শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৭

অবৈধ পথে ভারত থেকে দেশে ফেরার সময় আটক ৩৬


অবৈধ পথে ভারত থেকে দেশে ফেরার
সময় বেনাপোল সীমান্ত থেকে নারী,
পুরুষ ও শিশুসহ ৩৬ বাংলাদেশিকে আটক
করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)
সদস্যরা।
শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে
বেনাপোলের দৌলতপুর মাঠ থেকে ২১
ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে।
আটক বাংলাদেশিদের মধ্যে ২৩ পুরুষ, ৭ নারী
ও ৬ শিশু রয়েছে। তাদের বাড়ি বাগেরহাট,
সাতক্ষীরা ও নড়াইল জেলার বিভিন্ন এলাকায়।
দৌলতপুর বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার আব্দুস
ছামাদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে
পারি, অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারত
থেকে বেশকিছু নারী-পুরুষ বাংলাদেশে
প্রবেশ করছে, এমন সময় সেখানে অভিযান
চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় কৌশলে
পালিয়ে যান পাচারকারীরা।
বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক
(এসআই) আশরাফ জানান, আটক ব্যক্তিদের
বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে
মামলা দায়ের দিয়ে দুপুরে তাদের যশোর
আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৭

বিশিষ্ট আলিমে দ্বীন আল্লামা রাঘবপুরী ছাহেবের ইন্তেকাল, সর্বত্র শোকের ছায়া,

ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি
রাজিউন...........................
বিশিষ্ট আলিমে দ্বীন আল্লামা রাঘবপুরী
ছাহেবের ইন্তেকাল, সর্বত্র শোকের ছায়া,

বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মাওলানা ছদর উদ্দিন
রাঘবপুরী সাহেব আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার
ভোর ৫ ঘটিকার সময় সিলেটস্থ মাউন্ট এডোরা
হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।মৃত্যুকালে তার
বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।তিনি ২ স্ত্রী ৭ছেলে
২মেয়ে সহ অসংখ্য ভক্ত মুরিদান ও গুনগ্রাহী
রেখে গেছেন ।আজ বাদ আছর তিনির বাড়ি সংলগ্ন
উত্তর মাঠে জানাজার নামাজ অনুষ্টিত হবে।

বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৭

পাকিস্তান সুপার লীগে প্রথম ম্যাচেই আলো ছড়িয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ


স্পোর্টস ডেস্কঃ পাকিস্তান সুপার
লীগের দল কোয়েটা
গ্লাডিয়েটর্সের হয়ে প্রথম ম্যাচেই
আলো ছড়িয়েছেন বাংলাদেশের
অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ । ২০ বলে
২টি চার ও একটি ছয়ে ২৯ রানের এক
বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন তিনি। তবুও
তার দল হেরেছে ৫উইকেটের
ব্যবধানে। প্রথমে ব্যাট করে ৬
উইকেট হারিয়ে মাহমুদুল্লার দল
কোয়েটা তুলে ১৪৮ রান। জবাবে সাম
বিলিংসের ৭৮ রানের ইনিংসে সহজ জয়
তুলে নেয় ইসলামাবাদ ইউনাইটেড।
ভারতের বিপক্ষে টেস্টের কারণে
পিএসএলের শুরু থেকে থাকতে
পারেননি মাহমুদউল্লাহ।তাই টেস্ট শেষ
করেই দুবাইতে গিয়েছেন তিনি। যোগ
দিয়েছেন কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্স
শিবিরে।

শুভ জন্মদিন বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম

আবু তায়েফ শিবলু:
সঙ্গীত


সাধক ও বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল
করিমের জন্মদিন আজ। সুনামগঞ্জের দিরাই
উপজেলার ধলআশ্রম গ্রামে ১৯১৬ সালের ১৫
ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন বাংলা বাউল গানের
এই জীবন্ত কিংবদন্তী।
হাওর অঞ্চল বলে খ্যাত সুনামগঞ্জে কালনীর
তীরে বেড়ে ওঠা এই বাউল সাধক আজীবন
গানে গানে বলে গেছেন বাংলাদেশ, বাঙালি
আর অসাম্প্রদায়িক সমাজ নির্মাণের কথা। ভাটি
অঞ্চলের মানুষের জীবনের সুখ-দুঃখ,
প্রেম-ভালোবাসার পাশাপাশি তার গান কথা
বলেছে সকল অন্যায়, অবিচার, কুসংস্কার আর
সাম্প্রদায়িকতার বিরূদ্ধে। শাহ আব্দুল করিমের গান
ভাটি অঞ্চলে জনপ্রিয় হলেও দেশের
শহরাঞ্চলের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায় মাত্র
কয়েক বছর আগে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায়
দেড় সহস্রাধিক গান লিখেছেন তিনি।
দারিদ্রতা ও জীবন সংগ্রামের মাঝে বড় হওয়া
বাউল শাহ আবদুল করিমের সঙ্গীত সাধনার শুরু
ছেলেবেলা থেকেই। বাউল সম্রাটকে
গানের প্রেরণা দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী
আফতাবুন্নেসা। তিনি তাকে আদর করে
ডাকতেন ‘সরলা’। পাশাপাশি তিনি তাঁর গানের
অনুপ্রেরনা পেয়েছেন প্রখ্যাত বাউল সাধক
ফকির লালন শাহ, পুঞ্জু শাহ এবং দুদ্দু শাহ এর দর্শন
থেকেও।
যদিও দারিদ্রতা তাঁকে বাধ্য করে কৃষিকাজে তাঁর
শ্রম ব্যয় করতে, কিন্তু কোন কিছু তাঁকে গান
সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি। তিনি
আধ্যাত্মিক ও বাউল গানের দীক্ষা লাভ করেন
কামাল উদ্দীন, সাধক রশীদ উদ্দীন, শাহ
ইব্রাহীম মাস্তান বকশ এর কাছ থেকে।
শরীয়তী, মারফতি, নবুয়ত, বেলায়া সহ সব
ধরণের বাউল গান এবং গানের অন্যান্য শাখার চর্চাও
করেছেন তিনি।
বাউল শাহ আবদুল করিমের লেখা গান নিয়ে এ
পর্যন্ত ৬টি গানের বই প্রকাশিত হয়েছে।
বইগুলো হলো- আফতাব সঙ্গীত (১৯৪৮),
গণসঙ্গীত (১৯৫৭), কালনীর ঢেউ (১৯৮১),
ধলমেলা (১৯৯০), ভাটির চিঠি (১৯৯৮), কালনীর
কূলে (২০০১) ও শাহ আবদুল করিম রচনাসমগ্র
(২০০৯)। এছাড়া বাংলা একাডেমির উদ্যোগে তাঁর
১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে।
বাউল শাহ আব্দুল করিম ২০০১ সালে একুশে পদক
লাভ করেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় পেয়েছেন
লেবাক এ্যাওয়ার্ড (২০০৩), মেরিল-প্রথম
আলো আজীবন সম্মাননা পুরস্কার (২০০৪),
সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস
আজীবন সম্মাননা (২০০৫), বাংলাদেশ জাতিসংঘ
সমিতি সম্মাননা (২০০৬), খান বাহাদুর এহিয়া পদক
(২০০৮), বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী সম্মাননা
(২০০৮), হাতিল এ্যাওয়ার্ড (২০০৯), এনসিসি ব্যাংক এনএ
সম্মাননা (২০০৯) ও কথা সাহিত্যিক আবদুর রউফ চৌধুরি
পদক (২০০০)।
বাউল সাধক শাহ আবদুল করিম জীবনের একটি বড়
অংশ লড়াই করেছেন দারিদ্রতার সাথে। বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময় তাঁর সাহায্যার্থে এগিয়ে
এলেও তা যথেষ্ঠ ছিল না। ২০০৬ সালে 'সাউন্ড
মেশিন' নামের একটি অডিও প্রকাশনা সংস্থা তাঁর
সম্মানে ‘জীবন্ত কিংবদন্তীঃ বাউল শাহ আবদুল
করিম’ নামে বিভিন্ন শিল্পীর গাওয়া তাঁর জনপ্রিয়
১২টি গানের একটি অ্যালবাম প্রকাশ করে। এই
অ্যালবামের বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থ তাঁর
বার্ধক্যজনিত রোগের চিকিৎসার জন্য তাঁর
পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৭টা
৫৮ মিনিটে সিলেটের একটি ক্লিনিকে শেষ
নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মহান এই বাউল সম্রাট।

“২ ও ৩ মার্চ আলিয়া মাঠে সিলেটের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে”


সিলেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বড়
ধর্মীয় সমাবেশ সিলেট সরকারি আলিয়া
মাঠে আগামী ২ ও ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত
হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন
বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র
সভাপতি ও আন্তর্জাতিক শানে রিসালত
মহাসম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক
আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী।
তিনি গত রোববার নগরীর একটি অভিজাত
হোটেলের হলরুমে আন্তর্জাতিক
শানে রিসালত মহাসম্মেলন সফলের
লক্ষ্যে সিলেটের প্রিন্ট ও
ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দের সাথে
মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন-
শানে রিসালত মহাসম্মেলন বাস্তবায়ন
কমিটির সদস্য সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আহমদ হাসান
চৌধুরী।
সম্মেলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন-
“বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারী প্রিয়নবী
হযরত মুহাম্মদ (সা.) সর্বকালের
সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ মহামানব। তাঁর
জীবন ও কর্ম গোটা মানবজাতির জন্য
অনুসরণীয়-অনুকরণীয়। ধর্ম-বর্ণ
নির্বিশেষে সকল কালের সকল মানুষের
জন্য তাঁর সুমহান চরিত্র সর্বোত্তম
চরিত্রের নমুনা। তাঁর আদর্শ অনুসরণে
একসময় সারা দুনিয়ায় সাম্য, শান্তি ও ন্যায়-
ইনসাফের ফল্গুধারা প্রবাহিত হয়েছিল।
আজ তাঁর আদর্শ থেকে বিচ্যুতির কারণে
দিকে দিকে বিরাজ করছে অন্যায়, অনাচার,
অশান্তি আর বিশৃঙ্খলা। এমনি পরিস্থিতিতে
প্রকৃত শান্তি ও মুক্তি খুঁজে পেতে
হলে আমাদের আবারো মহানবী (সা.)-
এর আদর্শের দিকে প্রত্যাবর্তন করা
আবশ্যক। একই লক্ষ্যে দুনিয়ার মানুষের
সামনে তাঁর সার্বজনীন আদর্শকে
ব্যাপকভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। এ
উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আগামী
২ ও ৩ মার্চ সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা
মাঠে ‘আন্তর্জাতিক শানে রিসালত
মহাসম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।” এ
সম্মেলনের সাথে ২০০৪ সালে হযরত
আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)-এর
আহবানে আয়োজিত আন্তর্জাতিক
শানে রিসালত মহাসম্মেলনের
যোগসূত্র তুলে ধরে লিখিত বক্তব্যে
বলা হয়, ২ ও ৩ মার্চের মহাসম্মেলনে
দেশবরেণ্য উলামা-মাশায়িখ ও শিক্ষাবিদগণ
ছাড়াও সৌদি আরব, মিশর, বাহরাইন ও ভারতসহ
বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান পীর-মাশায়িখ ও
ইসলামী চিন্তাবিদগণ উপস্থিত হবেন।
সেখানে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম
ঘটবে এমন প্রত্যাশা করে তিনি
সম্মেলন সফল করতে সিলেটের
প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,
ব্যবসায়ীবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক
মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, পরিবহন মালিক ও
শ্রমিকবৃন্দসহ সর্বস্তরের
সিলেটবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা
করেন।
আনজুমানে আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয়
সদস্য হাফিয নজীর আহমদ এর পরিচালনায়
সভায় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ
আনজুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব
অধ্যক্ষ মাওলানা একেএম মনোওর
আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা
মঈনুল ইসলাম পারভেজ, তালামীযে
ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ
ফখরুল ইসলাম, আনজুমানে আল ইসলাহর
কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ
মাওলানা আবু ছালেহ মোঃ কুতবুল আলম,
শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাওলানা নজমুল
হুদা খান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা
মাহমুদ হাসান চৌধুরী, তালামীযে
ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুহা.
শরীফ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান
আহমদ চৌধুরী, সাবেক কেন্দ্রীয়
সভাপতি মাওলানা আজির উদ্দীন পাশা, মাওলানা
বেলাল আহমদ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক
সম্পাদক মুহিবুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা
সম্পাদক আখতার হোসাইন জাহেদ,
আনজুমানে আল ইসলাহ’র সিলেট জেলা
সহ-সভাপতি হাফিয তরীকুল ইসলাম
তোফা, মহানগরী সহ-সাধারণ সম্পাদক
মাওলানা আব্দুস সবুর, তালামীযে
ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও
প্রকাশনা সম্পাদক হুমায়ূনুর রহমান লেখন,
অফিস সম্পাদক মুহাম্মদ উসমান গণি, সিলেট
জেলা আল ইসলাহ’র সাংগঠনিক সম্পাদক
মাওলানা হারুনুর রশিদ, মহানগরী সহ-সাংগঠনিক
সম্পাদক মাওলানা সৈয়দ কুতবুল আলম,
তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয়
সদস্য সৈয়দ আহমদ আল জামিল, মো.
তৌরিছ আলী, সোহাইল আহমদ তালুকদার,
সিলেট পূর্ব জেলা সভাপতি সাইফুর রহমান
শিপু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালিক রুহিল
শাহ, সিলেট পশ্চিম জেলা সাধারণ সম্পাদক
জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, এমসি কলেজ
সভাপতি আহমদ শরীফ প্রমুখ।

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৭

মাদ্রিদ আল-ইসলাহ'র সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আতিকুর রহমান ফেঞ্চুগঞ্জে সংবর্ধিত



মঙ্গলবার: বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ স্পেন মাদ্রিদ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট এম সি কলেজ শাখার সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা আতিকুর রহমানকে মঙ্গলবার বিকেলে সংবর্ধনা প্রদান করেছে ফেঞ্চুগঞ্জ মাইজগাও ইউনিয়ন তালামীয। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্তিত ছিলেন সংগঠনের সিলেট (পূর্ব) জেলা সহ-প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন বাবু, মাইজগাও ইউনিয়ন আল ইসলাহ সভাপতি বদরুল ইসলাম বেলাল, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা তালামীযের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান উদ্দীন ছাদী, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সদস্য সচিব হাবিলুর রহমান জুয়েল।
অনুষ্ঠানে মাইজগাও ইউনিয়ন তালামীযের সভাপতি হাবিবুর রহমান মারুফের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এনামুল হক ইমনের উপস্তাপনায় বক্তব্য রাখেন অর্থ সম্পাদক আবু তাহেফ শিবলু, সহ-অফিস সম্পাদক ছাব্বির আহমদ, মিজানুর রহমান, জালাল উদ্দিন, লিমন আহমদ, মাহেদুল ইসলাম, প্রমুখ।

মার্চে ওসমানী থেকে চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট


আগামী মার্চে ওসমানী বিমানবন্দর
থেকে চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।
আন্তর্জাতিক ঘোষণার প্রায় ১৮ বছর পর
১৮ মার্চ থেকে এই বিমানবন্দর হতে
ফ্লাই দুবাই’র ফ্লাইট চালু হবে বলে
জানিয়েছেন সংশ্লিস্টরা।
১৯৯৮ সালের ২০ ডিসেম্বর ওসমানী
বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর হিসেবে উন্নীত করা হয়।
ফ্লাই দুবাই’র সিলেটের স্টেশন
ম্যানেজার মাসুম মিয়া বলেন, আগামী
১৮ মার্চ হতে আমরা সিলেট থেকে
সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছি।
প্রথম তিন মাস ওসমানী থেকে সপ্তাহে
পাঁচদিন দুবাই, কাতার, সৌদি আরবসহ
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ফ্লাইট
পরিচালিত হবে। তিন মাস পর সপ্তাহে
সাতদিনই ফ্লাইট থাকবে। ফ্লাই দুবায়ের
মাধ্যমে ওসমানীতে প্রথমবারের মতো
বিদেশী উড়োজাহাজও অবতরণ করতে
যাচ্ছে।
এরআগে ২০১৫ সালের ১ মে ওসমানী
বিমানবন্দরে অবরতরণ করে ফ্লাই দুবাই।
কিন্তু গ্রাউন্ড সার্ভিস না পাওয়ায় ১ মে
যাত্রী নিয়ে উড়াল দেওয়ার পর আর
ওসমানীতে অবতরণ করেনি এই বিদেশী
উড়োজাহাজ।
তবে এবার সব জটিলতার অবসান করে
ফ্লাইট চালু করা হচ্ছে বলে জানান মাসুম
মিয়া। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সিভিল
এভিয়েশনের ছাড়পত্র পাওয়া গেছে।
ফ্লাই দুবাই সিলেট ওসমানী
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রিজেন্ট
এয়ারওয়েজের গ্রাউন্ড সার্ভিস নেবে।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা যায়,
সিলেট এম এ জি ওসমানী অন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের
ফ্লাইট ‘গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে’র অনুমতি
রয়েছে। ফ্লাই দুবাই তাদের কাছ থেকে
অনুমতি নিয়ে গত বছর ফ্লাইট অপারেট শুরু
করে। কিন্তু এতে বেঁকে বসে বিমান
কর্তৃপক্ষ। বিমানের কাছ থেকে গ্রাউন্ড
হ্যান্ডেলিংয়ের অনুমতি না নেওয়ায় বন্ধ
হয়ে যায় ফ্লাই দুবাই’র ফ্লাইট।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, সিলেট
বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ৬-৭শ’ জন
প্রবাসী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে
যাতায়াত করেন। কোনো বিকল্প না
থাকায় বিমানের ফ্লাইটের উপরই তাদের
নির্ভর করতে হয়।
ওসমানী বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা
জানান, কেবল ফ্লাই দুবাই-ই নয়, এয়ার
এরাবিয়া, জেট এয়ারসহ কয়েকটি
বিদেশি কোম্পানি সিলেট থেকে
সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রক্রিয়া
চালাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা
জানিয়েছেন। প্রবাসীবহুল অঞ্চল হওয়ায়
সিলেটে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রী
রয়েছেন। তাই বিদেশী এয়ারওয়েজ
প্রতিষ্ঠানগুলো সিলেটে আসতে আগ্রহী।
সিলেট অঞ্চলের প্রায় ৫০ লাখ প্রবাসী
যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্যসহ
বিভিন্ন দেশে বসবাস করেন। ওসমানী
বিমানবন্দর থেকে সরাসরি
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট না থাকায় দূর্ভোগ
পোহাতে হয় তাদের। আন্তর্জাতিক
ফ্লাইট চালুর জন্য তারা দীর্ঘদিন
থেকেই দাবি জানিয়ে আসছেন।
এরআগে ওসমানী থেকে বাংলাদেশ
বিমানের সিলেট-যুক্তরাজ্যে হিথ্রো
বিমানবন্দরে সরাসরি ফ্লাইট চালু চলেও
২০১৪ সালে কুয়াশার অজুহাত দেখিয়ে
বিমানও সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়।
প্রবাসীদের দাবির মুখে ২০১৫ সালে
প্রায় ৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে ওসমানী
বিমানবন্দরে স্থাপিত হয় রিফুয়েলিং
স্টেশন। গত বছর থেকে এই রিফুয়েলিং
স্টেশন চালু হয়। কিন্তু আন্তর্জাতিক
ফ্লাইট না থাকায় এই স্টেশনের
জ্বালানি বিক্রি হচ্ছে না। ফলে চালুর
পর থেকেই লোকসানে ওসমানীর
রিফুয়েলিং স্টেশন।
এদিকে, রানওয়েসহ বিমানবন্দরের
সংস্কার হলে ওসমানী বিমানবন্দরে
আগামীতে নিয়মিতই আন্তর্জাতিক
ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে বলে মনে
করেন এই বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক
হাফিজ আহমদ।
তিনি জানান, ওসমানী বিমানবন্দরের
বিদ্যমান রানওয়ে ও টেক্সিওয়ে
শক্তিশালী করণের মাধ্যমে ওয়াইড বডি
বোয়িং ৭৭৭ মডেলের বিমানসহ অন্যান্য
ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ৪৫২ কোটি
টাকার প্রকল্প একনেকে অনুমোদন দেওয়া
হয়েছে। এখন কাজ শুরুর জন্য পরবর্তী
পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৭

বসন্ত এসে গেছে ...


নিজস্ব প্রতিবেদক:
আজ পহেলা ফাল্গুন। আগুনরাঙা বসন্তের
প্রথম দিন। প্রকৃতি আজ খুলে দেবে দখিন
দুয়ার। সে দুয়ারে বইবে ফাগুনের হাওয়া।
বসন্তের আগমনে কোকিল গাইবে গান,
ভ্রমর করবে খেলা। গাছে গাছে থাকবে
পলাশ আর শিমুলের মেলা। প্রকৃতি
সাজবে নতুনরূপে। জেগে উঠবে কৃষ্ণচূড়া,
রাধাচূড়া, পলাশ, নাগলিঙ্গম।
কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায়- ‘ফুল
ফুটুক আর নাই ফুটুক, আজ বসন্ত’। হ্যাঁ, আজ
ঋতুরাজ বসন্ত। সকল কুসংস্কারকে পেছনে
ফেলে, বিভেদ ভুলে, নতুন কিছুর প্রত্যয়ে
সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা নিয়ে
এসেছে বসন্ত। লাল-হলুদের বাসন্তী রঙে
প্রকৃতির সঙ্গে নিজেদের সাজিয়ে আজ
বসন্তের উচ্ছলতা ও উন্মাদনায় আজ
ভাসবে বাঙালি। গাছে গাছে বাহারি
ফুল আর কোকিলের কন্ঠে গান শুনে
বাঙালিও কণ্ঠে তুলে নেবে
রবীন্দ্রনাথের সেই পরিচিত গান- ‘আহা
আজি এ বসন্তে, এত ফুল ফোটে, এত বাঁশি
বাজে, এত পাখি গায়....।’
বসন্ত ষড়ঋতুর শেষ ঋতু। ফাল্গুন এবং চৈত্র
মাস মিলে হয় বসন্ত ঋতু। বসন্ত ঋতুর
আগমন ঘটে শীত চলে যাবার পর এবং
গ্রীষ্ম আসার আগে। বসন্তের প্রথম দিনে
তরুণ-তরুণীরা নিজেকে রাঙিয়ে তোলে
বাসন্তী রঙে। তাদের গায়ের বাসন্তী
রঙে ছেয়ে যায় রাজপথ, পার্ক, বইমেলা,
সবুজ চত্বর। পুরো দেশেই চলে উৎসবের
আমেজ। গায়ে হলুদ আর বাসন্তী রঙের
পাঞ্জাবি-শাড়ি জড়িয়ে তরুণ-তরুণীরা
এদিন নিজেদের রঙিন সাজে সাজান।
বসন্ত তাই তারুণ্যের ঋতু।
বাংলা পঞ্জিকা বর্ষের শেষ ঋতু
বসন্তের প্রথম দিনকে বাঙালি পালন
করে ‘পহেলা ফাল্গুন' বা 'বসন্ত উৎসব’
হিসেবে। বাঙালির নিজস্ব সার্বজনীন
প্রাণের উৎসবের মাঝে এ উৎসব এখন
গোটা বাঙালির কাছে ব্যাপক সমাদৃত।
মোগল সম্রাট আকবর ১৫৮৫ খ্রিস্টাব্দে
প্রথম বাংলা নববর্ষ গণনা শুরু করেন। নতুন
বছরকে কেন্দ্র করে ১৪টি উৎসবের প্রবর্তন
করেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই
বসন্ত উৎসব। ১৪০১ বঙ্গাব্দ থেকে ‘বসন্ত
উৎসব’ উদযাপন শুরু হয়। ১লা ফাল্গুনকে
উপলক্ষ করে রাজধানীসহ সারা দেশে
নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রাজধানীর চারুকলার বকুলতলা,
বোটানিক্যাল গার্ডেন, রমনা পার্ক,
বনানী লেক, ধানমন্ডি লেক, রবীন্দ্র
সরোবর, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ দেশের
অনেক জায়গায় দিনভর চলে বসন্তের
উৎসব। তথ্যপ্রযুক্তির এই সময়ে মোবাইল
ফোন, ফেসবুক, টুইটারে চলে বসন্তের
শুভেচ্ছা বিনিময়।
বসন্ত শুধু অশোক-পলাশ-শিমুলেই
উচ্ছ্বাসের রং ছড়ায় না, আমাদের
ঐতিহাসিক রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে
শহীদদের রক্ত রঙিন পুষ্পিত রক্তের
স্মৃতির ওপরও রং ছড়ায়। ১৯৫২ সালের আট
ফাল্গুন বা একুশের পলাশরাঙা দিনের
সঙ্গে তারুণ্যের সাহসী উচ্ছ্বাস আর
বাঁধভাঙা আবেগের জোয়ার যেন
মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে।
বসন্তকে বরণ করে নিতে দেশের বিভিন্ন
জায়গায় আয়োজন করা হয় মেলা ও
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানমালার
মধ্যে থাকে ফুলের প্রীতি বন্ধনী
বিনিময়, আদিবাসী পরিবেশনা, শিশু-
কিশোরদের পরিবেশনা, একক আবৃত্তি,
দলীয় আবৃত্তি, দলীয় সংগীত, একক
সংগীত, বসন্ত আড্ডা, বাউল সংগীতসহ
অনেক কিছু। কোথাও কোথাও অনুষ্ঠিত হয়
বসন্ত শোভাযাত্রা।
বর্ণিল বসন্ত মানুষের মাঝে আনুক
ভালোবাসা, অহিংসা আর
অসাম্প্রদায়িকতা। ভেঙে দিক
বিভেদের সকল দেয়াল। সবাইকে বসন্তের
শুভেচ্ছা।

রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৭

অফারের মাধ্যমে গ্রাহককে প্রতারণা, গ্রামীণফোনকে জরিমানা


অফারের মাধ্যমে গ্রাহককে
প্রতারণার দায়ে দেশের শীর্ষ
বেসরকারি মোবাইল ফোন
সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান
গ্রামীণফোনকে আড়াই লাখ টাকা
জরিমানা করেছে জাতীয়
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তর।
আজ রোববার রাজধানীর কারওয়ান
বাজারের জাতীয় ভোক্তা-
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে
কার্যালয়ে শুনানি শেষে এ
জরিমানা করেন উপপরিচালক
শাহীন আরা মমতাজ।
গত ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর
আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক নামের
এক ভোক্তা গ্রামীণফোনের
বিরুদ্ধে অফারে প্রতারণার এ
অভিযোগ করেন।
আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক লিখিত
অভিযোগে বলেন, ‘আমি দারুণ ঈদ
অফার নামের ২৮ দিন মেয়াদি এক
জিবির সঙ্গে দুই জিবি ফ্রি একটি
অফার কিনি। ভ্যাটসহ যার মূল্য ২৭৫
টাকা বলা হয়েছে।’
‘গত ২০১৫ সালের ৩ অক্টোবরে
অফারটি গ্রহণ করি। আমার কাছ
থেকে ২৭৫ টাকা পরিবর্তে এসডি ও
ভ্যাটসহ ৩২৫ টাকা ৭৪ পয়সা নিয়ে
নেয় গ্রামীণফোন কোম্পানি। পরে
একটি এসএমএসের মাধ্যমে
জানানো হয়। বোনাসের মেয়াদ
অর্থাৎ ফ্রি ২ জিবির মেয়াদ সাত
দিন এবং ব্যবহারের সময় রাত ২টা
থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেওয়া হয়।’
আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিকের
অভিযোগ, বিশেষ ঈদ অফারের
এসএমএসে কোনো শর্তের বিষয়
উল্লেখ ছিল না।
জানা যায়, এ অভিযোগের
পরিপ্রেক্ষিতে ভোক্তা অধিকার
সংরক্ষণ আইনের ৪৪ ধারায় অর্থাৎ
মিথ্যা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে
প্রতারণার অভিযোগে দুই লাখ
টাকা এবং ৪৫ ধারায় অর্থাৎ
প্রতিশ্রুতি পণ্য যথাযথভাবে
সরবরাহ না করায় ৫০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে অধিদপ্তরের উপপরিচালক
শাহীন আরা মমতাজ এনটিভি
অনলাইকে জানান, জরিমানার
টাকা দেওয়ার জন্য গ্রামীণফোন
পাঁচ কার্যদিবস সময় চেয়েছে।
আমরা তাঁদের সময় দিয়েছি।
শাহীন আরা মমতাজ বলেন, ফোন
কোম্পানিগুলো মিথ্যা তথ্য দিয়ে
ভোক্তাদের প্রতারিত করছে। যা
ভোক্তা অধিকার হরণ করে। এটা
মেনে নেওয়া যায় না। তিনি
আরো বলেন, প্রত্যেক ভোক্তাকে
সচেতন হতে হবে। আর এর জন্য
ভোক্তা অধিকা আইনগুলো
ভালোভাবে জানা থাকলে তাঁর
জন্য অভিযোগ করা সহজ হয়।

শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৭

ফেঞ্চুগঞ্জ হাটুভাঙ্গা তালামীযের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত


বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ফেঞ্চুগঞ্জ হাটুভাঙ্গা আঞ্চলিক শাখার শপথ পরবর্তী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুক্রবার দুপুর ২ টায় অনুষ্ঠিত  হয়। কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্তিত ছিলেন মাইজগাও ইউনিয়ন আল ইসলাহ সভাপতি বদরুল ইসলাম বেলাল, প্রশিক্ষণ প্রদান করেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা তালামীযের সভাপতি সাইফুর রহমান সজিব, সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমদ, সহ- প্রচার সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম কুদ্দুছ, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্তিত ছিলেন ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সদস্য সচিব হাবিলুর রহমান জুয়েল, মাইজগাও ইউনিয়ন সভাপতি হাবিবুর রহমান মারুফ, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ইমন, সহ- প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক আবু তাহেফ শিবলু, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জাহির আহমদ, সহ- প্রশিক্ষণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন।

পরিবহন ধর্মঘটে অচল সিলেটের ৩ উপজেলা, দুর্ভোগে হাজারও মানুষ


অটোরিকশা শ্রমিকদের ডাকা
অনির্দিষ্টককালের পরিবহন ধর্মঘটে অচল
হয়ে পড়েছে সিলেটের ৩ উপজেলা।
ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব উপজেলার
হাজারও যাত্রী।
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (১০
ফেব্রুয়ারি) গোলাপগঞ্জ পৌরশহরের
স্থানীয় টিকরবাড়ি এলাকাবাসী ও
অটোরিকশা শ্রমিকদের মধ্যকার
সংঘর্ষের ঘটনায় শনিবার থেকে
অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক
দেয় গোলাপগঞ্জ সিএনজি অটোরিকশা
শ্রমিক ইউনিয়ন।
ধর্মঘট আহ্বানের পর গোলাপগঞ্জ
সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের
সভাপতি মাখন মিয়া জানান,
গোলাপগঞ্জ চৌমুহনীতে পরিবহন
শ্রমিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলা ও
সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুরের
প্রতিবাদের অনির্দিষ্টকালের জন্য এ
পরিবহন ধর্মঘট ডাক দেয়া হয়েছে।
শনিবার থেকে গোলাপগঞ্জ,
বিয়ানীবাজার ও জকিগঞ্জে সব ধরণের
যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
ধর্মঘটের ফলে শনিবার সকাল থেকে
সিলেট-জকিগঞ্জ, সিলেট-বিয়ানীবাজার
রুটে বাস চলাচলও বন্ধ রয়েছে। ফলে
ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই সব রুটের
হাজারও যাত্রী।
জানা গেছে, সংঘর্ষের বিষয়টি
সমাধানের জন্য গোলাপগঞ্জ বাজার
বণিক সমিতির সভাপতি আজিজুর রহমান
চৌধুরীসহ এলাকার মুরব্বীরা পৃথক বৈঠক
করলেও কোনো সমাধানে পৌঁছতে
পারেননি।
এদিকে, ধর্মঘট চলাকালে শনিবার দুপুর
১২টার দিকে গোলাপগঞ্জের চৌমোহনায়
এলাকাবাসী ও সিএনজি চালকদের মধ্যে
ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
তবে কোনো সংঘর্ষের খবর পাওয়া
যায়নি।

ফেঞ্চুগঞ্জে বেড়ে চলেছে শিশুশ্রম: বন্ধে নেই কার্যকর কোন পদক্ষেপ

 সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে
সময়ের সাথে বেড়েই চলছে শিশুশ্রম।
যে বয়সে শিশুরা পাঠশালায় যাওয়ার
কথা, যে বয়সে তাদের খেলার কথা,
ঠিক সে বয়সে তারা জীবনের ঝুঁকি
নিয়ে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত। এসব
শিশুশ্রমের কারণে শিক্ষা থেকে
বঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা। শিশুরা এই অল্প
বয়সে অতিরিক্ত শ্রম দেওয়ায় মানসিক
ও শারীরিক ভাবে বিরাট ক্ষতিগ্রস্ত
হচ্ছে। ফলে তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ
অন্ধকারে পরিণত হচ্ছে। বাংলাদেশে
শিশুশ্রম বন্ধ করার জন্য সরকারি
বেসরকারি বহু সংস্থা কাজ করলেও
তার কোন কার্যকর প্রভাব ফেঞ্চুগঞ্জে
পড়েনি। নেই কোন আইনগত পদক্ষেপ।
ফেঞ্চুগঞ্জের উপজেলার এশিয়া
বেকারি, কুশিয়ারা বেকারি রয়েলফুড,
বিভিন্ন চায়ের দোকান, হোটেল, লেদ
মিশেনের কারখানা, ওয়ার্কশপ,
বাসাবাড়ির কাজে নিয়োজিত রয়েছে
প্রায় ৫হাজার শিশু। শিশু শ্রমিকদের
অল্প পারিশ্রমিক দিয়ে বেশি কাজ
করানো সম্ভব বলে অনেকেই শিশুদের
দিয়ে ভারী কাজ করিয়ে ফেলেন।
শনিবার (১১) ফেব্রুয়ারি সকালে
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় শিশু
শ্রমিকদের কষ্টকর দৃশ্য। শিশু শ্রমিকরা
তাদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে
পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি
ফুটানোর জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঝুঁকিপূর্ণ
কাজ করছে। অনেকেই এসব কাজ করতে
গিয়ে পঙ্গুত্ববরণ করছে। এ বিষয়ে কথা
বলতে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী
অফিসার হুরে জান্নাতের মুঠোফোনে
একাধিকবার কল দিলে তিনি কল
ধরেননি।

শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৭

ফেঞ্চুগঞ্জের পশ্চিম কর্মধা তালামীযের কমিটি গঠন

ফেঞ্চুগঞ্জের পশ্চিম কর্মধা তালামীযের কমিটি গঠনঃ


________________________
১০ফেব্রুয়ারী: বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ফেঞ্চুগঞ্জ ২ নং মাইজগাও ইউনিয়ন শাখার আওতাধীন পশ্চিম কর্মদা আঞ্চলিক শাখার কাউন্সিল অধিবেশন শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম কর্মদা জামে মসজিদে অনুষ্টিত হয়।
 প্রধান নির্বাচক হিসাবে উপস্তিত ছিলেন মাইজগাও ইউনিয়ন সভাপতি হাবিবুর রহমান মারুফ, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন  মাইজগাও ইউনিয়ন ভারপাপ্ত সাদারণ সম্পাদক এনামুল হক ইমন,অর্থ সম্পাদক আবু তাহেফ শিবলু
কাউন্সিলে ইবরাহিম আহমদকে সভাপতি,সায়েদ আহমদকে সহ সভাপতি, পায়েল আহমদকে সাধারণ সম্পাদক জাহেদ আহমদ কে সাংগঠনিক সম্পাদক সোয়েব আহমদ কে প্রচার সম্পাদক লিটু আহমদ কে অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত করে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০১৭

সিলেটের রাজনীতিতে নেতৃত্ব শূন্যতা


সরকারে ছিলেন না, দলেও প্রভাব কমে
গিয়েছিলো। তবু এতদিন শারীরিকভাবে
উপস্থিত ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
ছিলেন সিলেটের রাজনীতির অভিভাবক
হয়ে। ৫ ফেব্রুয়ারি ভোরে তিনিও চলে
গেলেন। সুরঞ্জিতের এই মৃত্যুতে
সিলেটের রাজনীতিতে দেখা দিয়েছে
নেতৃত্ব শূন্যতা।
২০০১ সালে সাবেক স্পিকার হুমায়ুন রশীদ
চৌধুরীর মৃত্যুর মাধ্যমে যে শূন্যতার সৃষ্টি
হয়েছিলো সুরঞ্জিত সেনগুপ্ততে এসে তা
তীব্র আকার ধারণ করেছে। এর-মাঝখানে
চলে গেছেন দেশের প্রথম
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদ,
বিপ্লবী বরুণ রায়, সাবেক অর্থমন্ত্রী এম
সাইফুর রহমান ও শাহ এএমএস কিবরিয়া,
সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজী,
সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামুল হক
মোস্তফা শহীদ ও সৈয়দ মহসিন আলীসহ
আরো কয়েকজন জাতীয় নেতা।
ওয়ান-ইলিভেন বিতর্কে রাজনীতি থেকে
অনেকটা দূরে সরে পড়েছেন আওয়ামী
লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক
সুলতান মুহাম্মদ মনসুর।
নানা বিতর্ক সত্ত্বেও আঞ্চলিক
রাজনীতিতে নিজের অবস্থান গড়ে
তুলেছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক
সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী। তিনিও
নিখোঁজ রয়েছেন ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল
থেকে।
আর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে রাজনীতিতে
থেকে দূরে রয়েছেন বিএনপির সাবেক
ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী।
এদের বিকল্প নেতৃত্ব তৈরি না হওয়ায় ও
নতুন নেতা গড়ে না উঠায় এই সঙ্কট আরো
তীব্র হয়েছে বলে জানান রাজনীতি
সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম
নাহিদ ছাড়া দুই প্রধান রাজনৈতিক
দলের শীর্ষ নীতি নির্ধারণী কমিটিতে
নেই সিলেটের কোনো নেতা। নাহিদ
আওয়ামী লীগের সর্বশেষ কাউন্সিলের
প্রেসিডিয়াম সদস্য মনোনীত হন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেটের
আহ্বায়ক ফারুক মাহমুদ চৌধুরী মনে
করেন, এখানকার নেতারা দলীয় বৃত্তের
মধ্যে বন্দি। এমনকি দলের মধ্যেও সবার
কাছে তারা গ্রহণযোগ্য নন। দলের
ভেতরের গ্রুপ উপগ্রুপের নেতা তারা।
ফলে দল ছাপিয়ে জাতীয় নেতা, সব
মানুষের নেতা হয়ে উঠতে পারছে না।
সুরঞ্জিত সেনরা যে দল ছাপিয়ে সকলের
নেতা হয়ে উঠতে পেরেছিলেন তার
প্রমাণ মিলেছে সোমবার সিলেট
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারেও। জামায়াত
ছাড়া প্রায় সব দলের নেতারাই এদিন
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহে শ্রদ্ধা
জানাতে আসেন। শ্রদ্ধা জানাতে
এসেছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের
মেয়র (সাময়িক বহিষ্কৃত) ও বিএনপি
নেতা আরিফুল হক চৌধুরীও। যিনি
সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলারও
আসামী।
এ ব্যাপারে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন,
সাইফুর রহমান, সুরঞ্জিত সেনরা অনেক
উঁচু মাপের মানুষ ছিলেন। তাঁদের মতো
মানুষ হয় না। আমাদের শ্রদ্ধা তাদের
প্রাপ্য।
বিকল্প নেতৃত্ব তৈরি না হওয়ার জন্য
প্রয়াত নেতারাও ‘অনেকাংশে দায়ী’
বলে মনে করেন ফারুক মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, এইসব নেতারা তাদের
বিকল্প নেতৃত্ব তৈরি করে যাননি। হয়তো
তাঁরা মনে করেছেন বিকল্প তৈরি করলে
প্রতিদ্বন্দ্বী বেড়ে যেতে পারে।
এছাড়া ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়া
দলের ভেতরে নেতৃত্বের চর্চা না
থাকাকেও নেতৃত্ব শূন্যতা দেখা দেওয়ার
অন্যতম কারণ বলে মনে করেন তিনি।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
আসার পর সিলেট বিভাগের নেতাদের
মধ্যে আব্দুস সামাদ আজাদ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী, হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
স্পিকার, শাহএএমএস কিবরিয়া
অর্থমন্ত্রী ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
প্রধানমন্ত্রীর সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টার
দায়িত্ব পান।
তবে পরেরবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
আসার পর এই সংখ্যা নেমে আসে তিনে।
মন্ত্রী হন আবুল মাল আবদুল মুহিত, নুরুল
ইসলাম নাহিদ ও এনামুল হক মোস্তফা
শহীদ। চলতি সরকারে অসুস্থ মোস্তফা
শহীদের বদলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
মৌলভীবাজারের সাংসদ সৈয়দ মহসিন
আলী। তাঁর মৃত্যুর পর এখন সিলেটের
নেতাদের মধ্যে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে
আছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত ও
শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন নুরুল
ইসলাম নাহিদ।
কেবল মন্ত্রীসভা নয়, মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত
আব্দুস সামাদ আজাদ ও সর্বশেষ
কাউন্সিলের পূর্ব পর্যন্ত সুরঞ্জিত
সেনগুপ্ত প্রেসিডিয়ামে থেকে দলেরও
অন্যতম নীতিনির্ধারক ছিলেন। এখন
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামে
রয়েছেন কেবল নাহিদ।
বিএনপির সর্বশেষ শাসনামলে
অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন এম সাইফুর
রহমান। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী
ফোরাম স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী
সদস্য ছিলেন তিনি। সেবার
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা
ছিলেন সিলেটের আরেক নেতা হারিছ
চৌধুরী। ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর
দেশ ছেড়ে যান হারিছ চৌধুরী। এরপর
আর তিনি দেশে ফিরেননি। আর সাইফুর
রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপির শীর্ষ
নীতিনির্ধারণী ফোরামে ঠাঁই হয়নি
সিলেটের কোনো নেতার।
কেবল আওয়ামী লীগ বিএনপি নয়,
সিলেটের বাম রাজনীতিতে রয়েছে
নেতৃত্বের সঙ্কট। একসময় বরুণ রায়, পীর
হবিবুর রহমান, আব্দুল হামিদের মতো
নেতারা পুরো দেশের বাম রাজনীতিকে
নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০০৯ সালের ৮
ডিসেম্বর বিপ্লবী বরুণ রায়ের মৃত্যুর পর
এই ধারায়ও দেখা দেয় শূন্যতা।
সিলেটের অন্যান্য জাতীয় নেতাদের
মধ্যে ২০০১ সালের ১ হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী,
২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল আব্দুস সামাদ
আজাদ, ২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর
দেওয়ান ফরিদ গাজী, ২০১৫ সালের ১৪
সেপ্টেম্বর সৈয়দ মহসিন আলী, ২০১৬
সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এনামুল হক
মোস্তফা শহীদ মারা যান।
আর ২০০৪ সালের ২৭ হবিগঞ্জের নিজ
এলাকায় গ্রেনেড হামলায় নিহত হন
শাহএএমএস কিবরিয়া ও ২০০৯ সালের ৫
সেপ্টেম্বর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে
দুর্ঘটনায় নিহত হন এম সাইফুর রহমান।
সিলেটের বাসিন্দা, বাংলাদেশ
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম
জাকির হোসাইন মনে করেন, তরুণদেরই এই
শূন্যতা পূরণ করতে হবে।
জাকির বলেন, আমরা যারা তরুণ
আমাদেরকে প্রয়াত হওয়া জাতীয়
নেতাদের জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে
নিজেদের তাদের মতো গড়ে তুলতে হবে।
গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতির
দায়িত্বে আছেন সিলেটের নেতা
ব্যারিস্টার আরশ আলী। তিনি বলেন,
আগে যারা রাজনীতি করতেন তারা
অনেক পড়াশোনা করতেন। রাজনীতি,
সমাজনীতি, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি
নিয়ে তাদের অনেক জানাশোনা
ছিলো। ফলে তাদের নিয়ে হয়তো অনেক
সমালোচনা করা যাবে কিন্তু তাদের
মেধা ও প্রজ্ঞাকে অস্বীকার করা যাবে
না। এখন যারা রাজনীতি করছেন তাদের
মধ্যে পড়াশোনার অভাব।
তবু আশাবাদ ব্যক্ত করে আরশ আলী বলেন,
কোনোকিছু তো শূন্য থাকবে না। এই
শূন্যতাও পূরণ হবে। আশা করছি, ভালো
কিছু দিয়েই পূর্ণ হবে।

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০১৭

লালাখালে পানিতে ডুবে দুই মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু


সিলেটের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র
জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখালে
বেড়াতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা
গেছেন দুই পর্যটক। নিহতরা
কিশোরগঞ্জের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল
কলেজের ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে হাসান
মো. সাঈদ (২৫) ও ইসহাক ইব্রাহিব শশী
(২৫) নামে দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
করা হয় বলে জানান জৈন্তাপুর থানার
ওসি শফিউল কবির।
তিনি বলেন, কিশোরগঞ্জের মেডিকেল
কলেজের ৫/৬ জন শিক্ষার্থী মঙ্গলবার
বিকেলে লালাখাল বেড়াতে
এসেছিলেন। লালাখালে মিস্ত্রিঘাট
এলাকায় নদীতে গোসল করতে নেমে
চোরাবালিতে ডুবে যান সাঈদ। তাকে
উদ্ধার করতে গিয়ে শশীও তলিয়ে যান
চোরাবালিতে। সন্ধ্যার দিকে
এলাকাবাসীর সহযোগীতায় তাদের
উদ্ধার করা হয়। পরে জৈন্তাপুর উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে
কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সাঈদের বাড়ি ঢাকা ও ইসহাক বাড়ি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে। দু’জনের পরিবারের
সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে
বলে জানান ওসি।
উল্লেখ্য, সিলেটের অন্যতম পর্যটন স্পট
লালাখাল পান্না সবুজ জলের জন্য
বিখ্যাত। ভারতীয় পাহাড় থেকে নেমে
আসা এখানকার নদীতে ঘুুরে বেড়ানো
পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষন। তবে
লালাখালে নদীতে সাঁতার কাটতে
গিয়ে ও চোরাবালিতে আটকে বিভিন্ন
সময় প্রাণহারান পর্যটকরা।