শনিবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৬

পাঠ্যবই বিতরণের প্রতিকী উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

 আগামীকাল
রোববার থেকে শুরু হওয়া নতুন
শিক্ষাবর্ষের (২০১৭) বিনামূল্যের
পাঠ্যবই বিতরণের প্রতিকী
উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা।আজ শনিবার
সকালে গণভবনে রাজধানীর
বিভিন্ন স্কুলের একদল
শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন
শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের পাঠ্যবই
তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ
মাধ্যমিক স্তরের ১ সেট এবং
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী
অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর
রহমান ফিজার প্রাথমিক স্তরের
পৃথক আরেক সেট বই প্রধানমন্ত্রীর
হাতে তুলে দেন।
পরে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল-
মাদরাসা-কারিগরি শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত কিছু
শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বছরের বই
তুলে দিয়ে বিনামূল্যের পাঠ্যবই
বিতরণের প্রতিকী উদ্বোধন করেন।
এ সময় দু’মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ এবং
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ড (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান ও
সদস্যরা এবং সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আগামীকাল রোববার
আনুষ্ঠানিকভাবে সারাদেশে
‘পাঠ্যবই বিতরণ উৎসব’ পালিত হবে।
আগামীকাল সকালে আজিমপুর গভ.
গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে
কেন্দ্রীয় মাধ্যমিকের এবং ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে
প্রাথমিকের কেন্দ্রীয় উৎসব
অনুষ্ঠিত হবে। দু’ মন্ত্রণালয়ের
মন্ত্রীদ্বয় এ অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথি হিসেবে উপস্থিত
থাকবেন। এর ছাড়া সারাদেশের
সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
আগামীকাল অনুরূপ অনুষ্ঠান হবে
নিজ নিজ উদ্যোগে। এতে স্কুলের
সকল শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে
২০১৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই
বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।
২০১৭ শিক্ষাবর্ষের চার কোটি ২৬
লাখ ৩৫ হাজার ৯২৯ জন
শিক্ষার্থীর জন্য বিনামূল্যে ৩৬
কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার কপি বই
বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে প্রাক-
প্রাথমিকের ৩২ লাখ ৬২ হাজার
৮৬৪ শিশুর জন্য এক কোটি পাঁচ লাখ
পাঁচ হাজার ৮৩২ কপি বই,
প্রাথমিকের দুই কোটি ১৭ লাখ ২১
হাজার ১২৯ জন ছাত্রছাত্রীর জন্য
দশ কোটি ৫২ লাখ ৮৮ হাজার ৩২৭
কপি বই, মাধ্যমিক (ইংরেজি
ভার্সনসহ) এবং এসএসসি
ভোকেশনাল স্তরের এক কোটি ২০
লাখ ৫৮ হাজার ৩৬৮ জন
শিক্ষার্থীর জন্য ১৭ কোটি ৬৮ লাখ
৩০ হাজার ৩৬৮ কপি বই এবং
এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালের
(ট্রেড বই) দুই লাখ দশ হাজার ৭৭৫
জন শিক্ষার্থীর জন্য ৯ লাখ ২১
হাজার ১১০ কপি বই দেয়া হবে।
অপরদিকে, ইবতেদায়ী ও দাখিলের
৫৩ লাখ ৫৭ হাজার ২১ জন
ছাত্রছাত্রীর জন্য পাঁচ কোটি ৭১
লাখ ৯৭ হাজার ৮৮৫ কপি বই,
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এক হাজার ২৩১ জন
শিক্ষার্থীর জন্য ৯ হাজার ৭০৩
কপি বই।
এছাড়াও পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ২৪
হাজার ৬৪১ শিশুর জন্য প্রাক-
প্রাথমিক স্তরের ৫১ হাজার ৭৮২
কপি বই মুদ্রণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে
মারমা, চাকমা, গারো, শাদ্র্র্রে ও
ককবরুক সম্প্রদায়ের শিশুরা নিজ
নিজ মাতৃভাষার বই পাবে
বিনামূল্যে। পাশাপাশি এবার
পাঁচটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর
ভাষায় (শিশুর জন্য) ২৫ হাজার
৫০০টি টিচিং ম্যাটারিয়াল বা
শিক্ষা উপকরণ বিশেষ করে ফ্লিপ
চার্ট, ফ্ল্যাশ, কার্ড, স্বরবর্ণ ও
ব্যাঞ্জনবর্ণ চার্ট বিনামূল্যে
বিতরণ করা হবে।

সিলেটী জামাই হলেন ইমরান এইচ সরকার : কনে শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ কন্যা নাদিয়া

 শিক্ষামন্ত্রী নুরুল
ইসলাম নাহিদের মেয়ে নাদিয়া
নন্দিতা ইসলামের সাথে নতুন
জীবন শুরু করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের
মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার।
নাদিয়া নন্দিতা ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। শুক্রবার
সন্ধ্যায় ঘরোয়াভাবে তাদের
হলুদের আনুষ্ঠানিকতা সারা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ
এবং কনের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন আত্মীয়
ছাড়াও গণজাগরণ মঞ্চের কয়েকজন
ছিলেন পারিবারিক ওই
আয়োজনে। নাদিয়া নন্দিতা
ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভাষাতত্ত্বের সহকারী অধ্যাপক। এ
বছরই বিয়ে করছেন, এই ঘোষণা
ফেসবুকের মাধ্যমে আগেই
দিয়েছিলেন ইমরান এইচ সরকার।
সেই শুভ কাজটি সারছেন বছরের
শেষ প্রান্তে এসে।
নন্দিতা পরিচিতজনদের কাছে
তিন্নি নামেই তিনি পরিচিত।
বেশ কিছুদিন ধরেই
পারিবারিকভাবে ইমরানের সঙ্গে
তার বিয়ের কথা চলছিল বলে
পরিবারের ঘনিষ্ঠ একজন
জানিয়েছেন। আজ দুই পরিবারের
কাছের মানুষদের উপস্থিতিতে
ইমরান ও নাদিয়াকে আংটি
পরানো হয়েছে। শনিবার (৩১
ডিসেম্বর) মিন্টো রোডে
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম
নাহিদের বাসায় দুই পরিবার এবং
নিকট আত্মীয়দের উপস্থিতিতে
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হবে বলে
জানা গেছে।

বাস ভাড়া নিয়ে সংঘর্ষ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক বন্ধ

লোকাল বাসের ভাড়া নিয়ে বাক-
বিতন্ডার জের ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
সরাইল বিশরোড মোড়ে দুই দল
গ্রামবাসীর সংঘর্ষ চলছে। ফলে ঢাকা-
সিলেট, কুমিল্লা-সিলেট ও সিলেট-
ময়মনসিংহ সড়কের যানবাহন চলাচল বন্ধ
হয়ে গেছে।
আজ শনিবার দুপুর ১২টা দিকে এ সংঘর্ষ
শুরু হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো
সংঘর্ষ চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জেলায়
চলাচলকারী লোকাল বাসের ভাড়া নিয়ে
কথাকাটির জের ধরে কুট্রাপাড়া ও সদর
উপজেলার খাটিয়াতা গ্রামের লোকজন
সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দেশিয় অস্ত্রে
সজ্জিত হয়ে উভয় গ্রামের হাজার
খানেক লোক সংঘর্ষে অংশ নিয়েছে।
১২টা থেকে শুরু হয়ে এখনো চলছে সংঘর্ষ।
এই সংঘর্ষের ঘটনায় মহাসড়কের ৩ দিকে
দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষের ২০
জন লোক আহত হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ ও
সরাইল থানা পুলিশ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণের
চেষ্টা করছে।

শুক্রবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৬

ফেঞ্চুগঞ্জে নদীতীরে জেগে উঠা ভেলকুনা চর এখন সংঘবদ্ধ চক্রের দখলে

 ফেঞ্চুগঞ্জে
কুশিয়ারা নদীতীরে জেগে উঠা
ভেলকুনা চর এখন সংঘবদ্ধ চক্রের দখলে।
প্রভাবশালীরা অবাধে চর থেকে বালু
উত্তোলন করছেন।
ড্রেজার ও সনাতন পদ্ধতিতে বালু
তোলার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে
আশপাশের জমি ও নদী তীর। অনেক
স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের।
ফলে বর্ষা মৌসুমে নদী তীর ভাঙ্গনের
আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয়
ভেলকুনা চর থেকে বালু উত্তোলনের পর
ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে নিয়ে
যাওয়া হচ্ছে। দিনের বেলায় কম দেখা
গেলেও মূলত মধ্য রাত থেকে ভোর
পর্যন্তই চলে বালু উত্তোলনের কাজ।
পরে তা বিক্রি করা নৌকা প্রতি ৮০০
থেকে ১০০০ টাকা দরে বিক্রি করা
হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা
জানান, প্রভাবশালী মেদু মিয়া, ফজলু
মিয়া, জাহেদুল ইসলাম ও আজাদ
মিয়াসহ কয়েকজনের যোগসাজশে চরের
বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। কেউ ভয়ে
তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন না।
এ ব্যাপারে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা
নির্বাহী অফিসার হুরে জান্নাত
বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ব্যবস্থা
নিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসি
ল্যান্ডকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ফেঞ্চুগঞ্জে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে নিহত-১,আহত-২

ফেঞ্চুগঞ্জ
প্রতিনিধি: :ফেঞ্চুগঞ্জের ছত্রিশ
গ্রামে বাড়িতে রাজমিস্ত্রি কাজ
করতে গিয়ে বৈদ্যুতিক তারের সাথে
রড লেগে গেলে তাতে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হন
৩জন।
হৈ চৈ শুনে আশেপাশের লোকজন দ্রুত
ছুটে চলে আসেন এবং আহতদের
স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক
১জনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত
২জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার
নির্দেশ দেন।আহতদের উক্ত
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
নিহত ব্যক্তি হলেন,ছত্রিশ গ্রামের
ফজিলক মিয়ার ছেলে কওছর আহমদ
(২২)।
আহত ২জন হলেন,ছত্রিশ গ্রামের
মখলেছ মিয়ার ছেলে খলিল মিয়া
(১৮)।আরেকজন হলেন,একই গ্রামের
নাচ্চু মিয়ার ছেলে ছাদিক মিয়া
(১৯)।
নিহতের বাবা ও মা ছেলে হারানোর
শোকে আত্নহারা হয়ে রয়েছেন।
নিহতের বাবা ফজিলক মিয়া
জানান,আমার ছেলের কপালে হয়তো
এভাবে মৃত্যু লেখা ছিল।
বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে
অভিযোগের প্রশ্নে তিনি
বলেন,বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে
আমার কোনো অভিযোগ নেই।বাড়ির
মালিক নিজের সন্তানের মত আমার
ছেলেকে ভালবাসতেন। প্রাপ্ত
মজুরীর বেশী টাকা আমার ছেলেকে
দিতেন।
নিহত ব্যক্তিকে আজ বাদ মাগরিব
ছত্রিশ ঈদগাহ মহল্লায় জানাযার
নামাজ শেষে দাফন করা হয়।

ফেঞ্চুগঞ্জের ফরিদপুরে তালামীযের কমিটি গঠনঃ

ফেঞ্চুগঞ্জের ফরিদপুরে তালামীযের কমিটি গঠনঃ

________________________
৩০ ডিসেম্বরঃ বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ফেঞ্চুগঞ্জ ২ নং মাইজগাও ইউনিয়ন শাখার আওতাধীন পশ্চিম ফরিদপুর আঞ্চলিক শাখার কাউন্সিল অধিবেশন শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম ফরিদপুর জামে মসজিদে অনুষ্টিত হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম কুদ্দুছ, প্রধান নির্বাচক হিসাবে উপস্তিত ছিলেন মাইজগাও ইউনিয়ন সভাপতি হাবিবুর রহমান মারুফ, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ আহবায়ক হাবিলুর রহমান জুয়েল, মাইজগাও ইউনিয়ন সহ-সভাপতি কামরান আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ইমন।
এর আগে শাখা সভাপতি আবু তাহেফ শিবলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শরিফ আহমদের উপস্তাপনায় অধিবেশন শুরু হয়।
কাউন্সিলে আবু তাহেফ শিবলুকে পুন: সভাপতি জাবেল আহমদ, শরীফ আহমদ কে সিনিয়র সহ-সভাপতি  লিমন আহমদকে সাধারণ সম্পাদক আঞ্জুর হোসেন কে সাংগঠনিক সম্পাদক ওলিউর রহমান শেফুল কে প্রচার সম্পাদক রায়হান আহমদ কে অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

ফেঞ্চুগঞ্জ পুর্ব কর্মধায় তালামীযের শপথ গ্রহন সম্পন্নঃ

ফেঞ্চুগঞ্জ পুর্ব কর্মধায় তালামীযের শপথ গ্রহন সম্পন্নঃ
৩০ ডিসেম্বরঃ বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ২ নং মাইজগাও ইউনিয়ন শাখার আওতাধীন পুর্ব কর্মধা আঞ্চলিক শাখার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুক্তবার বিকেল ৪ ঘটিকায় শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাবেক ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুরানবাজার আল-ইসলাহ সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা তালামীযের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান উদ্দীন, সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম কুদ্দুছ, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সদস্য সচিব হাবিলুর রহমান জুয়েল, মাইজগাও ইউনিয়ন সভাপতি হাবিবুর রহমান মারুফ, সহ সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ইমন, অর্থ সম্পাদক আবু তাহেফ শিবলু।
অনুষ্ঠানে শাখা সভাপতি ছাব্বির আহমদ ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমদ।
অনুষ্ঠানে শাখার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।

ইজতেমায় ১০ লক্ষাধিক মানুষের জুমআর নামাজ আদায়

 সিলেটের দক্ষিণ
সুরমা উপজেলার মোল্লারগাঁও
ইউনিয়নের সিলেট-সুনামগঞ্জ
বাইপাস সড়ক সংলগ্ন লতিপুর-
খিদিরপুর এলাকার মাঠে কয়েক
লাখ মুসলিম জনতা জুমআর নামাজ
আদায় করেছেন। এসময় মুসল্লিদের
‘আল্লাহু আকবার’ ‘আল্লাহুম্মা
আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত ছিল
গোটা এলাকা। লাখ লাখ জনতা
ক্রন্দনে নত মস্তকে মহান আল্লাহ
রাব্বুল আলামিনের দরবারে অতীত
জীবনের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা
প্রার্থনা করেন। নিজের জন্য,
নিজের পরিবারের জন্য এবং দেশ ও
জাতির মঙ্গল কামনায় ইজতেমা
ময়দানে নামাজ শেষে দোয়া
করেন মুসল্লিরা।
শুক্রবার সকাল থেকেই হাজার
হাজার মুসল্লি ইজতেমা ময়দানে
এসে জড়ো হতে থাকেন। জিকির-
আসকারে মুখরিত হয়ে ওঠে
ইজতেমা ময়দান। একপর্যায়ে
ইজতেমা ময়দান রূপ নেয় জনসমুদ্রে।
ইজতেমা ময়দানে ওয়াজ-নসিহতও
চলে।
এদিকে জুম’আর নামাজকে ঘিরে
ইজতেমা ময়দানে নেওয়া হয় কঠোর
নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

বাড়ছে সব ধরনের গ্যাসের দাম

নতুন বছরের শুরুতেই দুঃসংবাদ আসছে
দেশবাসীর জন্য। যৌক্তিকতাকে
বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বাড়ছে সব
ধরনের গ্যাসের দাম।
এ নিয়ে
বিইআরসি’র প্রস্তুতিও প্রায় শেষ।
এখন কেবল ঘোষণার অপেক্ষা।
বিইআরসি বলছে, গ্যাস খাতের উন্নয়ন
ও কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন
সমন্বয়ের জন্য দাম বাড়ানো হচ্ছে।
আর বিশ্লেষকরা বিষয়টি দেখছেন,
সরকারের ব্যবসায়িক মনোভাব
হিসেবে।
আগস্টের গণশুনানিতে গ্যাস উৎপাদন
ও বিতরণকারী সরকারি
কোম্পানিগুলো গড়ে ৯৪ শতাংশ দাম
বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। যদিও দাম
বাড়ানোর যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে
পারেনি একটি কোম্পানিও। তারপরও
দাম বাড়ছে।
অবশ্য দাম কতোটা বাড়ছে তা
জানাতে রাজি হননি বিইআরসি’র
কর্মকর্তা। তবে সূত্র বলছে,
বাসাবাড়িতে ২ চুলার দাম সাড়ে ৬শ’
থেকে বেড়ে সাড়ে ৮শ’, আর এক চুলার
নতুন দাম হতে পারে সাড়ে ৬শ’ টাকা।
আর রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস বা
সিএনজি’র দাম হতে পারে প্রতি
ইউনিট ৪৫ টাকা। বাড়বে বিদ্যুৎ
উৎপাদন ও শিল্প কারখানার গ্যাসের
দামও।

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬

ফুটবলের অন্ধকার ঘরে আলোর মশাল হাতে নিয়ে প্রবেশ করেছে যেন কৃষ্ণা

কৃষ্ণাদের হাতে আলোর মশাল
ফুটবলের অন্ধকার ঘরে আলোর মশাল
হাতে নিয়ে প্রবেশ করেছে যেন কৃষ্ণা
,
সানজিদারা। ঘরের মাঠে এএফসি অনূর্ধ্ব
১৬ এশিয়ান বাছাইপর্বে হেসেখেলে গ্রুপ
চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।
বাছাইপর্বের এ আসরে পায়ের জাদুতে
মাত করে রেখেছিল কৃষ্ণা, সানজিদারা।
প্রতিপক্ষের জালে ৫ ম্যাচে ২৬ গোল
দিয়ে বাংলাদেশের কিশোরীরা হজম
করেছে মাত্র দুটি গোল। বাছাইপর্বে ১০
গোলে ভাসিয়েছে কিরগিজস্তানকে,
সিঙ্গাপুরের জালে ৫, চীনা তাইপে ও
আরব আমিরাতের জালে ৪ গোল। এমনকি
শক্তিশালী ইরানের বিপক্ষেও জয়
এসেছে ৩-০ গোলে। কিশোরীদের এই
দাপটে খুলে গেছে আগামী বছরে
থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব ১৭ এশিয়ান
কাপ খেলার সুযোগ। যেখানে প্রতিপক্ষ
হিসেবে থাকছে অস্ট্রেলিয়া, জাপানের
মতো শক্তিশালী দলগুলো।
নারী ফুটবলে পুরো বছরই যেন সাফল্যের
সোনারোদে মাখা। মে মাসে
তাজিকিস্তানে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব ১৪
আঞ্চলিক কিশোরী ফুটবলে অপরাজিত
চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরেছে
বাংলাদেশের কিশোরীরা।
টুর্নামেন্টে পাওয়া গেছে নারী ফুটবলের
যে কোনো আসরে প্রথমবারের মতো
ভারতের বিপক্ষে জয়। ফাইনাল মঞ্চেই
ভারতকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল
তহুরারা। এ ছাড়া স্বাগতিক
তাজিকিস্তানকে হারিয়েছিল ৯-১
গোলে। টুর্নামেন্টের ৪ ম্যাচে
প্রতিপক্ষের জালে বাংলাদেশের
গোলসংখ্যা ২৫। এএফসি পশ্চিম, পূর্ব ও
আসিয়ান জোনের কোনো দেশই
বাংলাদেশের চেয়ে বেশি গোল করতে
পারেনি। সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন
তহুরা (১০)। নারী ফুটবল দিয়ে কোনো
দেশের ফুটবলের মানদণ্ড নির্ণয় না করা
হলেও ফুটবলে ব্যর্থতার মিছিলে আশার
আলো দেখিয়েছে মেয়েরাই।
মামুনুলদের ব্যর্থতার
ষোলোকলা
বিন্দু থেকেই বৃত্তের শুরু। মামুনুল
ইসলামদের ব্যর্থতার ষোলোকলার
বৃত্তটাও তো সে একই রকম, যার শুরু করা
যাক ঘরের মাঠের বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ
ফুটবল দিয়ে। কচিকাঁচার এ আসরে
বাহরাইনের বয়সভিত্তিক দলের কাছে
হেরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নেয়
বাংলাদেশ। বছরের শুরুতে ব্যর্থতার এ
জয়যাত্রাটা বজায় ছিল বছরজুড়েই।
চূড়ান্ত বিপর্যয়ের শেষ হয়েছে ভুটান
ট্র্যাজেডির মধ্য দিয়ে। যে ভুটানের
কাছে কোনোদিন হারের রেকর্ড ছিল না
বাংলাদেশের, সেই ভুটানের বিপক্ষেই
থিম্পুতে ৩-১ গোলে হেরে এশিয়ান কাপ
বাছাইপর্ব থেকে ছিটকে গেছে
বাংলাদেশ। এর আগে ঘরের মাঠে
গোলশূন্য ড্র। ভুটানের বিপক্ষে এ
পরাজয়টাই বুঝিয়ে দিয়েছে
বাংলাদেশের ফুটবলের মানদণ্ডটা
কোথায়। লজ্জার যেন শেষ নেই।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে জর্ডানের কাছে
৮-০ গোলের মালা উপহার পেয়েছে
বাংলাদেশ। বড় এই ক্ষত শুকানোর আগে
তাজিকিস্তানের বিপক্ষে আবার ৫
গোলের মালা । কিন্তু গোলের ক্ষুধা যেন
মিটল না আর লাল-সবুজ জার্সিধারীদের।
উপরন্তু মালেতে মালদ্বীপের বিপক্ষে
আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ৫ গোল হজম
করে বাংলাদেশ। সবকিছু মিলিয়ে ২০১৬
সালে ১১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে
বাংলাদেশ। এর মধ্যে সাতটিতে হার ও
তিনটি ড্র। একমাত্র জয়টি বঙ্গবন্ধু
গোল্ডকাপে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৪-২
গোলে। এ ছাড়া গৌহাটি এসএ গেমসে
স্বর্ণ খুইয়ে ব্রোঞ্জ নিয়ে দেশে
ফিরেছে ফুটবলাররা।]
ঘরোয়া ফুটবল
দীর্ঘ আট মাস বিরতির পর চলতি বছরের
এপ্রিলে মাঠে গড়ায় ২০১৫-১৬ মৌসুমের
বল। দিন-সূচি চূড়ান্ত করে বারবার
পেছানোর জন্যই ২০১৬ সালে এএফসি
কাপে খেলতে হয় ২০১৩-১৪ সালের লীগ
চ্যাম্পিয়ন শেখ জামালকে। এএফসি
কাপের এ আসরে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়
বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নরা। একই বছর
প্লে-অফে ভুটানের টারটন এএফসির
বিপক্ষে হেরেছে শেখ রাসেল
ক্রীড়াচক্র।
২০১৬ সালে ফুটবলে সুনামির মতো
আবির্ভাব হয় চট্টগ্রাম আবাহনীর।
অতিথি খেলোয়াড়দের দলে টেনে শেখ
কামাল আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট
চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজেদের উপস্থিতি
জানান দেয় তারা। পরবর্তী সময়ে দল
বদলের বাজারে টাকার থলে নিয়ে নেমে
সব দল ভেঙে নিজেদের ঘর সাজায়।
মৌসুমের প্রথম টুর্নামেন্ট স্বাধীনতা
কাপও চ্যাম্পিয়ন হয় চট্টলার দলটি। কিন্তু
এর পরই খেই হারিয়ে ফেলে। ফেডারেশন
কাপ ও প্রিমিয়ার লীগ জয় করে জর্জ
কোটানের আবাহনী লিমিটেড বুঝিয়ে
দেয়, চমক আর সাফল্যের মধ্যে পার্থক্যটা
বিস্তর। যদিও আবাহনীর সাফল্যের মুকুটে
দাগ ফেলে দিয়েছে পাতানো ম্যাচের
অভিযোগ।
বাফুফে নির্বাচন
বাফুফে নির্বাচনকে ঘিরে দু'পক্ষের সৃষ্ট
আবহাওয়া দেখে বোঝার উপায় নেই
খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে দেশের ফুটবল।
চেয়ার আঁকড়ে ধরে রাখা বা দখল
করাটাই যেন বড় এক চ্যালেঞ্জের নাম।
দু'পক্ষের সীমাহীন মিথ্যাচার,
নানামুখী অশুভ তৎপরতা, তৃতীয় পক্ষের
মাধ্যমে ভোটার ডেলিগেটদের প্রভাবিত
করার চেষ্টা_ সর্বোপরি নজিরবিহীন
পারিপাশর্ি্বকতার মধ্যে র্যাডিসন
হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ
ফুটবল ফেডারেশনের ২০১৬ সালের
নির্বাচন।
বাংলাদেশের ফুটবলের কিংবদন্তি
কাজী সালাউদ্দিন টানা তৃতীয়বারের
মতো বাফুফে সভাপতি নির্বাচিত
হয়েছেন। সিনিয়র সহসভাপতি পদে বিনা
প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন
সালাম মুর্শেদী। সহসভাপতি পদে ফের
এসেছেন কাজী নাবিল আহমেদ, বাদল
রায় ও তাবিথ আওয়াল। ফেডারেশনের
নির্বাচন নিয়ে তারা যেমন তৎপর
ছিলেন, সারা বছরে ফুটবল কার্যক্রমে
তার সিকিআনাও দেখা যায়নি।
প্রতিপক্ষ প্যানেল 'বাঁচাও ফুটবল'
বিভিন্ন নোংরা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে
জড়িয়ে পড়েছিল। এক মাস আগে থেকে
এজিএম ও নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার
সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যায় নানা অশুভ
তৎপরতা। বাঁচাও ফুটবলের নেতারা
নরসিংদী-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য
কামরুল আশরাফ খান পোটনকে কাজী
সালাউদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে
দাঁড় করান। জাতীয় পর্যায়ে ফুটবল বা
অন্য কোনো খেলার সঙ্গে সম্পৃক্ততা না
থাকলেও পোটনকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়
করানোটা ছিল বাঁচাও ফুটবলের বিস্ময়কর
উদ্যোগ।
কোর্টের বারান্দায় জাতীয় দলের
ফুটবলাররা
নতুন মৌসুমে দল বদলকে কেন্দ্র করে
কোর্টের বারান্দায় পর্যন্ত যেতে হয়েছে
বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মামুনুল
ইসলামসহ জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা,
শহিদুল আলম সোহেল, ইয়ামিন আহমেদ
চৌধুরী মুন্না, নাসির উদ্দিন চৌধুরী,
রায়হান হাসান ও আলমগীর কবির
রানাকে। শেখ জামালে গত মৌসুমে
খেলা এই আট ফুটবলার অন্য ক্লাবে নাম
লেখানোয় তাদের ফেরত চেয়ে
আদালতের দ্বারস্থ হয় শেখ জামাল
ধানমণ্ডি ক্লাব। আদালতের রায়ে পরে
তারা নতুন ক্লাবের হয়েই মাঠে
নেমেছেন। এ ছাড়া শৃঙ্খলা ভঙ্গের
অভিযোগে অধিনায়ক মামুনুলসহ চার
ফুটবলারকে বিভিন্ন মেয়াদে জাতীয় দল
থেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। যদিও তা
বাস্তবায়ন হয়নি।
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের প্রাইজমানি
দেয়নি বাফুফে
চলতি বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত
হয়েছিল বঙ্গবন্ধু কাপ, অথচ দশ মাস
পেরিয়ে গেলেও প্রাইজমানি হিসেবে
৫০ হাজার ডলার বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি
বলে অভিযোগ করেছিল অল নেপাল ফুটবল
অ্যাসোসিয়েশন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর
নামে কয়েক কোটি টাকা বাজেটের
ফুটবল টুর্নামেন্ট, অথচ চ্যাম্পিয়ন দলই
টাকা পায়নি। ভাবা যায়!
বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নিয়ে এ কোন
খেলা খেলল বাংলাদেশ ফুটবল
ফেডারেশন (বাফুফে)। এ ছাড়া ডাচ্ কোচ
রেনে কোস্টার তার বকেয়া বেতনের জন্য
ফিফার কাছে বাংলাদেশের নামে
নালিশ করেন। এ জন্য বাফুফেকে গুনতে
হয়েছে প্রায় এক লাখ ডলার জরিমানাও।
সলিডারিটি কাপে নাম এন্ট্রি করে না
খেলার জন্যও ২০ হাজার ডলার জরিমানা
গুনতে হয়েছে বাফুফেকে।
৪ বছরের ক্যালেন্ডার ঘোষণা
অন্ধকার থেকে বের হয়ে আসার জন্য
দেরিতে হলেও আলোর রাস্তায় হাঁটতে
চাচ্ছে বাফুফে। বাস্তবতায় ফিরে এসে
অলীক স্বপ্ন ও কথায় কথায় ইউরোপের
প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার মঞ্চে
চোখ দিয়েছেন বাফুফে সভাপতি কাজী
সালাউদ্দিন। বাফুফে তাদের আগামী
চার বছরের ক্যালেন্ডার ও পরিকল্পনা
প্রকাশ করে। ব্রিটিশ টেকনিক্যাল
ডিরেক্টর পল স্মলির পরিকল্পনায় মোটা
দাগে ভালো খবর হলো, তৃণমূলকে ঘিরে
উন্নয়ন পরিকল্পনা। চার বছর মেয়াদি
ক্যালেন্ডারটি এখন শুধু দেয়ালে না
ঝুললেই হয়।

প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলা চলচ্চিত্র ছিল শাকিবময়

প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলা
চলচ্চিত্র ছিল শাকিবময় তার অভিনীত
ছবিগুলোই দেখেছে দর্শক। এর মধ্যে এ
বছরই তিনি প্রথমবারের মতো অভিনয়
করেন যৌথ প্রযোজনার ছবিতে
‘শিকারি’ ছবির মধ্যমে দর্শক দেখতে
পায় নতুন এক শাকিব খানকে ছবিতে
তার নায়িকা ছিলেন কলকাতার
অভিনেত্রী শ্রাবন্তী কিন্তু শাকিব
খান অভিনীত ছবিতে নায়িকা থাকেন
কোণঠাসা। তাই ‘শিকারি’তে প্রধান
আকর্ষণ ছিলেন শাকিবই এ ছাড়া তার
অভিনীত অন্য ছবিগুলোও ছিল
আলোচনায় বলা যায়, একাই চলচ্চিত্রের
হাল ধরে রেখেছেন। তিনি যদি না
থাকতেন, তা হলে আমাদের চলচ্চিত্রে
কী হাল হতোÑ এটিই প্রধান প্রশ্ন ছবি
ছাড়াও আলোচনায় এসেছিলেন ‘উধাও অপু’
বিষয়ে কারণ তাকে অনেকেই অপুর
অভিভাবক মনে করেন আবার নতুন
নায়িকা বুবলীকে নিয়েও আলোচনায়
ছিলেন শাকিব
অপুর সঙ্গে শাকিবের
যে কয়টি চুক্তিবদ্ধ ছবি ছিল,
প্রতিটিতেই নিয়ে এসেছেন বুবলীকে

ব্রিটেনে বাঙালী এলাকায় ভোট জালিয়াতি বন্ধে পরিচয় পত্র দেখানো বাধ্যতা মূলক

ব্রিটেনে বাঙালী
এলাকায় ভোট জালিয়াতি বন্ধে
পরিচয় পত্র দেখানো বাধ্যতা মূলক
করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
এতদিন যাবত ব্রিটেনে ভোট
কেন্দ্রে কোন পরিচয়পত্র
দেখানোর প্রয়োজন ছিলনা। তবে
এখন থেকে পরিচয়পত্র ছাড়া ভোট
দেয়া যাবেনা । ২০১৮ সাল থেকে
বার্মিংহাম এবং ব্রাডফোর্ড সহ
প্রধানত দক্ষিণ এশীয় অধ্যুষিত
এলাকার স্থানীয় সরকার
নির্বাচনে নতুন এই বিধি
পরীক্ষামূলক-ভাবে কার্যকর করা
হবে। ভোট দিতে যাওয়ার সময়
ভোটারদের ড্রাইভিং লাইসেন্স
এবং পাসপোর্টের মত ছবি সহ
পরিচয়পত্র সাথে নিতে হবে।
এদিকে নতুন নিয়মের সামালোচনা
শুরু হয়েছে বাঙালীদের মধ্য
থেকে। অনেকেই এটিকে
অপমানজনক বলে মন্তব্য করেছেন।
তারা এই আইনকে একই দেশে দুই
নিয়ম বলে মন্তব্য করেছেন। তারা
বলছেন ব্রিটেন হচ্ছে বহুজাতিক
বৈচিত্রময় একটি দেশ। যেখানে
মানুষের প্রতি মানুষের আস্তা ও
বিশ্বাস বিদ্যমান। কিন্তু ভোটের
ক্ষেত্রে এই নতুন নিয়ম
বাঙালীদের অন্যান্য জাতির
কাছে আস্তাহীন জাতিতে পরিনত
করবে।
তবে কেউ কেউ বলছেন সরকার
ইমিগ্রেশন নীতিকে এখন আরো
প্রসারিত করতে যাচ্ছে। শুধু ভোট
প্রদান নয়, এনএইচএস এমনকি
শিশুদের স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে
পরিচয় পত্র বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
এদিকে ব্রিটেনের সংবিধান
বিষয়ক মন্ত্রী ক্রিস স্কিডমোর
বলেছেন, “নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর
মানুষর আস্থা ধরে রাখার জন্য এটি
জরুরী হয়ে পড়েছে।” ২০১৫ সালে
লন্ডনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত
টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের
মেয়র নির্বাচনে ভোট
জালিয়াতির এক কেলেঙ্কারির
সূত্র ধরে নতুন এই বিধি আসছে।
টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের
মেয়র নির্বাচনে নির্বাচিত
হয়েছিলেন বাংলাদেশি
বংশোদ্ভূত রাজনীতিক লুৎফর
রহমান। কিন্তু তার বিরুদ্ধে নানা
উপায়ে ভোট জালিয়াতির
অভিযোগ ওঠে। আদালতেও লুৎফর
রহমান দোষী সাব্যস্ত হন এবং
তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
ঐ ঘটনার পরপরই তৎকালীন
প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন
ভোট পদ্ধতি পর্যালোচনার জন্য
একটি কমিশন গঠন করেন। এক বছর
ধরে কাজ করে সাবেক স্থানীয়
সরকার মন্ত্রী এরিক পিকলসের
তত্বাবধানে ঐ কমিশন আগস্ট
মাসে তাদের রিপোর্ট দেয়। লুৎফর
রহমান। ভোট কেলেঙ্কারিতে
ক্ষমতা হারিয়েছিলেন টাওয়ার
হ্যামলেটসের সাবেক এই মেয়র।
রিপোর্টে খোলাখুলি
ইংল্যান্ডের বাংলাদেশি এবং
পাকিস্তানী অভিবাসী এলাকায়
নির্বাচনী অনিয়মের কথা বলা হয়।
মন্তব্য করা হয় – “রাজনৈতিক
স্পর্শকাতরতার বিবেচনায়
অধিকাংশ ক্ষেত্রে পাকিস্তানী
এবং বাংলাদেশিদের মধ্যে এই
অনিয়ম জালিয়াতির বিষয়টি
ইচ্ছা করেই অগ্রাহ্য করা হয়।”
এরিক পিকলসের ঐ রিপোর্টেই
ভোটারদের জন্য পরিচয়পত্র
বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা
হয়। পোস্টাল ব্যালট অর্থাৎ ডাকে
ভোট দেওয়ার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন
আনার সুপারিশ করা হয়েছে।
এছাড়া ভোটারদের ওপর চাপ বা
হয়রানি বন্ধের জন্য ভোট
কেন্দ্রগুলোর আশপাশে পুলিশ
মোতায়েনের সুপারিশ করা হয়।

নেশা করতে বাংলাদেশি ২ টাকা নোট জনপ্রিয় ভারতে

দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণ
ও ডলারসহ মূল্যবান দ্রব্যের
পাশাপাশি পাচার হচ্ছে এখন
বাংলাদেশি কাগজের নোট। সম্প্রতি
বেনাপোল চেকপোস্টে বিপুল
পরিমাণ দুই টাকার নোটসহ দু’ভারতীয়
নাগরিক আটক হওয়ায়, বিষয়টি নজরে
এসেছে পুলিশের।
পুলিশ বলছে, দুই টাকার নোটের
মাধ্যমে পাইপ তৈরি করে হেরোইন ও
ইয়াবা সেবন করে মাদকাসক্তরা।
সিগারেটের প্যাকেটের ভেতরে
থাকা পাতলা কাগজিটিও একাজে
ব্যবহার করা হয়। তবে ভারতীয়
তরুণদের অধিক পছন্দ বাংলাদেশের
দুই টাকার নতুন নোট।
এদিকে পাচারকারীরা এই টাকাগুলো
কীভাবে সংগ্রহ করছে সেই তথ্য বের
করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান
বেনাপোল পোর্টথানার তদন্তকারী
কর্মকর্তা কাজী এহাসানুল হক।
বেনাপোল কাস্টমস কর্মকর্তারা
বলছেন, চেকপোস্টের স্ক্যানার
মেশিনের কাগজের নোট সনাক্ত
করার ক্ষমতা না থাকায়, পাচার রোধ
সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে দুই টাকার
নোট বেশি পাচার হচ্ছে। তারা
বলেন, দ্রুত নোট সনাক্তে সক্ষম
স্ক্যানার স্থাপন করা দরকার।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের
রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ
শফিউল্লাহ বলেন, মানিব্যাগে
লোহা জাতীয় অন্যকিছু থাকলে
আমরা সেটা চিহিৃত করতে পারি।
কিন্তু নোট ধরার মতো স্ক্যানার
আমাদের নেই। ভবিষ্যতে এই ধরনের
মেশিন দিলে আমরা এসব অবৈধ ধরতে
পারবো।
এর আগে বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে
বলা হয়েছিল, ভারতের মাদক
সেবীদের অনেকের কাছে নেশাদ্রব্য
গ্রহণের জন্য বাংলাদেশি নতুন দুই
নোট খুবই জনপ্রিয়। এ জন্য দেশটিতে
নাকি বাংলাদেশের দুই টাকার নোট
৫ রুপি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

১১৯ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি

কক্সবাজারের ও উখিয়া সীমান্ত দিয়ে
অনুপ্রবেশকালে ১১৯ রোহিঙ্গাকে ফেরত
পাঠিয়েছে বাংলাদেশ বর্ডার গা
র্ড
ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) সদস্যরা।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উখিয়ার ৩টি
পয়েন্ট দিয়ে এসব রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের
চেষ্টা করলে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।
বিজিবির কক্সবাজারস্থ ৩৪
ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল
ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, সীমান্ত
অতিক্রম করে অনুপ্রবেশ করতে চাওয়া ১১৯
জন রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানো হয়।
এদের মধ্যে ৩৮ জন নারী, ৬৫ জন শিশু ও
১৬ জন পুরুষ রয়েছে। এ মাসের শুরু থেকে
আজ পযর্ন্ত ৩২৬ জন কে ফেরত পাঠায়
বিজিবি।

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধিনে এবারের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৯৩.৩৭

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধিনে
এবারের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট
(জেএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার
৯৩.৩৭ যা গতবছরের থেকে
২২শতাংশ কম গতবছর পাসের হার
ছিলো ৯৩.৫৯
তবে পাসের হাসের সূচক কিছুটা
কমলেও এবছর বেড়েছে জিপিএ-৫
প্রাপ্তির সংখ্যা এবছর জিপিএ-৫
পেয়েছে মোট ১০ হাজার ২৫৫ জন
শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ছেলে ৪
হাজার ৪শ’ ৫৭ ও মেয়ে ৫ হাজার ৭শ’
৯৮জন
যা গতবছরের তুলনায় ৫২৯৯ টি বেশি
গতবছর জিপিএ-৫ পায় ৪ হাজার ৯৫৬
জন পরীক্ষার্থী
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বোর্ডের
সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ
সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ
ফলাফল ঘোষণা করেন সিলেট
শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক
মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম
বোর্ডের অধিনে মোট ১ লক্ষ ৩০
হাজার ৭শ’ ০৩জন শিক্ষার্থী
পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১
লক্ষ ২২হাজার ৩৪ জন এদের মধ্যে
ছেলে ৫৩ হাজার ২শ’ ৪৮ ও মেয়ে
শিক্ষার্থী ৬৮ হাজার ৭শ’ ৮৬জন
বোর্ডে ছেলেদের পাসের হার ৯৩.৫৩
ও মেয়েদের পাসের হার ৯৩.২৪
এদিকে সিলেট বিভাগের সিলেট
জেলায় পাশের হার ৯৪.৪১ এ জেলায়
মোট ৪৭ হাজার ৮শ’৮২ জন
শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস
করেছে ৪৫ হাজার ৩শ’৯৯ জন জিপিএ
৫ পেয়েছে ৪হাজার ৯শ’৮৯ জন
সুনামগঞ্জ জেলায় পাসের হার
৯৩.০৮ এ জেলায় মোট ২৮ হাজার ৬০০
শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস
করেছে ২৬ হাজার ৬শ’২০ জন জিপিএ
৫ পেয়েছে ১ হাজার ৪শ’৬৮ জন
হবিগঞ্জ জেলায় পাশের হার ৯২.৭৫
এ জেলায় মোট ২৫ হাজার ২শ’৬ জন
শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস
করেছে ২৩ হাজার ৩শ’৭৮ জন
জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ হাজার ৬শ’৭২
জন
মৌলভীবাজার জেলায় পাসের হার
৯১.৮০ এ জেলায় মোট ২৯ হাজার ১৫
জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস
করেছে ২৬ হাজার ৬শ’৩৭ জন
জিপিএ ৫ পেয়েছে ২হাজার ১শ’২৬
জন
এবছর ১০০৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
মধ্যে ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ
পাস করেছে তবে শুন্য পাসের কোন
প্রতিষ্ঠান নেই।