বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬

নেশা করতে বাংলাদেশি ২ টাকা নোট জনপ্রিয় ভারতে

দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণ
ও ডলারসহ মূল্যবান দ্রব্যের
পাশাপাশি পাচার হচ্ছে এখন
বাংলাদেশি কাগজের নোট। সম্প্রতি
বেনাপোল চেকপোস্টে বিপুল
পরিমাণ দুই টাকার নোটসহ দু’ভারতীয়
নাগরিক আটক হওয়ায়, বিষয়টি নজরে
এসেছে পুলিশের।
পুলিশ বলছে, দুই টাকার নোটের
মাধ্যমে পাইপ তৈরি করে হেরোইন ও
ইয়াবা সেবন করে মাদকাসক্তরা।
সিগারেটের প্যাকেটের ভেতরে
থাকা পাতলা কাগজিটিও একাজে
ব্যবহার করা হয়। তবে ভারতীয়
তরুণদের অধিক পছন্দ বাংলাদেশের
দুই টাকার নতুন নোট।
এদিকে পাচারকারীরা এই টাকাগুলো
কীভাবে সংগ্রহ করছে সেই তথ্য বের
করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান
বেনাপোল পোর্টথানার তদন্তকারী
কর্মকর্তা কাজী এহাসানুল হক।
বেনাপোল কাস্টমস কর্মকর্তারা
বলছেন, চেকপোস্টের স্ক্যানার
মেশিনের কাগজের নোট সনাক্ত
করার ক্ষমতা না থাকায়, পাচার রোধ
সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে দুই টাকার
নোট বেশি পাচার হচ্ছে। তারা
বলেন, দ্রুত নোট সনাক্তে সক্ষম
স্ক্যানার স্থাপন করা দরকার।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের
রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ
শফিউল্লাহ বলেন, মানিব্যাগে
লোহা জাতীয় অন্যকিছু থাকলে
আমরা সেটা চিহিৃত করতে পারি।
কিন্তু নোট ধরার মতো স্ক্যানার
আমাদের নেই। ভবিষ্যতে এই ধরনের
মেশিন দিলে আমরা এসব অবৈধ ধরতে
পারবো।
এর আগে বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে
বলা হয়েছিল, ভারতের মাদক
সেবীদের অনেকের কাছে নেশাদ্রব্য
গ্রহণের জন্য বাংলাদেশি নতুন দুই
নোট খুবই জনপ্রিয়। এ জন্য দেশটিতে
নাকি বাংলাদেশের দুই টাকার নোট
৫ রুপি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

১১৯ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি

কক্সবাজারের ও উখিয়া সীমান্ত দিয়ে
অনুপ্রবেশকালে ১১৯ রোহিঙ্গাকে ফেরত
পাঠিয়েছে বাংলাদেশ বর্ডার গা
র্ড
ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) সদস্যরা।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উখিয়ার ৩টি
পয়েন্ট দিয়ে এসব রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের
চেষ্টা করলে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।
বিজিবির কক্সবাজারস্থ ৩৪
ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল
ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, সীমান্ত
অতিক্রম করে অনুপ্রবেশ করতে চাওয়া ১১৯
জন রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানো হয়।
এদের মধ্যে ৩৮ জন নারী, ৬৫ জন শিশু ও
১৬ জন পুরুষ রয়েছে। এ মাসের শুরু থেকে
আজ পযর্ন্ত ৩২৬ জন কে ফেরত পাঠায়
বিজিবি।

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধিনে এবারের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৯৩.৩৭

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধিনে
এবারের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট
(জেএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার
৯৩.৩৭ যা গতবছরের থেকে
২২শতাংশ কম গতবছর পাসের হার
ছিলো ৯৩.৫৯
তবে পাসের হাসের সূচক কিছুটা
কমলেও এবছর বেড়েছে জিপিএ-৫
প্রাপ্তির সংখ্যা এবছর জিপিএ-৫
পেয়েছে মোট ১০ হাজার ২৫৫ জন
শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ছেলে ৪
হাজার ৪শ’ ৫৭ ও মেয়ে ৫ হাজার ৭শ’
৯৮জন
যা গতবছরের তুলনায় ৫২৯৯ টি বেশি
গতবছর জিপিএ-৫ পায় ৪ হাজার ৯৫৬
জন পরীক্ষার্থী
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বোর্ডের
সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ
সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ
ফলাফল ঘোষণা করেন সিলেট
শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক
মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম
বোর্ডের অধিনে মোট ১ লক্ষ ৩০
হাজার ৭শ’ ০৩জন শিক্ষার্থী
পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১
লক্ষ ২২হাজার ৩৪ জন এদের মধ্যে
ছেলে ৫৩ হাজার ২শ’ ৪৮ ও মেয়ে
শিক্ষার্থী ৬৮ হাজার ৭শ’ ৮৬জন
বোর্ডে ছেলেদের পাসের হার ৯৩.৫৩
ও মেয়েদের পাসের হার ৯৩.২৪
এদিকে সিলেট বিভাগের সিলেট
জেলায় পাশের হার ৯৪.৪১ এ জেলায়
মোট ৪৭ হাজার ৮শ’৮২ জন
শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস
করেছে ৪৫ হাজার ৩শ’৯৯ জন জিপিএ
৫ পেয়েছে ৪হাজার ৯শ’৮৯ জন
সুনামগঞ্জ জেলায় পাসের হার
৯৩.০৮ এ জেলায় মোট ২৮ হাজার ৬০০
শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস
করেছে ২৬ হাজার ৬শ’২০ জন জিপিএ
৫ পেয়েছে ১ হাজার ৪শ’৬৮ জন
হবিগঞ্জ জেলায় পাশের হার ৯২.৭৫
এ জেলায় মোট ২৫ হাজার ২শ’৬ জন
শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস
করেছে ২৩ হাজার ৩শ’৭৮ জন
জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ হাজার ৬শ’৭২
জন
মৌলভীবাজার জেলায় পাসের হার
৯১.৮০ এ জেলায় মোট ২৯ হাজার ১৫
জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে পাস
করেছে ২৬ হাজার ৬শ’৩৭ জন
জিপিএ ৫ পেয়েছে ২হাজার ১শ’২৬
জন
এবছর ১০০৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
মধ্যে ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ
পাস করেছে তবে শুন্য পাসের কোন
প্রতিষ্ঠান নেই।

বুধবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৬

চলছে উৎসবহীন ভোট

সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনের
ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৯টা থেকে।
তবে ভোটারদের সংখ্যা একেবারেই কম
হওয়ায় ভোটকেন্দ্রেও নেই তেমন ভীড়।
আর সাধারণ মানুষ এই নির্বাচনের
ভোটার না হওয়ায় তাদের মধ্যে
নির্বাচন নিয়ে নেই তেমন আগ্রহ। ফলে
আজকের ভোটে তেমন উৎসবের আমেজ
লক্ষ্য করা যায় নি। নগরজীবনেও
কোনো প্রভাব ফেলেনি এই ভোটগ্রহণ।
তবে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের
উপস্থিতি তেমন একটা চোখে না পড়লেও
বাইরে উৎসুক প্রার্থীদের সমর্থক আর
তাদের কর্মীদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
সিলেট নগরীর মদন মোহন কলেজ কেন্দ্র
ও দক্ষিণ সুরমার ইছরাব আলী হাই স্কুল
কেন্দ্র ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।
জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার হচ্ছেন
নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। সিটি
কর্পোরেশনের, মেয়র, কাউন্সিলার,
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ভাইস
চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র
কাউন্সিলার এবং ইউনিয়ন পরিষদের
চেয়ারম্যান সদস্যরাই তাদের প্রত্যক্ষ
ভোটে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও
সদস্যদের নির্বাচিত করবেন। সিলেট
জেলায় তাদের সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার
৪শ’ ৩৭ জন।

মিয়ানমারের নৌবাহিনীর গুলিতে বাংলাদেশি ৬ জেলে আহত

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার
সেন্টমার্টিন দ্বীপের নিকটবর্তী সাগরে
মিয়ানমারের নৌবাহিনীর গুলিতে
বাংলাদেশি ছয় জেলে জখম হয়েছেন
বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।
মঙ্গলবার বিকেলে সেন্টমার্টিনের
ছেঁড়া দ্বীপের পূর্বে নিকটবর্তী সাগরে
এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন- কক্সবাজার শহরের
নুনিয়ারছড়া এলাকার ওসমান গনি,
রফিকুল ইসলাম, ওসমান গনি-২, মোহাম্মদ
আলম, নূর আহমেদ এবং মহেশখালীর
সাইফুল ইসলাম।
কোস্টগার্ডের সেন্টমার্টিন স্টেশনের
কমান্ডার মো. সাইফুল আবছার বলেন,
কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ার
বাসিন্দা সুলতান আহমদের
মালিকানাধীন এফ বি জাবিনা/
খালেদা-১ ফিশিং ট্রলারটি ১৪ জেলে
নিয়ে কয়েকদিন আগে সাগরে মাছ ধরতে
যায়। মঙ্গলবার সকালে তারা
সেন্টমার্টিনের ছেঁড়া দ্বীপের পূর্বে
নিকটবর্তী সাগরে বাংলাদেশের
জলসীমায় মাছ ধরতে জাল ফেলে।
গুলিবিদ্ধ জেলেদের বরাত দিয়ে তিনি
বলেন, বিকেলের দিকে মিয়ানমারের
নৌবাহিনীর একটি জাহাজ
বাংলাদেশি জেলেদের ট্রলার ধাওয়া
করে। এক পর্যায়ে ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি
করে। এতে ছয় জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
তাদের হাত, পা ও মাথার নিচে গুলি
লেগেছে।
সাইফুল আবছার জানান, গুলিবিদ্ধদের
নিয়ে অন্য জেলেরা ট্রলারটিসহ
সেন্টমার্টিন দ্বীপের ঘাটে পৌঁছায়। এ
সময় স্থানীয় লোকজন তাদের
সেন্টমার্টিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
করে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
পাঠায়।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের
মেডিক্যাল অফিসার ডা. সুপ্রব দাশ
জানান, গুলিবিদ্ধ জেলেদের প্রাথমিক
চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের
অবস্থার অবনতি হওয়ায় কক্সবাজার সদর
হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ইজতেমা যাত্রীদের বাস উল্টে ২ জন নিহত ও আহত হয়েছেন ১০ জন

ইজতেমা যাত্রীদের
বাস উল্টে ২ জন নিহত ও আহত
হয়েছেন ১০ জন
। বিয়ানীবাজারের
আলীনগর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর
গ্রামে বুধবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে এ
ঘটনা ঘটে। আহতদের সিলেট
ওসমানী মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জানা যায়, জকিগঞ্জ থেকে আসা
ইজতেমা যাত্রীদের বহনকারী বাস
সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে
ওভারটেক করতে গেলে বাস উল্টে
গিয়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত আরকান
আলী (৬৫) কে গোলাপগঞ্জ
উপজেলা হাসপাতালে পাঠালে
সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা
তাকে মৃত ঘোষনা করেন। নিহত
আরকান আলীর বাড়ি বাড়ি
জকিগঞ্জের শাহবাগে। আহতদের
মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশংকাজনক
বলে জানা গেছে। বিয়ানীবাজার
থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী
এই হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন।
উল্লেখ্য, আগামী ২৯, ৩০ ও ৩১
ডিসেম্বর সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে
তাবলিগ জামাতের ইজতেমা।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলার
মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের সিলেট-
সুনামগঞ্জ বাইপাস সড়ক সংলগ্ন
লতিপুর-খিদিরপুর এলাকার মাঠে
এই ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।

রাবির হলকে নিরাপদ মনে করছেন না শিক্ষার্থীরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি)
আবাসিক হলে শিক্ষার্থী খুন হওয়া ও
ল্যাপটপ, সাইকেলসহ প্রয়োজনীয়
জিনিসপত্র চুরির ঘটনায় হলগুলোকে
নিরাপদ মনে করছেন না শিক্ষার্থীরা।
হলগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি
জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ
শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১০টার
দিকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ
মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন শেষে একই দাবিতে বেলা
১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক
মুহম্মদ মিজানউদ্দিনের দপ্তরে
স্মারকলিপি প্রদান করেন।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, কক্ষে
তালা মেরে যাওয়ার পরও দিনে-দুপুরে
তালা খুলে সবগুলো চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ
দায় হল প্রশাসন কিছুতেই এড়াতে পারে
না। হল থেকে শুধু চুরিই নয়, ঘটেছে লিপু
হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনাও। তারপরও হল
প্রশাসনের কোনো টনক নড়েনি। একটি
ঘটনার পর দুই-একদিন তারা আলোচনা
করেই দায় সারেন। কিন্তু এবার আর তা
হবে না। হলে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে
এবং গার্ডদেরকে সচেতন করে সার্বিক
নিরাপত্তা দিতে হবে। এরপরও এ ধরনের
ঘটনা ঘটতে থাকলে আমরা বড় ধরনের
আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, হল
থেকে ল্যাপটপ চুরির ঘটনা নতুন নয়। দিন
দিন এরকম ঘটনা বেড়েই চলেছে। গত এক
সপ্তাহে ৯টি ল্যাপটপ চুরি হয়েছে। এখন
আবাসিক হলগুলোকে আমরা নিরাপদ মনে
করছি না। হল প্রশাসন যদি কোনো
পদক্ষেপ না নেয়, তবে যারা এই চুরির
সঙ্গে জড়িত তারা আরো উৎসাহিত হয়ে
এ ধরনের ঘটনা ঘটাতেই থাকবে।
শের-ই-বাংলা হলের আবাসিক
শিক্ষার্থী মাহফুজ মুন্নার সঞ্চালনায়
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শহীদ হবিবুর
রহমান হলের শিক্ষার্থী মাসুদুর রহমান
সোহেল, মাদার বখশ হলের শিক্ষার্থী
মইনুল ইসলাম, শহীদ শামসুজ্জোহা হলের
শিক্ষার্থী মোমিনুল ইসলাম সোহাগ,
মতিহার হলের শিক্ষার্থী নাদিম
মাহমুদ, শের-ই-বাংলা হলের শিক্ষার্থী
আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, গত এক সপ্তাহে রাবির বঙ্গবন্ধু,
মাদার বখশ, শহীদ জিয়াউর রহমান ও
শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল থেকে ৯টি
ল্যাপটপ চুরির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে শুধু
মাদার বখশ হল থেকেই পাঁচটি ল্যাপটপ ও
দামি জিনিসপত্র চুরি হয়েছে। এতে
শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদী এই
কর্মসূচির ডাক দেন।

মুশফিকের সাথে নেই মুস্তাফিজ,ফর্মের কারণে আউট সৌম্য, কি হবে বাংলাদেশের ?

স্পোর্টস ডেস্কঃ মুশফিকুর রহিম
যে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে খেলছেন
না সেটা কোচ চন্ডিকা
হাথুরুসিংহেই জানিয়ে
দিয়েছেন। তবে নেলসনের কালকের
ম্যাচের বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন
এটুকুই নয়। বিশ্রাম দেওয়া হতে
পারে মোস্তাফিজুর রহমানকেও। এ
ছাড়া সৌম্য সরকারের জায়গায়
ওয়ানডে অভিষেক হতে পারে লেগ
স্পিনার তানভীর হায়দারের।
দল সূত্রে জানা গেছে, ফিজিওর
পরামর্শেই আজ বিশ্রাম দেওয়া
হতে পারে মোস্তাফিজকে। চোট
থেকে মাত্র ফেরায় তাঁকে
একটানা খেলাতে রাজি নন
ফিজিও। মোস্তাফিজের পরিবর্তে
দলে আসতে পারেন আন্তর্জাতিক
অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা
পেসার শুভাশিস রায়। আর সৌম্য
বাদ পড়ছেন ফর্মের কারণেই।
সংবাদ সম্মেলনে কোচও দিয়েছেন
সেরকম আভাস, ‘কেউ
ধারাবাহিকভাবে পারফরম না
করলে তো একটা পর্যায়ে বিকল্প
ভাবতেই হবে।’
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট পুরোপুরি না
সারায় মুশফিক ছিটকে যেতে
পারেন সিরিজের শেষ ওয়ানডে
এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ
থেকেও। তার জায়গা নিয়ে
ওয়ানডে অভিষেক হচ্ছে আরেক
উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান নুরুল
হাসানের। জাতীয় দলের হয়ে এখন
পর্যন্ত শুধু ছয়টি টি-টোয়েন্টি
ম্যাচ খেলেছেন এই তরুণ।

সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন এডভোকেট লুৎফুর রহমান

সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে
চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন
এডভোকেট লুৎফুর রহমান
। জেলা
আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ
প্রার্থী আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সিলেটে ১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে সব কয়টি
কেন্দ্রের ভোটের বেসরকারি
ফলাফলের ভিত্তিতে চেয়ারম্যান পদে
বিজয়ী হয়েছেন লুৎফুর রহমান।
আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন
৭৯৬টি ভোট। লুৎফুর রহমানের নিকটতম
প্রতিদ্বন্দ্বি এনামুল হক সরদার এসব
কেন্দ্রে কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ৫৫৩
ভোট পেয়েছেন।

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৭, ২০১৬

বইমেলায় ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ শ্রাবণ প্রকাশনী

সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থা শ্রাবণ
প্রকাশনীকে আগামী দুবছরের জন্য একুশে
বইমেলায় কোনও স্টল বরাদ্দ দেওয়া হবে
না। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলা
একাডেমির মহাপরিচালক
শামসুজ্জামান খান।
শ্রাবণ প্রকাশনীর সত্ত্বাধিকারী রবিন
আহসান সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) বইমেলা
২০১৭-এর স্টল বরাদ্দ চেয়ে ফর্ম নিতে
গিয়ে জানতে পারেন যে, তার
প্রকাশনীকে দুই বছরের জন্য একুশে
বইমেলায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এরপর তিনি সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস লিখেন,
তা হল- ‘আজকে জানলাম, শ্রাবণ
প্রকাশনী দুই বছর বাংলা একাডেমিতে
নিষিদ্ধ!!! বাংলা একাডেমির বইমেলায়
সংস্কৃতি মন্ত্রীর উপস্থিতিতে ষষ্ঠ
সভায় নাকি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছে!!
এ স্ট্যাটাসের পরপরই ফেসবুকে
প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। শ্রাবণ প্রথম
সারির প্রকাশনীগুলোর একটি এবং রবিন
আহসান প্রতিবাদী কণ্ঠ হিসেবে লেখক
সমাজে পরিচিত। কেন নিষিদ্ধ করা হলো
বন্ধুদের এমন প্রশ্নে রবিন আহসান
ফেসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাসে লিখেছেন,
‘হায় গণতন্ত্র, একজন প্রবীণ প্রকাশক ও
লেখককে গ্রেপ্তার করায়, আমি টকশোতে
এই ঘটনার নিন্দা জানাই। আমাদের
বন্ধুরা শাহবাগে সমাবেশ করে। সেই
সমাবেশে বক্তব্য রাখায় গণতন্ত্রের
পতাকাবাহী বাংলা একাডেমির
ইতিহাসের সর্বোচ্চ সময়ের
মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান
শ্রাবণ প্রকাশনীকে দুবছরের জন্য
নিষিদ্ধ করেন! আমি হয়তো না খেয়ে
মরবো না, তবে এই গণতান্ত্রিক দেশে
আর বেশিদিন থাকছি না এটা সত্য।
আমার মুখ বন্ধ করার ক্ষমতা যদি হয়
শ্রাবণ বন্ধ, তবে এও সত্য পাল্টা বইমেলা
হবে।’
এ বিষয়ে বাংলা একাডেমির
মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলেন,
‘ও মিথ্যাচার করেছে। গত বছর আমরা
রোদেলা প্রকাশনীকে বন্ধ করে দিতে
বাধ্য হয়েছিলাম। তারা ধর্মীয় বিষয়ে
অশ্লীল বই প্রকাশের কারণে অভিযুক্ত হয়
এবং হেফাজত বইমেলায় আক্রমণের হুমকি
দেয়। ওই প্রকাশনা থাকলে বইমেলা
পুড়িয়ে দেওয়া হতো। এরপর সে (রবিন
আহসান) ওই প্রকাশনীর পক্ষে
টিএসসিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে
প্রতিবাদ করেছে।’
এজন্যই কি দুবছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন
তিনি প্রশ্নে শামসুজ্জামান খাঁন বলেন,
‘হ্যাঁ।’

বই উৎসব নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের বিরোধ

আগামী ১ জানুয়ারি প্রাথমিক ও
গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে
মহানগরীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
শিশুদের নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে উদ্যাপন করা
হবে পাঠ্যপুস্তক উৎসব ২০১৭। অন্যদিকে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একই দিন
রাজধানীর আজিমপুর গভর্নমেন্ট স্কুল
অ্যান্ড কলেজ মাঠে উদ্যাপন করা হবে
পাঠ্যবই উৎসব।
জাতীয় এ উৎসব নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের
পৃথক আয়োজনে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন
পরস্পরবিরোধী অবস্থান নতুন কিছু নয়।
সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষা ৮ম
শ্রেণি পর্যন্ত ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ।
কার্যকর বাস্তবায়ন নেই গত ৬ বছরেও।
বরং ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত কর্তৃত্ব-
প্রাপ্তির রশি টানাটানিতে মৌন
দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে শিক্ষা
মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
মন্ত্রণালয়। এ দ্বন্দ্বের রেশ দৃশ্যমান
হয়েছে প্রাথমিক সমাপনী ও অষ্টম
শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণের মধ্য
দিয়ে। ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি পাঠ্যবই
উৎসব আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিষয়টি
আরও স্পষ্ট হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক
ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উৎসব
আয়োজনে ব্যয় নির্বাহে আকাশচুম্বী
বাজেট নিয়েও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এ মন্ত্রণালয়ের
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল
মুহিতের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
সেখানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী
মোস্তাফিজুর রহমান, মন্ত্রণালয়ের
সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের
মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের
উপস্থিতিতে শিশুদের হাতে তুলে
দেওয়া হবে নতুন পাঠ্যবই। অন্যদিকে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠ্যবই উৎসবে
থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম
নাহিদ, মন্ত্রণালয়ের সচিব, মাধ্যমিক ও
উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক,
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং
এনসিটিবির চেয়ারম্যান উৎসবের
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে জানা
গেছে।
এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের উৎসবের জন্য ৩০ লাখেরও
বেশি টাকা ব্যয় দেখানোতে প্রশ্নবিদ্ধ
হয়েছেন কর্মকর্তারা। বিষয়টি নিয়ে
তাদের মধ্যেই মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।
একপক্ষ ইতোমধ্যেই অভিযোগ তুলেছেÑ
পাঠ্যবই উৎসবের নামে সরকারের অর্থের
লোপাট হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের একাধিক
কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন,
আমরা বই বিতরণ করব প্রাথমিক স্তরের
শিক্ষার্থীদের মাঝে। কিন্তু উৎসবের
আয়োজন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়
মাঠে। যা কখনই করা হয়নি। এটা সরকারি
অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়।
জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের পাঠ্যবই উৎসব
খাতে মোট ৩০ লাখ তিন হাজার ৫০০
টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মঞ্চ
ও মাঠ সজ্জায় এক লাখ ৫ হাজার টাকা,
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য এক লাখ ৫০
হাজার ৭৫০ টাকা, আমন্ত্রণপত্র ছাপানো
ও বিতরণের জন্য ৫৫ হাজার টাকা,
আপ্যায়ন ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি
ব্যয় ৯ লাখ ৪ হাজার ১০০ টাকা,
সেলিব্রেটি উপস্থিতি ও সম্মানী দুই
লাখ টাকা, ডকুমেন্টারি তৈরিতে চার
লাখ ৪৯ হাজার ৬৫০ টাকা, মিডিয়া
প্রচার ও অন্যান্য তথ্য যোগাযোগ খাতে
দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ ধরা
হয়েছে। বই উৎসবের জন্য এত টাকা ব্যয়
নির্ধারণের কারণ সম্পর্কে জানতে
চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের সচিব এ বিষয়ে কোনো কথা
বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে
গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব
গিয়াস উদ্দিন আহমেদ জানান, আসলে
একটি বড় অনুষ্ঠানের ডেকোরেশন, মাঠ
সাজানো ও এ সংক্রান্ত কাজে এ ব্যয়
নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
অনুষ্ঠানের জন্য সাত লাখ টাকার
সংস্থান করা হয়েছে এনসিটিবি,
শিক্ষা বোর্ড এবং শিক্ষা অধিদফতর
থেকে।
দুই মন্ত্রণালয়ের আলাদা অয়োজন এ
উৎসবের আনন্দে বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে
মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ২০১০ সাল
থেকে দুই মন্ত্রণালয় একই ভেন্যুতে
কেন্দ্রীয়ভাবে এ উৎসবের আয়োজন
করলেও গত বছর থেকে পৃথক উৎসব পালন
করা হচ্ছে। জাতীয় এ উৎসবকে পৃথককরণ
করায় নানা বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে শিক্ষা
পরিবারে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব বলেন,
প্রাথমিক শিক্ষা স্তর ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত
বাস্তবায়নের জন্য ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণি পর্যন্ত
কর্তৃত্বের রশি টানাটানি থাকায় মৌন
রেষারেষিতে একসঙ্গে কোনো কাজ
করতে চায় না দুই মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি
প্রাথমিক মন্ত্রণালয়কে ৮ম শ্রেণি
পর্যন্ত বুঝিয়ে দেওয়ার পরও পরীক্ষা
গ্রহণে অনিহা প্রকাশ করে প্রাথমিক ও
গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরে এ পরীক্ষা
অনুষ্ঠিত হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
তত্ত্বাবধানে। পাঠ্যপুস্তক উৎসব নিয়ে এ
বিরোধ আরও চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নজরুল
ইসলাম খান বলেন, এটি একটি জাতীয়
উৎসব। একসঙ্গে করতে হবেÑ কোথায়ও
বাধ্যবাধকতা নেই। এ কারণে প্রাথমিক
মন্ত্রণালয় বই উৎসবকে আলাদাভাবে
পালন করবে। আগে একসঙ্গে হলেও গত দুই
বছর থেকে আলাদা করার কারণ জানতে
চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য
করতে রাজি হননি।
আর মাত্র তিনদিন। দেশব্যাপী
পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালনের প্রস্তুতি প্রায়
শেষ। প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও
মাধ্যমিক স্তরের চার কোটি ২৬ লাখ
শিক্ষার্থীর জন্য ৩৬ কোটি ২১ লাখ নতুন
পাঠ্যবইও প্রায় প্রস্তুত। ইতোমধ্যেই প্রায়
সব উপজেলার স্কুলে পৌঁছে গেছে এসব
বই।

সড়ক দূর্ঘটনায় শাবি কর্মকর্তা হারুন রশীদ নিহত

শাহজালাল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্বদ্যিালয়ের প্রশাসনিক
কর্মকর্তা হারুন-অর রশীদ আর নেই।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টায় নর্থ ইস্ট
মেডিকেলের সামনে একটি ট্রাক
মোটরবাইক আরোহী হারুন-অর-
রশীদকে ধাক্কা দিলে তিনি
ঘটনাস্থলেই মারা যান।
হারুন-অর-রশীদ শাবির পরীক্ষা
নিয়ন্ত্রক দপ্তরে কর্মরত ছিলেন।
সহকারী প্রক্টর আবু হেনা পহিল
জানান, মোটরসাইকেল চালানোর
সময় একটি ট্রাক ধাক্কা দিলে
হারুন-অর-রশীদ ঘটনাস্থলেই মারা
যান। হারুন-অর-রশীদের লাশ
ওসমানী মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ
ঘটনায় শাবিতে শোকের ছায়া
নেমে এসেছে।

হযরত আল্লামা ফুলতলি ছাহেব কিবলাহ (র.)- এর ঈসালে সাওয়াব ১৫ জানুয়ারি

হযরত আল্লামা ফুলতলি ছাহেব কিবলাহ (র.)-  এর ঈসালে সাওয়াব ১৫ জানুয়ারি
২০১৭ রবিবার ফুলতলী ছাহেব বাড়ি সংলগ্ন বালাই হাওর জকিগনজ,সিলেট ঈসালে সাওয়াব মাহফিল সকাল ১০ টায় শুরু হবে পরদিন পর্যন্ত চলবে। 

১ কোটি ৮লক্ষ্য টাকা ব্যয়ে ফেঞ্চুগঞ্জে ডা.মিনহাজ উদ্দীন ব্রীজ উদ্বোধন

ফেঞ্চুগঞ্জ কুরকুচি ব্রীজ, যার নামকরণ
করা হয়েছে ডাঃমিনহাজ উদ্দীন
ব্রীজ।স্বপ্ন পূরন হলো উত্তর
ফেঞ্চুগঞ্জ তথা ফেঞ্চুগঞ্জ বাসীর।
মৃত্যুঞ্জয়ী নেতা ডাঃ মিনহাজ
উদ্দীনের নামকে চিরকাল মনে
রাখার জন্য এ স্থাপনাটি খুবই
গুরুত্ববহ।
গত শনিবার ব্রীজটি শুভ উদ্বোধন করা
হয়।
হাজী তুতা মিয়ার সভাপতিত্বে উক্ত
উদ্ভোধনী অনুষ্টানে প্রধান অথিতি
হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট ৩
আসনের সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ
চৌধুরী।
প্রধান অথিতির বক্তব্যে সাংসদ
বলেন, রাজনীতি এবং সামাজিক
কর্মকান্ডে ডাঃমিনহাজ উদ্দীন
ছিলেন ক্লিন ইমেজ সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব।
উনার সম্মানার্থে আজ থেকে কুরকুচি
ব্রীজকে ডাঃমিনহাজ উদ্দীন ব্রীজ
নাম করণ করা হলো।
তিনি আরো বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ
উপজেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সকল
মুক্তি যোদ্ধাদের নামে আলাদা
স্থাপনা করা হবে।
সাংসদের এই ঘোষণার পরেই জনতার
মুখে তৃপ্তির হাসি পরিলক্ষিত হয়।
স্থানীয় এলাকার মুরব্বী ইসহাক আলী
জানান, এমপি মহোদয়ের এই ঘোষণায়
আমরা অত্যন্ত খুশি।এলাকাবাসীর
পক্ষ থেকে তিনি সাংসদ আলহাজ্ব
মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীকে ধন্যবাদ
জানান।
উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ
সভাপতি জুনেদ আহমদ এর পরিচালনায়
উক্ত উদ্ভোধনী অনুষ্টানে অন্যান্যদের
মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সেক্রেটারি
আব্দুল আউয়াল কয়েস, উপজেলা
ছাত্রলীগ আহবায়ক মাসার আহমদ
শাহ, নিউজার্সি আওয়ামীলীগ এর
সাধারন সম্পাদক শাহজাহান শাহ সহ
উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন
আওয়ামীলীগ সহ অঙ্গ সংগঠনের
নেতৃবৃন্দ।

তৃতীয়বারও জয়ী হতাম- ওবামা, উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট
নির্বাচনে ফের
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারলে
তৃতীয়বারও জয়ী হতাম। জনগণ এখনো
আমার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সমর্থন
করেন। মন্তব্য করলেন বিদায়ী
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
সম্প্রতি সিএনএন ও শিকাগো
বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ‘দ্য অ্যাক্স
ফাইলসে’ প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে
এমন মন্তব্য করেন তিনি।
গেলো মাসে বিশ্বজুড়ে বহুল
আলোচিত নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট
প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে
অপ্রত্যাশিতভাবে পরাজিত করে
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হন
রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড
ট্রাম্প। শিগগিরই তিনি হোয়াইট
হাউসে উঠবেন। তা সত্ত্বেও ওবামার
বিশ্বাস, নির্বাচনে ফের লড়তে
পারলে তিনি জয়ী হতেন।
নিজেরই সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা
ডেভিড অ্যাক্সেলরডকে দেয়া
সাক্ষাৎকারে বিদায় প্রেসিডেন্ট
বলেন, জনগণ আমার উন্নয়নশীল
দৃষ্টিভঙ্গি সমর্থন ও বিশ্বাস করেন।
কারণ, জনগণের কল্যাণে যা করা
উচিত আমি তাই করেছি।উন্নয়নমূলক
কাজের জন্য নিজেকে গর্বিত মনে
করি।
ওবামার মতে, তরুণ প্রজন্ম অনেক
বেশি স্মার্ট, সহিষ্ণু, সৃজনশীল ও
উদ্যমী।
এদিকে, বারাক ওবামার এমন বক্তব্য
উড়িয়ে দিয়েছেন সদ্য নির্বাচিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প। টুইট বার্তায় তিনি বলেন,
ওবামা মনে করেন, আমার বিরুদ্ধে
তিনি জয়ী হতেন। কিন্তু আমি বলছি,
কোনো উপায় নেই।