাদের নামিয়ে দেয়া হয়েছে সিএনজি
থেকে। এমনকি বৃদ্ধ, নারী ও শিশু যাত্রী
বহনকারী যানবাহনও পড়েছে পরিবহন
শ্রমিকদের বাধার মুখে। গাড়ি থেকে নেমে
হেঁটে গন্তব্যে উদ্দেশে যাত্রা করছেন
নিরুপায় যাত্রীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন মালিক
শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সিলেট বিভাগের সভাপতি
সেলিম আহমেদ ফলিক পিকেটিংয়ের বিষয়টি
অস্বীকার করে সিলেটটুডে
টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,
আমাদের শ্রমিকরা কোনো পিকেটিং করছে
না। স্বতস্ফুর্তভাবে পরিবহন ধর্মঘট পালিত
হচ্ছে।
উল্লেখ্য, তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীর
নিহতের ঘটনায় এক বাসচালকের যাবজ্জীবন
কারাদণ্ডাদেশের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৮
ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে সারাদেশে পরিবহন
ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন
শ্রমিক ফেডারেশন। সারাদেশের মতো
সিলেটেও সকাল থেকে চলছে পরিবহন
ধর্মঘট। এর আগে একই কারণে খুলনা বিভাগের
১০ জেলায় পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া
হয়েছিলো।
ভোগান্তিতে পড়েছেন সিলেটের মানুষ।
পরিবহন শ্রমিকরা রাস্তায় নেমেছেন
পিকেটিংয়ে। বাধা দিচ্ছেন যান চলাচলে, যানবাহন
থেকে নামিয়ে দিচ্ছেন যাত্রীদের। ফলে
বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের
কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,
চলাচল বন্ধ রয়েছে সব ধরণের বাস, লেগুনা ও
সিএনজির। কয়েকটি যাত্রীবাহী সিএনজি
চলাচলের চেষ্টা করলেও পড়তে হচ্ছে
শ্রমিকদের পিকেটিংয়ের মুখে। পিকেটাররা
যানবাহন আটকে নামিয়ে দিচ্ছেন যাত্রীদের,
গাড়ি ভাঙার হুমকি দিচ্ছেন চালকদের।
পিকেটিং থেকে ছাড় পাচ্ছেন না বিভিন্ন শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীরাও।
তাদের নামিয়ে দেয়া হয়েছে সিএনজি
থেকে। এমনকি বৃদ্ধ, নারী ও শিশু যাত্রী
বহনকারী যানবাহনও পড়েছে পরিবহন
শ্রমিকদের বাধার মুখে। গাড়ি থেকে নেমে
হেঁটে গন্তব্যে উদ্দেশে যাত্রা করছেন
নিরুপায় যাত্রীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন মালিক
শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সিলেট বিভাগের সভাপতি
সেলিম আহমেদ ফলিক পিকেটিংয়ের বিষয়টি
অস্বীকার করে সিলেটটুডে
টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,
আমাদের শ্রমিকরা কোনো পিকেটিং করছে
না। স্বতস্ফুর্তভাবে পরিবহন ধর্মঘট পালিত
হচ্ছে।
উল্লেখ্য, তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীর
নিহতের ঘটনায় এক বাসচালকের যাবজ্জীবন
কারাদণ্ডাদেশের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৮
ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে সারাদেশে পরিবহন
ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন
শ্রমিক ফেডারেশন। সারাদেশের মতো
সিলেটেও সকাল থেকে চলছে পরিবহন
ধর্মঘট। এর আগে একই কারণে খুলনা বিভাগের
১০ জেলায় পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া
হয়েছিলো।
সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৭
শানে রিসালতকে বাধাঁগ্রস্থ করতে চাইলে সিলেটে কোন ইজমের মাহফিল করতে দেয়া হবেনা–মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী
বিশেষ প্রতিনিধি: ছাতক জালালিয়া আলিয়া মাদরাসায়
দুষ্কৃতিকারীদের বর্বরোচিত হামলা ও
ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)-এর একনিষ্ঠ
অনুসারী বাবুল আহমদকে হত্যার তীব্র
নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ
আনজুমানে আল ইসলাহ’র সভাপতি মাওলানা
হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। তিনি বলেন,
একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে মানুষ
হতাহতের ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক।
সমাধানের লক্ষ্যে বৈঠক চলাকালে
শান্তিকামী জনতার উপর অতর্কিত হামলা
কোনো সভ্য সমাজের কাজ নয়। যখন
সমাজের সর্বস্তরে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে
প্রিয়নবী (সা.)-এর সুমহান আদর্শ
বাস্তবায়নের নিমিত্তে শানে রিসালত
মহাসম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে
সে মুহূর্তে যে কুচক্রী মহল এমন নৃশংস
হামলা চালিয়েছে তাদের নিন্দা জানানোর ভাষা
আমাদের জানা নেই। যারা এহেন ধৃষ্টতাপূর্ণ
ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের অবিলম্বে
গ্রেফতার করে আইনের আওতায়
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। তিনি
বলেন, আল্লাহর রাসূলের শান ও মানের
আলোচনা করা সকল মুসলমানেরই দায়িত্ব।
কোন মুসলমান এর প্রতিপক্ষ হতে পারে
না। আমি ভেবে পাচ্ছিনা কারা এর প্রতিপক্ষ
হলো? তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে আরো
বলেন, কেউ শানে রিসালতকে বাধাঁগ্রস্থ
করতে চাইলে সিলেটে কোন ইজমের
মাহফিল করতে দেয়া হবেনা
তিনি হামলায় শাহাদতবরণকারী বাবুল আহমদের
দরজাবুলন্দি কামনা করেন এবং তার শোক
সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
পাশাপাশি আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার
নেতা-কর্মীদের ধৈর্যের সাথে
শোককে শক্তিতে পরিণত করে
শান্তিপূর্ণভাবে দায়িত্ব আনজাম দেয়ার জন্য
অনুরোধ জানান। এ ঘটনার কারণে
আন্তর্জাতিক শানে রিসালত মহাসম্মেলনের
প্রস্তুতি যাতে ব্যাহত না হয় সেদিকে লক্ষ্য
রাখারও আহবান জানান তিনি।
এদিকে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে
ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ ফখরুল
ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান আহমদ
চৌধুরী ছাতক জালালিয়া আলিয়া মাদরাসায়
বর্বরোচিত হামলা ও ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ
(র.)-এর একনিষ্ঠ অনুসারী বাবুল আহমদকে
হত্যার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ
করেছেন। নেতৃবৃন্দ শহীদ বাবুল
আহমদের দরজাবুলন্দি কামনা করেন এবং
শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর
সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তারা অবিলম্বে
দুস্কৃতিকারীদের গ্রেফতার ও কঠোর
শাস্তি দাবী করেন।
এদিকে দুষ্কৃতিকারীদের হামলায়
শাহাদাতবরণকারী বাবুল আহমদের রূহের
মাগফেরাত কামনা করে ও আহতদের দ্রুত
আরোগ্য কামনায় সোবহানীঘাটস্থ আল
ইসলাহ কার্যালয়ে এক দুআ মাহফিল অনুষ্ঠিত
হয়। এতে মুনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ
আনজুমানে আল ইসলাহ’র সভাপতি মাওলানা
হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। অন্যান্যের
মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ
আনজুমানে আল ইসলাহর মহাসচিব অধ্যক্ষ
মাওলানা একেএম মনোওর আলী, সহ-
সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা ছরওয়ারে জাহান,
সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা মঈনুল
ইসলাম পারভেজ, অর্থ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ
মাওলানা আবু ছালেহ মোঃ কুতবুল আলম,
কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাওলানা
নজমুল হুদা খান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা
মাহমুদ হাসান চৌধুরী, অফিস সম্পাদক মাওলানা
আতাউর রহমান, বাংলাদেশ আনজুমানে
তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি
মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক
রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী, সাবেক
কেন্দ্রীয় সভাপতি আজির উদ্দিন পাশা,
নজীর আহমদ হেলাল, নর্থইস্ট ইউনিভার্সিটি
বাংলাদেশ এর লেকচারার মাওলানা নোমান
আহমদ, সিলেট মহানগর আল ইসলাহর সভাপতি
আলহাজ্ব শাহজাহান মিয়া, তালামীযে ইসলামিয়ার
কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক দুলাল
আহমদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আখতার
হোসাইন জাহেদ, সহ প্রচার ও প্রকাশনা
সম্পাদক হুমায়ূনুর রহমান লেখন, অফিস
সম্পাদক মুহাম্মদ উসমান গণি, সিলেট
মহানগরী সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান
ফরহাদ প্রমুখ।
দুষ্কৃতিকারীদের বর্বরোচিত হামলা ও
ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)-এর একনিষ্ঠ
অনুসারী বাবুল আহমদকে হত্যার তীব্র
নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ
আনজুমানে আল ইসলাহ’র সভাপতি মাওলানা
হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। তিনি বলেন,
একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে মানুষ
হতাহতের ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক।
সমাধানের লক্ষ্যে বৈঠক চলাকালে
শান্তিকামী জনতার উপর অতর্কিত হামলা
কোনো সভ্য সমাজের কাজ নয়। যখন
সমাজের সর্বস্তরে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে
প্রিয়নবী (সা.)-এর সুমহান আদর্শ
বাস্তবায়নের নিমিত্তে শানে রিসালত
মহাসম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে
সে মুহূর্তে যে কুচক্রী মহল এমন নৃশংস
হামলা চালিয়েছে তাদের নিন্দা জানানোর ভাষা
আমাদের জানা নেই। যারা এহেন ধৃষ্টতাপূর্ণ
ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের অবিলম্বে
গ্রেফতার করে আইনের আওতায়
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। তিনি
বলেন, আল্লাহর রাসূলের শান ও মানের
আলোচনা করা সকল মুসলমানেরই দায়িত্ব।
কোন মুসলমান এর প্রতিপক্ষ হতে পারে
না। আমি ভেবে পাচ্ছিনা কারা এর প্রতিপক্ষ
হলো? তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে আরো
বলেন, কেউ শানে রিসালতকে বাধাঁগ্রস্থ
করতে চাইলে সিলেটে কোন ইজমের
মাহফিল করতে দেয়া হবেনা
তিনি হামলায় শাহাদতবরণকারী বাবুল আহমদের
দরজাবুলন্দি কামনা করেন এবং তার শোক
সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
পাশাপাশি আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার
নেতা-কর্মীদের ধৈর্যের সাথে
শোককে শক্তিতে পরিণত করে
শান্তিপূর্ণভাবে দায়িত্ব আনজাম দেয়ার জন্য
অনুরোধ জানান। এ ঘটনার কারণে
আন্তর্জাতিক শানে রিসালত মহাসম্মেলনের
প্রস্তুতি যাতে ব্যাহত না হয় সেদিকে লক্ষ্য
রাখারও আহবান জানান তিনি।
এদিকে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে
ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ ফখরুল
ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান আহমদ
চৌধুরী ছাতক জালালিয়া আলিয়া মাদরাসায়
বর্বরোচিত হামলা ও ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ
(র.)-এর একনিষ্ঠ অনুসারী বাবুল আহমদকে
হত্যার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ
করেছেন। নেতৃবৃন্দ শহীদ বাবুল
আহমদের দরজাবুলন্দি কামনা করেন এবং
শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর
সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তারা অবিলম্বে
দুস্কৃতিকারীদের গ্রেফতার ও কঠোর
শাস্তি দাবী করেন।
এদিকে দুষ্কৃতিকারীদের হামলায়
শাহাদাতবরণকারী বাবুল আহমদের রূহের
মাগফেরাত কামনা করে ও আহতদের দ্রুত
আরোগ্য কামনায় সোবহানীঘাটস্থ আল
ইসলাহ কার্যালয়ে এক দুআ মাহফিল অনুষ্ঠিত
হয়। এতে মুনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ
আনজুমানে আল ইসলাহ’র সভাপতি মাওলানা
হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। অন্যান্যের
মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ
আনজুমানে আল ইসলাহর মহাসচিব অধ্যক্ষ
মাওলানা একেএম মনোওর আলী, সহ-
সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা ছরওয়ারে জাহান,
সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা মঈনুল
ইসলাম পারভেজ, অর্থ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ
মাওলানা আবু ছালেহ মোঃ কুতবুল আলম,
কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাওলানা
নজমুল হুদা খান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা
মাহমুদ হাসান চৌধুরী, অফিস সম্পাদক মাওলানা
আতাউর রহমান, বাংলাদেশ আনজুমানে
তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি
মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক
রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী, সাবেক
কেন্দ্রীয় সভাপতি আজির উদ্দিন পাশা,
নজীর আহমদ হেলাল, নর্থইস্ট ইউনিভার্সিটি
বাংলাদেশ এর লেকচারার মাওলানা নোমান
আহমদ, সিলেট মহানগর আল ইসলাহর সভাপতি
আলহাজ্ব শাহজাহান মিয়া, তালামীযে ইসলামিয়ার
কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক দুলাল
আহমদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আখতার
হোসাইন জাহেদ, সহ প্রচার ও প্রকাশনা
সম্পাদক হুমায়ূনুর রহমান লেখন, অফিস
সম্পাদক মুহাম্মদ উসমান গণি, সিলেট
মহানগরী সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান
ফরহাদ প্রমুখ।
সিলেটে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শানে রিসালাত সম্মেলন সফলের লক্ষে মাইজগাও ইউনিয়ন তালামীযের প্রচার মিছিল
আন্তর্জাতিক শানে রিসালাত মহাসম্মেলন সফলের লক্ষে ফেঞ্চুগঞ্জ মাইজগাও ইউনিয়ন তালামীযের উদ্যোগে সোমবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর নয়াবাজারে এক প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলটি ফরিদপুর সুগন্ধা সেন্টার হতে নয়াবাজার প্রদক্ষিণ করে।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মাইজগাও ইউনিয়ন তালামীযের সভাপতি হাবিবুর রহমান মারুফের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ইমনের উপস্তাপনায় বক্তব্য রাখেন মাইজগাও ইউনিয়ন আল ইসলাহ সভাপতি বদরুল ইসলাম বেলাল, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা তালামীযের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান ছাদী, সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম কুদ্দুছ, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সদস্য সচিব হাবিলুর রহমান জুয়েল, মাইজগাও ইউনিয়ন সহ-সভাপতি কামরান আহমদ, আবু তাহেফ শিবলু, হাফিয জুয়েল আহমদ।
মিছিলটি ফরিদপুর সুগন্ধা সেন্টার হতে নয়াবাজার প্রদক্ষিণ করে।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মাইজগাও ইউনিয়ন তালামীযের সভাপতি হাবিবুর রহমান মারুফের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ইমনের উপস্তাপনায় বক্তব্য রাখেন মাইজগাও ইউনিয়ন আল ইসলাহ সভাপতি বদরুল ইসলাম বেলাল, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা তালামীযের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান ছাদী, সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম কুদ্দুছ, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সদস্য সচিব হাবিলুর রহমান জুয়েল, মাইজগাও ইউনিয়ন সহ-সভাপতি কামরান আহমদ, আবু তাহেফ শিবলু, হাফিয জুয়েল আহমদ।
রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৭
হাজারো মানুষের শ্রদ্ধায় চিরনিদ্রায় শায়িত যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন ব্যবসায়ী জাকির
আবু তায়েফ শিবলু: হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা আর
ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত
হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশী
কমিউনিটির পরিচিত মুখ নিউইয়র্কের
বিশিষ্ট আবাসন ব্যবসায়ী জাকির এ.
খান।
রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার
পাঠানটিলাস্থ পারিবারিক
কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে তাঁর
দাফন সম্পন্ন হয়। দাফনের পূর্বে
কাসিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে
জাকির খানের জানাজার নামাজ
অনুষ্ঠিত হয়। বিমানযোগে নিউইর্য়ক
থেকে জাকির খানের লাশবাহী কফিন
নিয়ে গতকাল রোববার সকাল ৮টায়
শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরে অবতরণ করেন জাকির
খানের কনিষ্ঠ ভ্রাতা নিয়াজ আহমদ
খান।
বিমানবন্দরে আনষ্ঠানিকতা সম্পন্ন
করে লাশবাহী অ্যাম্বুলেসযোগে
জাকির খানের মরদেহ দুপুরে সিলেটের
ফেঞ্চুগঞ্জস্থ পাঠানটিলার পাঠান
বাড়িতে নিয়ে আসলে জাকির খানের
পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজর
পাড়াপড়শীর আহাজারিতে বাতাস
ভারী হয়ে উঠে।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের
লোকজন শেষ দেখা দেখতে জাকির
খানের বাড়িতে ভিড় জমান। বাদ আছর
জাকির খানের জানাজার নামাজ
কাসিম আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের
খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার
নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা
সৈয়দ সোলায়মান আহমদ।
জানাজার নামাজে অংশ নেন সংসদ
সদস্য মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী,
সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুর
রকিব মন্টু, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক
সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরী,
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী
চেয়ারম্যান মো. শহিদুর রহমান
রোমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক,
সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের
নেতৃবৃন্দসহ কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ
মুসল্লীরা।
নামাজের পূর্বে সমবেত মুসল্লীদের
উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন- সংসদ সদস্য
মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র
প্রবাসী বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা
জুনেদ আহমদ চৌধুরী ও নিহত জাকির
খানের কনিষ্ঠ ভ্রাতা নিয়াজ আহমদ
খান। গত বুধবার মিশরীয় দুর্বৃত্তের
অতর্কিত ছুরিকাঘাতে নিহত হন
বাংলাদেশী কমিউনিটির অতি
পরিচিত মুখ বিশিষ্ট আবাসন ব্যবসায়ী
জাকির খান।
দীর্ঘ ২০ বছর ধরে আবাসন ব্যবসার
পাশাপাশি বাংলাদেশী ও
আমেরিকান কমিউনিটির সাথে তাঁর
সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিশেষ করে
নিউইয়র্কে ২৬ শে মার্চ ‘বাংলাদেশ
ডে’ ঘোষণার অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন
জাকির এ. খান। তাঁর পিতা এজাফত
আহমদ খান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট বৃত্তি
বিতরণের জন্য আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি
তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিলো।
ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত
হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশী
কমিউনিটির পরিচিত মুখ নিউইয়র্কের
বিশিষ্ট আবাসন ব্যবসায়ী জাকির এ.
খান।
রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার
পাঠানটিলাস্থ পারিবারিক
কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে তাঁর
দাফন সম্পন্ন হয়। দাফনের পূর্বে
কাসিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে
জাকির খানের জানাজার নামাজ
অনুষ্ঠিত হয়। বিমানযোগে নিউইর্য়ক
থেকে জাকির খানের লাশবাহী কফিন
নিয়ে গতকাল রোববার সকাল ৮টায়
শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরে অবতরণ করেন জাকির
খানের কনিষ্ঠ ভ্রাতা নিয়াজ আহমদ
খান।
বিমানবন্দরে আনষ্ঠানিকতা সম্পন্ন
করে লাশবাহী অ্যাম্বুলেসযোগে
জাকির খানের মরদেহ দুপুরে সিলেটের
ফেঞ্চুগঞ্জস্থ পাঠানটিলার পাঠান
বাড়িতে নিয়ে আসলে জাকির খানের
পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজর
পাড়াপড়শীর আহাজারিতে বাতাস
ভারী হয়ে উঠে।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের
লোকজন শেষ দেখা দেখতে জাকির
খানের বাড়িতে ভিড় জমান। বাদ আছর
জাকির খানের জানাজার নামাজ
কাসিম আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের
খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার
নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা
সৈয়দ সোলায়মান আহমদ।
জানাজার নামাজে অংশ নেন সংসদ
সদস্য মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী,
সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুর
রকিব মন্টু, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক
সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরী,
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী
চেয়ারম্যান মো. শহিদুর রহমান
রোমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক,
সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের
নেতৃবৃন্দসহ কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ
মুসল্লীরা।
নামাজের পূর্বে সমবেত মুসল্লীদের
উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন- সংসদ সদস্য
মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র
প্রবাসী বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা
জুনেদ আহমদ চৌধুরী ও নিহত জাকির
খানের কনিষ্ঠ ভ্রাতা নিয়াজ আহমদ
খান। গত বুধবার মিশরীয় দুর্বৃত্তের
অতর্কিত ছুরিকাঘাতে নিহত হন
বাংলাদেশী কমিউনিটির অতি
পরিচিত মুখ বিশিষ্ট আবাসন ব্যবসায়ী
জাকির খান।
দীর্ঘ ২০ বছর ধরে আবাসন ব্যবসার
পাশাপাশি বাংলাদেশী ও
আমেরিকান কমিউনিটির সাথে তাঁর
সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিশেষ করে
নিউইয়র্কে ২৬ শে মার্চ ‘বাংলাদেশ
ডে’ ঘোষণার অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন
জাকির এ. খান। তাঁর পিতা এজাফত
আহমদ খান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট বৃত্তি
বিতরণের জন্য আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি
তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিলো।
শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৭
ইসলামবাগে অগ্নিকাণ্ড, তিন জনের মরদেহ উদ্ধার
পুরান ঢাকার ইসলামবাগে একটি
টিনশেডের বাড়িটিতে আগুনের ঘটনায়
একই পরিবারের তিন জনের মরদেহ উদ্ধার
করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে
৮টায় শামীম, সীমা ও সালেহা নামে
তিন জনের মরদেহ ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার
করা হয়। শনিবার বিকালে
অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলে সন্ধ্যা ৬টার
দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার
সার্ভিস কর্মীরা। তখন থেকেই তাদের
সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। শামীম ওই
বাড়ির নিচে প্লাস্টিক কারখানায় কাজ
করতেন।
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের
পরিদর্শক বেলাল হোসেন বলেন, একটি
প্লাস্টিক কারখানায় শনিবার বিকাল
৪টা ২৫ মিনিটের দিকে আগুন লাগে। খবর
পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট
চেষ্টা চালিয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে আগুন
নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ওই আগুনের
ঘটনায় তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। তবে
আগুনের সূত্রপাত কীভাবে তা জানাতে
পারেননি এই কর্মকর্তা।
শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৭
গ্যাসের মুল্যবৃদ্ধি : সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল
(মার্কসবাদী) সিলেট জেলা
শাখার উদ্যোগে গ্যাসের
মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ
মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার বিকাল ৫টায় সিলেট
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে
মিছিলটি শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন
সড়ক প্রদক্ষিন করে সিটি পয়েন্টে
সমাবেশে মিলিত হয়।
বাসদ(মার্কসবাদী) সিলেট জেলার
আহবায়ক কমরেড উজ্জ্বল রায়ের
সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য
রাখেন পার্টি জেলার সদস্য
সুশান্ত সিনহা সুমন, বাংলাদেশ
শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন
সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক
মোখলেছুর রহমান প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনমত
উপেক্ষা করে স্বেচ্ছাচারী
কায়দায় গ্যাসের দাম একধাক্কায়
২২.৭% বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে
আওয়ামী লীগ সরকার, আবাসিক
খাতে মূল্যবৃদ্ধির পরিমাণ ৫০%-এর
বেশি। সরকারী তথ্যেই দেখা যায়,
সবগুলো গ্যাস সরবরাহকারী
প্রতিষ্ঠানই প্রতিবছর লাভ করছে,
কোনটিই লোকসানি নেই।
পেট্রোবাংলার অধিভুক্ত কো
¤পানিগুলো থেকে সরকার প্রায়
৬০০০ কোটি টাকা কর-লভ্যাংশ-
রয়্যালটি বাবদ পেয়েছে গত ২০১৫-১৬
অর্থবছরে। এরপরও পেট্রোবাংলার
নীট মুনাফা ১২৬৯ কোটি টাকার
বেশি। ফলে এই অবস্থায় গ্যাসের
মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক।
অন্যদিকে, গ্যাসের দামের ৮১%
অর্থই যায় সরকারের কোষাগারে,
যার মধ্যে আছে সমপূরক শুল্ক ৪০%-
ভ্যাট ১৫%-অগ্রিম আয়কর-সম্পদ মূল্য-
ডিভিডেন্ড-গ্যাস উন্নয়ন তহবিল
ইত্যাদি। এ বিপুল পরিমাণ কর-শুল্ক
কিছুটা কমালেই স্বল্পমূল্যে গ্যাস
দেয়া সম্ভব।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ২০১৫ সালের
সেপ্টেম্বর মাসেই গ্যাসের দাম
২৬.২৯% বাড়ানো হয়েছে। সরকার
চায় বাসা-বাড়িতে পাইপলাইনে
গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিতে।
এজন্য একদিকে গ্যাসের দাম
বাড়িয়ে এলপিজি সিলিন্ডারের
সমান করা হচ্ছে, অন্যদিকে
গ্যাসের চাপ কমিয়ে দিয়ে
মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা
হচ্ছে। সরকার উন্নয়নের নামে
হাজার হাজার কোটি টাকার
দুর্নীতির পাহাড় গড়ছে,
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে অর্থ লোপাট
হচ্ছে, এইসব লুণ্ঠন আর অপচয়ের
তহবিল জোগাতেই গ্যাসের মূল্য
দফায় দফায় বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এতে
জনজীবনের দুর্ভোগ আরো বাড়বে,
বাড়বে সার-শিল্প পণ্যের দাম-
নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য-
গণপরিবহণের ভাড়া ইত্যাদি।
নেতৃবৃন্দ গ্যাসের বর্ধিত মূল্য
অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি
জানান এবং সরকারের এই অনৈতিক
সিদ্ধান্তের বিরোদ্ধে তীব্র
আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান
জানান।
(মার্কসবাদী) সিলেট জেলা
শাখার উদ্যোগে গ্যাসের
মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ
মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার বিকাল ৫টায় সিলেট
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে
মিছিলটি শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন
সড়ক প্রদক্ষিন করে সিটি পয়েন্টে
সমাবেশে মিলিত হয়।
বাসদ(মার্কসবাদী) সিলেট জেলার
আহবায়ক কমরেড উজ্জ্বল রায়ের
সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য
রাখেন পার্টি জেলার সদস্য
সুশান্ত সিনহা সুমন, বাংলাদেশ
শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন
সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক
মোখলেছুর রহমান প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনমত
উপেক্ষা করে স্বেচ্ছাচারী
কায়দায় গ্যাসের দাম একধাক্কায়
২২.৭% বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে
আওয়ামী লীগ সরকার, আবাসিক
খাতে মূল্যবৃদ্ধির পরিমাণ ৫০%-এর
বেশি। সরকারী তথ্যেই দেখা যায়,
সবগুলো গ্যাস সরবরাহকারী
প্রতিষ্ঠানই প্রতিবছর লাভ করছে,
কোনটিই লোকসানি নেই।
পেট্রোবাংলার অধিভুক্ত কো
¤পানিগুলো থেকে সরকার প্রায়
৬০০০ কোটি টাকা কর-লভ্যাংশ-
রয়্যালটি বাবদ পেয়েছে গত ২০১৫-১৬
অর্থবছরে। এরপরও পেট্রোবাংলার
নীট মুনাফা ১২৬৯ কোটি টাকার
বেশি। ফলে এই অবস্থায় গ্যাসের
মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক।
অন্যদিকে, গ্যাসের দামের ৮১%
অর্থই যায় সরকারের কোষাগারে,
যার মধ্যে আছে সমপূরক শুল্ক ৪০%-
ভ্যাট ১৫%-অগ্রিম আয়কর-সম্পদ মূল্য-
ডিভিডেন্ড-গ্যাস উন্নয়ন তহবিল
ইত্যাদি। এ বিপুল পরিমাণ কর-শুল্ক
কিছুটা কমালেই স্বল্পমূল্যে গ্যাস
দেয়া সম্ভব।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ২০১৫ সালের
সেপ্টেম্বর মাসেই গ্যাসের দাম
২৬.২৯% বাড়ানো হয়েছে। সরকার
চায় বাসা-বাড়িতে পাইপলাইনে
গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিতে।
এজন্য একদিকে গ্যাসের দাম
বাড়িয়ে এলপিজি সিলিন্ডারের
সমান করা হচ্ছে, অন্যদিকে
গ্যাসের চাপ কমিয়ে দিয়ে
মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা
হচ্ছে। সরকার উন্নয়নের নামে
হাজার হাজার কোটি টাকার
দুর্নীতির পাহাড় গড়ছে,
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে অর্থ লোপাট
হচ্ছে, এইসব লুণ্ঠন আর অপচয়ের
তহবিল জোগাতেই গ্যাসের মূল্য
দফায় দফায় বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এতে
জনজীবনের দুর্ভোগ আরো বাড়বে,
বাড়বে সার-শিল্প পণ্যের দাম-
নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য-
গণপরিবহণের ভাড়া ইত্যাদি।
নেতৃবৃন্দ গ্যাসের বর্ধিত মূল্য
অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি
জানান এবং সরকারের এই অনৈতিক
সিদ্ধান্তের বিরোদ্ধে তীব্র
আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান
জানান।
বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর গ্রাম সিলেটে!
সিলেট
অঞ্চলটাকে যেন প্রকৃতি
উদার হাতে ঢেলে দিয়েছে সব সৌন্দর্য,
উজাড় করে দিয়েছে নিজেকে।
ক্রমবর্ধমান মানুষের চাপেও সেই
সৌন্দর্য প্রায় অক্ষতই আছে এখনও, আর
সেই অপরূপ সৌন্দর্যের মাঝে অনন্য
সৃষ্টির একটি পান-থু-মাই গ্রাম, যাকে
বলা হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর
গ্রাম। প্রতিবছরই এর অপরূপ সৌন্দর্য
দেখতে পান-থু-মাই গ্রামে আগমন ঘটে
দেশি-বিদেশি বহু পর্যটকদের আর পান-থু-
মাই-এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হলো এই
‘মায়াবতী ঝরনা’।
তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, ঝরনাটা
বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে
পড়েনি, আমরা শুধু ওটাকে দূর থেকেই
দেখতে পারি, কাছে যেতে পারি না।
পান-থু-মাই যাবার সেরা সময় যদিও
বর্ষাকাল, তারপরেও সারা বছরই যাওয়া
যায়। আর ঝরনা দেখলেই আপনি বুঝতে
পারবেন মায়াবতী নামটি কতখানি
সার্থক হয়েছে। মেঘালয় রাজ্যের সারি
সারি পাহাড়, ঝরনা, ঝরনা থেকে বয়ে
আসা পানির স্রোত ধারা, আর সেই
স্রোতধারা থেকে সৃষ্টি হওয়া ‘পিয়াইন
নদী’ আসলেই অসাধারণ। এ কারণেই হয়ত
বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর গ্রাম বলা
হয় পান-থু-মাইকে।
এই পিয়াইন নদীতে সাঁতার না কাটলে,
নিদেন পক্ষে ডুব না দিলে আপনার
যাওয়াটাই বৃথা মনে হতে পারে! ছবি
তোলার জন্য অসাধারণ জায়গা হতে
পারে এটা। নদী, পাহাড়, পাথর আর
স্রোত, সব কিছু মিলিয়ে সৌন্দর্যের এক
অসাধারণ সমন্বয় হয়েছে এখানে।
কোথায়: সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট
থানার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নে
অবস্থিত পান-থু-মাই গ্রামটি। কেউ যেন
ভাববেন না যে এটা জাফলং এর
কাছাকাছি। জাফলং থেকে এটার দূরত্ব
প্রায় ২৫ কিলোমিটার, আর সিলেট শহর
থেকে দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার।
কীভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে সিলেট
আসার জন্য গ্রিন-লাইন, শ্যামলী,
হানিফ, টি আর, সোহাগ, এনা পরিবহনসহ
আরও বাস পাবেন। সিলেটের আম্বরখানা
পয়েন্ট থেকে সিএনজি বা ট্যাক্সি নিয়ে
গোয়াইনঘাট এর মাতর-তুল এ যাবেন।
জাফলং দিয়ে না গিয়ে সিলেটের
এয়ারপোর্ট রোড দিয়ে সালুটিকর হয়ে
গেলে দূরত্ব কম পড়বে। আম্বরখানা
পয়েন্ট থেকে ভাড়া পড়তে পারে ৬০০
টাকা ৭০০ টাকা (রিজার্ভ), সেখান
থেকে মাত্র ২ কি.মি পরেই এই পান-থু-
মাই। সেটুকু রাস্তা হেঁটে গেলে বরং
বেশি উপভোগ করতে পারবেন। এখানে
বেশকিছু খাবারের রেস্তোরাঁ আছে।
আপনি চাইলে সিলেট থেকে খাবার
নিয়েও যেতে পারেন। ঘোরার সময় যদি
প্রকৃতি সুরক্ষার দিকে নজর দেই আমরা
তাহলে এই প্রকৃতি আরও অনেক অনেক দিন
আমাদের পাশেই থেকে যাবে ঠিক
এভাবেই।
অঞ্চলটাকে যেন প্রকৃতি
উদার হাতে ঢেলে দিয়েছে সব সৌন্দর্য,
উজাড় করে দিয়েছে নিজেকে।
ক্রমবর্ধমান মানুষের চাপেও সেই
সৌন্দর্য প্রায় অক্ষতই আছে এখনও, আর
সেই অপরূপ সৌন্দর্যের মাঝে অনন্য
সৃষ্টির একটি পান-থু-মাই গ্রাম, যাকে
বলা হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর
গ্রাম। প্রতিবছরই এর অপরূপ সৌন্দর্য
দেখতে পান-থু-মাই গ্রামে আগমন ঘটে
দেশি-বিদেশি বহু পর্যটকদের আর পান-থু-
মাই-এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হলো এই
‘মায়াবতী ঝরনা’।
তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, ঝরনাটা
বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে
পড়েনি, আমরা শুধু ওটাকে দূর থেকেই
দেখতে পারি, কাছে যেতে পারি না।
পান-থু-মাই যাবার সেরা সময় যদিও
বর্ষাকাল, তারপরেও সারা বছরই যাওয়া
যায়। আর ঝরনা দেখলেই আপনি বুঝতে
পারবেন মায়াবতী নামটি কতখানি
সার্থক হয়েছে। মেঘালয় রাজ্যের সারি
সারি পাহাড়, ঝরনা, ঝরনা থেকে বয়ে
আসা পানির স্রোত ধারা, আর সেই
স্রোতধারা থেকে সৃষ্টি হওয়া ‘পিয়াইন
নদী’ আসলেই অসাধারণ। এ কারণেই হয়ত
বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর গ্রাম বলা
হয় পান-থু-মাইকে।
এই পিয়াইন নদীতে সাঁতার না কাটলে,
নিদেন পক্ষে ডুব না দিলে আপনার
যাওয়াটাই বৃথা মনে হতে পারে! ছবি
তোলার জন্য অসাধারণ জায়গা হতে
পারে এটা। নদী, পাহাড়, পাথর আর
স্রোত, সব কিছু মিলিয়ে সৌন্দর্যের এক
অসাধারণ সমন্বয় হয়েছে এখানে।
কোথায়: সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট
থানার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নে
অবস্থিত পান-থু-মাই গ্রামটি। কেউ যেন
ভাববেন না যে এটা জাফলং এর
কাছাকাছি। জাফলং থেকে এটার দূরত্ব
প্রায় ২৫ কিলোমিটার, আর সিলেট শহর
থেকে দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার।
কীভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে সিলেট
আসার জন্য গ্রিন-লাইন, শ্যামলী,
হানিফ, টি আর, সোহাগ, এনা পরিবহনসহ
আরও বাস পাবেন। সিলেটের আম্বরখানা
পয়েন্ট থেকে সিএনজি বা ট্যাক্সি নিয়ে
গোয়াইনঘাট এর মাতর-তুল এ যাবেন।
জাফলং দিয়ে না গিয়ে সিলেটের
এয়ারপোর্ট রোড দিয়ে সালুটিকর হয়ে
গেলে দূরত্ব কম পড়বে। আম্বরখানা
পয়েন্ট থেকে ভাড়া পড়তে পারে ৬০০
টাকা ৭০০ টাকা (রিজার্ভ), সেখান
থেকে মাত্র ২ কি.মি পরেই এই পান-থু-
মাই। সেটুকু রাস্তা হেঁটে গেলে বরং
বেশি উপভোগ করতে পারবেন। এখানে
বেশকিছু খাবারের রেস্তোরাঁ আছে।
আপনি চাইলে সিলেট থেকে খাবার
নিয়েও যেতে পারেন। ঘোরার সময় যদি
প্রকৃতি সুরক্ষার দিকে নজর দেই আমরা
তাহলে এই প্রকৃতি আরও অনেক অনেক দিন
আমাদের পাশেই থেকে যাবে ঠিক
এভাবেই।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


















